Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৫ অক্টোবর, ২০২৬
১৫ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৫ অক্টোবর, ২০২৬
১৫ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> ভাবনা

ফ্রান্স এখন এক চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে

মুজতবা রহমান

প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১: ৩১
ফ্রান্স এখন এক চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে
ছবি: রয়টার্স

ফরাসি ভাষায় এর একটি চমৎকার শব্দ আছে: ‘আন অঁগ্রেনাজ’। যার অর্থ এক দুষ্টচক্র বা ক্রমাগত অবনতির ঘূর্ণিপাক। ফ্রান্স ঠিক এমন এক পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই যাচ্ছে। এখানে বেশ কয়েকটি সংকট দীর্ঘ সময় ধরে দানা বাঁধছিল; এখন প্রতিটি সংকট অন্যগুলোকে আরও ত্বরান্বিত করে তোলার হুমকি সৃষ্টি করছে।

Advertisement

প্রথমটি হলো, উদারনৈতিক গণতন্ত্রের সংকট। জনমত জরিপগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, আগামী বসন্তে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে উগ্র ডানপন্থীরা ক্ষমতায় চলে আসতে পারে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

দ্বিতীয়টি হলো, আর্থিক অব্যবস্থাপনার সংকট। ফ্রান্সের সরকারি ঋণের পরিমাণ রেকর্ড চার ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে; এমনকি নতুন করে সরকারি ঋণ নেওয়ার খরচ ইতালি বা গ্রিসের চেয়েও বেড়ে গেছে।

তৃতীয়টি হলো, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষের সংকট। জরাজীর্ণ স্কুল ভবন এবং জীবনে উন্নতির সুযোগ কমে যাওয়ার প্রতিবাদে ফরাসি শিক্ষার্থীরা গত কয়েক সপ্তাহে দেশটির প্রায় অর্ধেক উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় অবরুদ্ধ করে রেখেছে।

পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়া এবং অনুপ্রেরণাদায়ক ব্যানার বহনকারী এই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববাসীর মনোযোগ কেড়ে নিয়েছে। তাদের এই প্রতিবাদ নিঃসন্দেহে নাটকীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ। উগ্র ডানপন্থীদের উত্থানও সমান গুরুত্বপূর্ণ ও উদ্বেগজনক। তবে আর্থিক সংকটটি সবচেয়ে বিপজ্জনক। এটি দেশটির অনেক সমস্যার মূলে রয়েছে এবং ফ্রান্সকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দেওয়ার হুমকি তৈরি করছে। সত্যি বলতে, ফ্রান্স এখন এক চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে।

ফ্রান্সে ডানপন্থী ল্য পেন জিতলে যা হবেMarine-Le-Pen

সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে প্যারিসের দরিদ্র শহরতলিগুলোতে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের এই প্রতিবাদ শুরু হয়। এরপর তা বড় শহর থেকে শুরু করে প্রান্তিক অঞ্চল পর্যন্ত, দেশের প্রতিটি প্রান্তের সরকারি স্কুলগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে। ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ সময় ধরে ক্লাস করা, শ্রেণিকক্ষে অত্যধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষকদের ঘন ঘন অনুপস্থিতি এবং স্কুল ভবনগুলোর জরাজীর্ণ অবস্থার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করছে। পাশাপাশি তারা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, উগ্র ডানপন্থীদের উত্থান এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে তরুণদের কর্মসংস্থান হারানোর ঝুঁকি নিয়েও উদ্বিগ্ন। তাদের সব অভিযোগের মূলে রয়েছে দীর্ঘস্থায়ী বিনিয়োগের অভাব।

ফ্রান্স শিক্ষার জন্য প্রচুর পরিমাণে ব্যয় করে- বছরে প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার, বা মোট দেশীয় উৎপাদনের ৫ দশমিক ১ শতাংশ, ইউরোপীয় ইউনিয়নের গড় থেকে বেশি। তাই কি হচ্ছে? গুরুত্বপূর্ণভাবে, সেই অর্থের এক-চতুর্থাংশের বেশি যুবকদের কাছে নয়, বয়স্কদের কাছে যায়, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পেনশন পরিশোধ করে। এটি দেশের সমস্যার অন্যতম মূল কারণকে নির্দেশ করে। রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের প্রায় এক-চতুর্থাংশ পেনশনে যায়; আরেকটি ত্রৈমাসিক সামাজিক পরিষেবাগুলোতে যায়, স্বাস্থ্যসেবা থেকে বেকারত্বের সুবিধা পর্যন্ত।

গত ৫২ বছরে ফ্রান্সের কোনো সরকারই তাদের বাজেট ভারসাম্যপূর্ণ রাখতে পারেনি। তা সত্ত্বেও, ফ্রান্সের ঋণের পরিমাণ যা তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১১৯ শতাংশ- যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় কম। ২০১৯ সালেও প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বার্ষিক বাজেট ঘাটতিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা, অর্থাৎ জিডিপির ৩ শতাংশের মধ্যে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিলেন।

