
ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনায় অন্তত সাতজন নিহত ও ৮২ জন নিখোঁজ রয়েছেন। টানা ভারী বৃষ্টিপাতের মধ্যেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা।

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে ঘূর্ণিঝড়জনিত ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০৩ জনে দাঁড়িয়েছে, নিখোঁজ শতাধিক। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করছে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।

কলম্বো ও আশপাশের এলাকায় পানি ঢুকে পড়ায় অনেক মানুষ নৌকায় করে নিরাপদ স্থানে সরে গেছে। নিম্নাঞ্চলে বন্যার পানি ও পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকিতে সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

শ্রীলঙ্কায় বন্যা এবং ভূমিধসে শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র আজ শনিবার জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহের প্রভাবে মুষলধারে বৃষ্টিপাত এবং বন্যায় শ্রীলঙ্কাজুড়ে এখন পর্যন্ত ১২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও ১৩০ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছে। খবর এএফপির।

জাপানের ১০-মাত্রার ভূকম্পন স্কেলে এর তীব্রতা ছিল চতুর্থ-স্তরে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল মাটির ৯ কিলোমিটার গভীরে ছিল। তবে কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।

কেনিয়ায় বছরের দ্বিতীয় বর্ষা মৌসুম শুরু হয়েছে। বছরের শুরুর দিকে কেনিয়ায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়।