
এছাড়া ২১ ক্যারেট মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৭২ হাজার ৯৯৬ টাকা। আর ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৯৯৮ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরির দর বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকা।

বিশ্ববাজারে সোনার দামের লাগাম যেন টানা যাচ্ছেই না! প্রতিদিনই ভাঙছে নিজের রেকর্ড, আর তার প্রভাব এসে পড়েছে দেশের বাজারেও। চলুন জেনে নিই—বিশ্ব থেকে বাংলাদেশ, কোথায় গিয়ে ঠেকেছে সোনার দাম।

বিশ্ব বাজারে হুট করে বেড়েছে সোনার দাম। এর প্রভাব পড়েছে দেশের সোনার বাজারে। এখন সোনার ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা। এই যখন অবস্থা তখন অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে- সোনার দাম বাড়া ও কমার কারণ কী?

দেশের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন-বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সংগঠনটির সদ্য বিদায়ী সভাপতি ও আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর।

সোনা উত্তোলনের জন্য অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে তারবেলার মাটির নিচ থেকে সোনা উত্তোলনের কাজ শুরু হবে

রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্যবসায়ী তাই ওয়ং বলেন, “গত এক সপ্তাহে দাম যেভাবে বেড়েছে তাতে মনে হচ্ছে অনেক ব্যবসায়ীই স্বল্পমেয়াদে মুনাফা তুলে নিতে চাইছে। তাই হুট করে দাম পড়ে গেলেও মনে হচ্ছে না বিক্রি কমবে।”

ব্যাংক অফ আমেরিকার বিশ্লেষকরা সোনা ও রূপার দামের পূর্বাভাস দিয়েছেন। ২০২৬ সালের মধ্যে সোনার দাম প্রতি আউন্সে পাঁচ ডলারে এবং রূপার দাম ৬৫ ডলারে পৌছানোর ভবিষ্যদ্বাণী করেছে।

অপরিবর্তিত আছে রুপার দাম। জুয়েলার্স সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ছয় হাজার ২০৫ টাকায়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম মানি কন্ট্রোলের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর বিশ্ববাজারে সোনার দাম ৬০ শতাংশ বেশি বেড়েছে। ২০০৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১১ সালের আগস্ট পর্যন্ত সোনার দাম ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল।