চরচা ডেস্ক

সব বিদেশি ঋণ শোধ করে দেওয়ার মতো সোনার খনি পেয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও এয়ার করাচির চেয়ারম্যান হানিফ গহর এক সংবাদ সম্মেলনে গত সোমবার এই তথ্য জানান।
দেশটির সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মজুত ওই সোনার খনির অবস্থান খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের তারবেলা এলাকায়। আর ওই সোনার বাজারমূল্য প্রায় ৬৩৬ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৭৭ লাখ কোটি টাকারও বেশি।
হানিফ গহর বলেন, ‘‘তারবেলায় পাওয়া সোনার মজুত দেশের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের জন্য যথেষ্ট এবং বিষয়টি ইতিমধ্যেই স্পেশাল ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটেশন কাউন্সিল এবং স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান গভর্নরের নজরে আনা হয়েছে।’’
গোহর বলেন, ‘‘সোনা উত্তোলনের জন্য অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে তারবেলার মাটির নিচ থেকে সোনা উত্তোলনের কাজ শুরু হবে।’’

সব বিদেশি ঋণ শোধ করে দেওয়ার মতো সোনার খনি পেয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও এয়ার করাচির চেয়ারম্যান হানিফ গহর এক সংবাদ সম্মেলনে গত সোমবার এই তথ্য জানান।
দেশটির সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মজুত ওই সোনার খনির অবস্থান খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের তারবেলা এলাকায়। আর ওই সোনার বাজারমূল্য প্রায় ৬৩৬ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৭৭ লাখ কোটি টাকারও বেশি।
হানিফ গহর বলেন, ‘‘তারবেলায় পাওয়া সোনার মজুত দেশের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের জন্য যথেষ্ট এবং বিষয়টি ইতিমধ্যেই স্পেশাল ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটেশন কাউন্সিল এবং স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান গভর্নরের নজরে আনা হয়েছে।’’
গোহর বলেন, ‘‘সোনা উত্তোলনের জন্য অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে তারবেলার মাটির নিচ থেকে সোনা উত্তোলনের কাজ শুরু হবে।’’

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।