
দ্য ডিপ্লোম্যাটের প্রতিবেদন
‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’ বলছে, আওয়ামী লীগের মাঠের বাইরে থাকা এবং ভোটারদের মধ্যে সিদ্ধান্তহীনতা বা পরিবর্তনের প্রবণতা অস্বাভাবিকভাবে বেশি হওয়ায় এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক কাঠামোর স্থায়িত্ব এবং দেশি-বিদেশি শক্তির কৌশলগত হিসাব-নিকাশকে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলবে।

২০২৪ সালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তিনজনের সম্পদ জব্দেরও আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলায় আট গ্রেপ্তার আসামির মধ্যে সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সাবেক এসআই ও পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা রয়েছেন। এদের একজন শেখ আবজালুল হক আদালতে রাজসাক্ষী হয়ে জবানবন্দি দেন এবং শহীদ পরিবারের কাছে ক্ষমা চান। অপরদিকে সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ আরও আটজন এখনও পলাতক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, কারা বা কীভাবে প্রতিকৃতিগুলো কালো রঙে ঢেকে দিয়েছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশ আগেও শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য আবেদন করেছিল। কিন্তু দিল্লি সাড়া দেয়নি। এখন পরিস্থিতি ভিন্ন, বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং তারা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

নিজেকে নিরপরাধ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টায় শেখ হাসিনা সফল হবেন সে সম্ভাবনা খুবই কম। ২০২৪ সালের জুলাই আগস্টে কী হয়েছিল, তার সরকারের এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা কি ছিল– তার অনেক সাক্ষ্য-প্রমাণ, ছবি-ফুটেজ এমনকি সাধারণ মানুষের কাছেও রয়েছে। জাতিসংঘের তদন্তেও তা প্রমাণিত হয়েছে।

আটলান্টিক কাউন্সিল আমেরিকার অন্যতম থিংক ট্যাঙ্ক, যারা মূলত বৈদেশিক ব্যাপারে কথা বলে। এদিকে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসন থেকে বেরিয়ে আসার পথে এই রায় কী অর্থ বয়ে আনবে তা নিয়ে তিন বিশেষজ্ঞ মতামত দিয়েছেন। সেই মতামত আটলান্টিক কাউন্সিল তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মামলার রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তার অনুপস্থিতেই এই রায় ঘোষণা করা হয়। শেখ হাসিনা এখন ভারতে। তাকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের কাছে আগেই চিঠি পাঠানো হয়েছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। দিল্লিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে এর আগে চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ। নতুন করে এ আলোচনা আবার সামনে এসেছে। প্রশ্ন উঠেছে, ভারত কি শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাবে?

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়কে কেন্দ্র করে আইসিটি ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার। পথচারীদের থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হচ্ছে এবং দেখা হচ্ছে পরিচয়পত্র।

মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের রায়কে ‘খুবই উদ্বেগজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের কংগ্রেস নেতা শশী থারুর।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, “প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশে শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি, স্থিতিশীলতাসহ বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থের বিষয়ে ভারত অঙ্গীকারবদ্ধ। এই লক্ষ্য অর্জনে আমরা সব সময় সব অংশীজনের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকব।”

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, “প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশে শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি, স্থিতিশীলতাসহ বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থের বিষয়ে ভারত অঙ্গীকারবদ্ধ। এই লক্ষ্য অর্জনে আমরা সব সময় সব অংশীজনের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকব।”