পপকালচারে সাইকো গভীর ও ব্যাপক প্রভাব ফেলে এবং অস্থির ষাটের দশকে এক সুস্পষ্ট সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের সূচনা করে। ইতালির জালো ধারা (সহিংসতা ও ইরোটিক ঘরানা) এবং আমেরিকার স্ল্যাশার ঘরানার ছবিগুলোর অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে হিচককের সাইকো।

অস্ট্রেলিয়ার পার্কস শহর আবারও এলভিস প্রিসলি ভক্তদের মিলনমেলায় রূপ নিয়েছে, যেখানে শুরু হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত এলভিস ফেস্টিভ্যাল। ২০২৬ সালের এই আসর অনুপ্রাণিত এলভিসের প্রথম চলচ্চিত্র Love Me Tender থেকে, যা গৃহযুদ্ধ-পরবর্তী আমেরিকার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে।

উনবিংশ শতাব্দীর আগে নস্টালজিয়াকে ইতিবাচক কোনো অনুভূতি হিসেবে দেখা হতো না বরং একে একটি মানসিক রোগ হিসেবে বিবেচনা করা হতো।

‘রাশোমন ইফেক্ট’ কি জানেন তো? একটি মাত্র ঘটনাকে একাধিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা। একটি ঘটনা যখন ঘটে তখন একেকজন একেকভাবে তা দেখে এবং বর্ণনা করে। একজনের বয়ান আরেকজনের বয়ানের একেবারে বিপরীত ও সাংঘর্ষিকও হতে পারে, এই অবস্থাকেই দর্শন ও মনোবিজ্ঞানে ‘রাশোমন ইফেক্ট’ বলে।

গল্পের গোড়াতেই জেনেছিলাম, ভিয়েতনাম ব্যুরোর পিকচার এডিটর ও ফটোসাংবাদিক হর্স্ট ফাস ছবিটির ক্যাপশন থেকে স্ট্রিঙ্গারের নাম সরিয়ে নিক উটের নাম বসিয়েছিলেন। সবার বক্তব্য পাওয়া গেলেও এই ফাসের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি, তার আগেই তিনি মারা যান।

ধর্মেন্দ্রকে দর্শক ভালোবাসত কারণ তিনি সেই যুগের ভারতীয় যুবকের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। সৎ, পরিশ্রমী, পরিবারের জন্য সর্বস্ব বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত, কিন্তু নিজের মর্যাদা নিয়ে আপসহীন। এই ইমেজ ভারতীয় সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে গভীরভাবে মিলে যায়।

‘লালন-সম্রাজ্ঞী’খ্যাত ফরিদা পারভীন চলে গেলেন না ফেরার দেশে। ৫৫ বছরের সংগীতজীবনে তার বেশির ভাগ সময় কেটেছে লালন সাঁইয়ের গান গেয়ে। লালনের গান মানেই ফরিদা পারভীন। লালনসংগীতে অবদানের জন্যই ১৯৮৭ সালে পেয়েছেন একুশে পদক।

‘বুদ্ধিজীবীরা যা বলতেন, শুনলে বাংলাদেশ স্বাধীন হত না। এখন যা বলছেন, শুনলে বাংলাদেশের সমাজ–কাঠামোর আমূল পরিবর্তন হবে না।’ প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে সদ্য জন্ম নেওয়া একটি দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক বিন্যাস নিয়ে লিখতে বসে শুরুতেই এমন মন্তব্য করেছিলেন আহমদ ছফা

বাংলা প্রবাদে আছে—‘আগে দর্শনধারী, পরে গুণবিচারী’। অর্থাৎ একজন ব্যক্তিকে বিচার করার সময় আমরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই উনি কি ধরনের আচরণ প্রদর্শন করেন, সেটিকেই বিবেচনায় নিয়ে থাকি। কিন্তু কথা কম বলা মানেই কি কাজও কম করা? বা উল্টো করে বললে, কথা বেশি বলা কর্মী কি সব সময় কাজও বেশি করে থাকে?

সালমান শাহর গল্পটা করুণ তাঁর গল্পটা অসম্পূর্ণ। ২৯ বছর আগে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তিনি চলে গিয়েছিলেন না ফেরার দেশে। ২৭ বছর বয়সেই, অর্থ, যশ, খ্যাতি যখন তাঁর পায়ে লুটিয়েছে, সেই বয়সেই তিনি নাকি আত্মহত্যা করেছিলেন! কিন্তু সে কথা দেশের মানুষ কখনোই বিশ্বাস করেনি।