
হঠাৎ করে হাইজ্যাক হয়ে গেল মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্পেশাল প্লেন এয়ার ফোর্স ওয়ান! এরপর নানা কায়দাকানুন করে, সন্ত্রাসীদের মেরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সেই পরিস্থিতি থেকে বেঁচে ফেরেন। এমন গল্পের সিনেমাই ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’।

রাশিয়ার অ্যানিমেশন শিল্প বেশ সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যেই আশার আলো ছড়াচ্ছে রাশিয়ার কিংবদন্তি অ্যানিমেটর কনস্টানতিন ব্রনজিত অস্কার মনোনয়ন। কারণ তার পরিচালিত চলচ্চিত্র এ বছর সেরা অ্যানিমেটেড শর্ট ফিল্ম বিভাগে অস্কার মনোনয়ন পেয়েছে।

পুরস্কার জয়ের মধ্য দিয়ে বিজয়ীদের ক্যারিয়ার রাতারাতি ফুলেফেঁপে উঠে—এ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। একাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস একটি টাকাও কাউকে দেয় না।

৯৮তম অস্কারের মনোনয়নে বড় চমক দেখিয়েছে ব্রাজিলের চলচ্চিত্র ‘দ্য সিক্রেট এজেন্ট’। সেরা চলচ্চিত্রসহ চার বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছে ক্লেবার মেন্ডোসা ফিলো পরিচালিত এই সিনেমা। ওয়াগনার মৌরার অভিনয় ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ছবিটিকে এনে দিয়েছে বিশ্বজুড়ে আলোচনায়।

রোমান হলিডে দিয়ে ইতিহাস গড়া অড্রে হেপবার্ন আজও অনন্য কিংবদন্তি। অভিনয়, ফ্যাশন এবং মানবিক কাজ—তিন ক্ষেত্রেই ছিল তার অসামান্য প্রভাব। মৃত্যুর পরও হলিউড ও মানবতার ইতিহাসে তিনি অমলিন।

২০১৬ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় সবচেয়ে বেশি দর্শক যে সিনেমাটি দেখেছিল সেটি ইয়োন সাং-হো পরিচালিত এই ‘ট্রেন টু বুসান’। ১ কোটি ১৫ লাখেরও বেশি মানুষ সিনেমাটি হলে গিয়ে দেখেছিল। এটি এখনো দক্ষিণ কোরিয়ার সর্বকালের সর্বাধিক দর্শকসংখ্যা অর্জনকারী চলচ্চিত্রের তালিকায় ১১তম স্থানে অবস্থানে রয়েছে।

লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র রাজনীতি ও বর্তমান সমাজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার গল্প নিয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি মূলত একটি পলিটিক্যাল স্যাটায়ার বা রাজনৈতিক ব্যঙ্গচিত্র।
এই সিনেমার বাজেট ছিল ৮ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। কিন্তু তা আয় করেছিল প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার। বলা হয়ে থাকে, দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে আর কোনো সিনেমা বিদেশের মাটিতে এতটা আলোড়ন ফেলতে পারেনি।
পপকালচারে সাইকো গভীর ও ব্যাপক প্রভাব ফেলে এবং অস্থির ষাটের দশকে এক সুস্পষ্ট সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের সূচনা করে। ইতালির জালো ধারা (সহিংসতা ও ইরোটিক ঘরানা) এবং আমেরিকার স্ল্যাশার ঘরানার ছবিগুলোর অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে হিচককের সাইকো।

অস্ট্রেলিয়ার পার্কস শহর আবারও এলভিস প্রিসলি ভক্তদের মিলনমেলায় রূপ নিয়েছে, যেখানে শুরু হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত এলভিস ফেস্টিভ্যাল। ২০২৬ সালের এই আসর অনুপ্রাণিত এলভিসের প্রথম চলচ্চিত্র Love Me Tender থেকে, যা গৃহযুদ্ধ-পরবর্তী আমেরিকার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে।

উনবিংশ শতাব্দীর আগে নস্টালজিয়াকে ইতিবাচক কোনো অনুভূতি হিসেবে দেখা হতো না বরং একে একটি মানসিক রোগ হিসেবে বিবেচনা করা হতো।

‘রাশোমন ইফেক্ট’ কি জানেন তো? একটি মাত্র ঘটনাকে একাধিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা। একটি ঘটনা যখন ঘটে তখন একেকজন একেকভাবে তা দেখে এবং বর্ণনা করে। একজনের বয়ান আরেকজনের বয়ানের একেবারে বিপরীত ও সাংঘর্ষিকও হতে পারে, এই অবস্থাকেই দর্শন ও মনোবিজ্ঞানে ‘রাশোমন ইফেক্ট’ বলে।

গল্পের গোড়াতেই জেনেছিলাম, ভিয়েতনাম ব্যুরোর পিকচার এডিটর ও ফটোসাংবাদিক হর্স্ট ফাস ছবিটির ক্যাপশন থেকে স্ট্রিঙ্গারের নাম সরিয়ে নিক উটের নাম বসিয়েছিলেন। সবার বক্তব্য পাওয়া গেলেও এই ফাসের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি, তার আগেই তিনি মারা যান।

ধর্মেন্দ্রকে দর্শক ভালোবাসত কারণ তিনি সেই যুগের ভারতীয় যুবকের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। সৎ, পরিশ্রমী, পরিবারের জন্য সর্বস্ব বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত, কিন্তু নিজের মর্যাদা নিয়ে আপসহীন। এই ইমেজ ভারতীয় সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে গভীরভাবে মিলে যায়।

ধর্মেন্দ্রকে দর্শক ভালোবাসত কারণ তিনি সেই যুগের ভারতীয় যুবকের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। সৎ, পরিশ্রমী, পরিবারের জন্য সর্বস্ব বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত, কিন্তু নিজের মর্যাদা নিয়ে আপসহীন। এই ইমেজ ভারতীয় সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে গভীরভাবে মিলে যায়।