চরচা ডেস্ক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আশুলিয়ায় ছয় আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যা এবং পরে লাশ পোড়ানোসহ আরও একজনকে হত্যার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী মামলার রায় যেকোনো দিন ঘোষণা করা হবে। আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মামলাটি রায়ের অপেক্ষমাণ (সিএভিল) রেখে এ আদেশ দিয়েছে।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আরও ছিলেন বিচারক মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামসহ অন্যান্য প্রসিকিউটররা। আসামিদের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন।
মামলায় আট গ্রেপ্তার আসামির মধ্যে সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সাবেক এসআই ও পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা রয়েছেন। এদের একজন শেখ আবজালুল হক আদালতে রাজসাক্ষী হয়ে জবানবন্দি দেন এবং শহীদ পরিবারের কাছে ক্ষমা চান। অপরদিকে সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ আরও আটজন এখনও পলাতক।
প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পুলিশ আন্দোলনকারীদের গুলি করে হত্যার পর ভ্যানে তুলে আগুনে পুড়িয়ে দেয়। একজন জীবিত থাকলেও তাকেও হত্যা করা হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আশুলিয়ায় ছয় আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যা এবং পরে লাশ পোড়ানোসহ আরও একজনকে হত্যার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী মামলার রায় যেকোনো দিন ঘোষণা করা হবে। আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মামলাটি রায়ের অপেক্ষমাণ (সিএভিল) রেখে এ আদেশ দিয়েছে।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আরও ছিলেন বিচারক মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামসহ অন্যান্য প্রসিকিউটররা। আসামিদের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন।
মামলায় আট গ্রেপ্তার আসামির মধ্যে সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সাবেক এসআই ও পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা রয়েছেন। এদের একজন শেখ আবজালুল হক আদালতে রাজসাক্ষী হয়ে জবানবন্দি দেন এবং শহীদ পরিবারের কাছে ক্ষমা চান। অপরদিকে সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ আরও আটজন এখনও পলাতক।
প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পুলিশ আন্দোলনকারীদের গুলি করে হত্যার পর ভ্যানে তুলে আগুনে পুড়িয়ে দেয়। একজন জীবিত থাকলেও তাকেও হত্যা করা হয়।

মামলায় আট গ্রেপ্তার আসামির মধ্যে সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সাবেক এসআই ও পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা রয়েছেন। এদের একজন শেখ আবজালুল হক আদালতে রাজসাক্ষী হয়ে জবানবন্দি দেন এবং শহীদ পরিবারের কাছে ক্ষমা চান। অপরদিকে সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ আরও আটজন এখনও পলাতক।