এরপর এল মহামারি। লকডাউনের সময় ফরাসি অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ ‘যা যা প্রয়োজন’ তা-ই করার প্রতিশ্রুতি দেন, যার ফলে ২০২০ সালে বাজেট ঘাটতি বেড়ে জিডিপির ৯ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছায়। মাত্র এক বছরেই পুঞ্জীভূত ঋণের পরিমাণ ৩৩৫ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পায়। মহামারিকালীন ভর্তুকি তুলে নেওয়ার ক্ষেত্রেও ফ্রান্স অন্যান্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর তুলনায় ধীরগতি ছিল। এছাড়া, ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনে আগ্রাসন চালানোর পর জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব থেকে ফ্রান্সকে রক্ষা করতে সরকার আরও ৯৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে।

এরপর প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ পরিস্থিতির ওপর নিয়ন্ত্রণ হারান। ২০২২ সালে তিনি পুনর্নির্বাচিত হলেও জাতীয় পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হন। ২০২৩ সালে তিনি পেনশন ব্যবস্থায় কিছুটা সংস্কার আনেন, যার আওতায় সরকারি অবসরের বয়সসীমা ৬২ থেকে বাড়িয়ে ধাপে ধাপে ৬৪ বছর করা হয়। তিনি যথার্থই যুক্তি দিয়েছিলেন যে, ফ্রান্সের উদার পেনশন ও কল্যাণমূলক ব্যবস্থা বজায় রাখতে হলে নাগরিকদের দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করা প্রয়োজন। কিন্তু ৭০ শতাংশেরও বেশি ফরাসি নাগরিক এর বিরোধিতা করেন, যাদের মধ্যে কেউ কেউ অত্যন্ত সহিংস হয়ে ওঠেন।

সরকারের প্রতিশ্রুতির পরও ফ্রান্সে কেন স্কুল অবরোধ চলছেFrench school blockades 1

এর প্রতিক্রিয়ায়, ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ একটি অপরিকল্পিত আগাম নির্বাচনের ডাক দেন, যা তার মধ্যপন্থী জোটের শক্তিকে আরও কমিয়ে দেয়। এরপর দুজন প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সের অতিরিক্ত সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের জন্য বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে এলেও, জাতীয় পরিষদে বামপন্থী ও কট্টর ডানপন্থী আইনপ্রণেতাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের বিরোধিতার মুখে তাদের পদত্যাগ করতে হয়। এর ফলে বর্তমানে দেশটিতে এক অদ্ভুত অচলাবস্থা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির জন্য কিছুটা দায়ভার প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর ওপর বর্তায়। একই সঙ্গে দায় রয়েছে বিরোধী দলগুলোরও- যার মধ্যে রয়েছে উগ্র-বামপন্থী ‘ফ্রঁস আনবোঁদ’ থেকে শুরু করে মেরিন ল্য পেনের উগ্র-ডানপন্থী ‘ন্যাশনাল র্যালি’। তারা ক্রমবর্ধমান আর্থিক বিপর্যয়- বিশেষ করে পেনশন ও অন্যান্য সামাজিক ভাতার অসহনীয় বোঝা- মোকাবিলার পরিবর্তে রাজনৈতিক খেলাধুলায় লিপ্ত থাকাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে মধ্য-বামপন্থী সোশালিস্টরা চলতি বছরের বাজেট পাস হতে দিলেও, তার বিনিময়ে ম্যাক্রোঁর পেনশন সংস্কার কর্মসূচি স্থগিত করতে বাধ্য করে।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সেবাস্টিয়ান ল্যকর্নু ২০২৭ সালের বাজেটে কিছু কষ্টসাধ্য কিন্তু খুব একটা কঠোর নয় এমন পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছেন, যা বাজেট ঘাটতিকে জিডিপির পাঁচ শতাংশে নামিয়ে আনতে পারে। আগামী ২০ অক্টোবর জাতীয় পরিষদে তাকে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ ভোটাভুটির মুখোমুখি হতে হবে। তার সরকার যদি বাজেট পাস করতে ব্যর্থ হয়, তবে ফ্রান্সের ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয় আকাশচুম্বী হয়ে উঠতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ফ্রান্সকে হয়তো আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সহায়তা চাইতে হবে এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে হাত পাততে হবে- যা বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম অর্থনীতির জন্য চরম অবমাননাকর একটি বিষয় হবে।

অনেক দিক থেকেই ফ্রান্স এখনো একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ দেশ। তবে ফ্রান্সের প্রতি বাজারের অবিশ্বাসের কারণ মূলত অর্থনৈতিক নয়, বরং রাজনৈতিক। বাজারগুলোর আশঙ্কা, চরম ডান ও বামপন্থীদের আধিপত্যে গভীরভাবে বিভক্ত এই রাজনৈতিক ব্যবস্থায় এমন কোনো ঐকমত্য গড়ে উঠবে কি না, যা সরকারি অর্থব্যবস্থাকে পুনরায় সঠিক পথে ফেরানোর জন্য প্রয়োজনীয় কঠিন সংস্কারগুলো গ্রহণ করতে পারবে। তাদের ভয়, দেশটি সামাজিকভাবে অস্থির এবং প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অচল হয়ে পড়ছে। আর এই আস্থার সংকটই ফ্রান্সের ঋণ গ্রহণের ব্যয়কে অস্বাভাবিক পর্যায়ে ঠেলে দিয়েছে।

এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার কোনো সহজ পথ নেই। মে মাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে যিনিই জয়ী হোন না কেন, জুন মাসে অনুষ্ঠিতব্য সংসদীয় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা তার জন্য কঠিন হবে, যা আরও রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্ম দিতে পারে। তাছাড়া, বর্তমানে এগিয়ে থাকা মেরিন ল্য পেন এই সংকটকে সততার সঙ্গে মোকাবিলা করতে আদৌ ইচ্ছুক কি না, তা নিয়েও অনেকের সন্দেহ রয়েছে। গত সপ্তাহে তিনি পাঁচ বছর মেয়াদি যে বাজেট পরিকল্পনা পেশ করেছেন, তাতে আদর্শগত গোঁড়ামি আর হিসাবের কারসাজি ছাড়া আর কিছুই ছিল না।

অন্যদিকে, মেরিন ল্য পেন নিজেও জানেন যে, তার প্রেসিডেন্ট হিসেবে টিকে থাকা বা ব্যর্থ হওয়া অনেকটাই বাজারের আচরণের ওপর নির্ভর করবে। তিনি প্রমাণ করতে চান যে, তিনি একজন দায়িত্বশীল রাষ্ট্রনায়ক, কোনো ধ্বংসকারী শক্তি নন। এই বিষয়টি মাথায় রেখে, তিনি সম্ভবত অ্যাসেম্বলিতে তার ১৩৯ জন প্রতিনিধির দলকে ভোটদান থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেবেন, যাতে বাজেটটি পাস হতে পারে। এটি হয়তো আপাতত গ্রিসের আর্থিক ধসের পরবর্তী পরিস্থিতির মতো কোনো বিপর্যয় এড়াতে সাহায্য করবে। কিন্তু ফ্রান্স এখন আর নিজের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের অবস্থানে নেই।

‘লঁগ্রেনাজ’, অর্থাৎ এক দুষ্ট চক্র- এখন স্থায়ী রূপ নিয়েছে।

মুজতবা রহমান: ইউরেশিয়া গ্রুপের ইউরোপ বিষয়ক ম্যানেজিং ডিরেক্টর। ইউরেশিয়া গ্রুপ হলো রাজনৈতিক ঝুঁকি বিষয়ক গবেষণা ও পরামর্শ প্রদানকারী একটি প্রতিষ্ঠান। তিনি ব্রাসেলস থেকে লিখেছেন।

(এই লেখাটি দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের সৌজন্যে প্রকাশিত হলো।)

বিষয়: ফরাসিফ্রান্সআন্তর্জাতিকবৈদেশিকমতামতবিশ্লেষণ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    খুলনায় পুলিশের ওপর হামলার পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ২

  • ২

    ইউপি নির্বাচন: এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা কি ভোটে অংশ নিতে পারবেন?

  • ৩

    ফ্রান্স এখন এক চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে

  • ৪

    ঢাকার বায়ুদূষণ দেশের জন্য লজ্জার: প্রধানমন্ত্রী

  • ৫

    কপ-৩১ সামনে রেখে শ্রম অধিকার রক্ষার দাবি ৩ সংস্থার

সম্পর্কিত
  • গোগোলের ওভারকোট বনাম রাজধানীর রাঙা দেয়াল: আকাকিদের গল্প কেন মিলে যায়?

    গোগোলের ওভারকোট বনাম রাজধানীর রাঙা দেয়াল: আকাকিদের গল্প কেন মিলে যায়?

    বেওয়ারিশ কুকুরের মতন ঢাকা শহরের এই সব আকাকিরা তাহলে কোথায় যাবে? তারাও কি ফুটপাথে বা রাস্তায় সিগারেট ফুঁকতে-ফুঁকতে বা মোবাইলে কথা বলতে-বলতে চলতে থাকা মধ্যবিত্তদের পথ রোধ করে পেটে বা গলায় ছুরি ধরে বলবে, ‘দে শালা! যা আছে, দিয়ে যা! নইলে ফুটা করে দেব’?

  • জনগণ কি ‘গৌরী সেন?’, ব্যাংক লুটের দায় কেন তারা নেবে?

    জনগণ কি ‘গৌরী সেন?’, ব্যাংক লুটের দায় কেন তারা নেবে?

    বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের আর্থিক ক্ষতি কাটাতে আগামী পাঁচ থেকে আট বছর পর্যন্ত প্রতি বছর ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। পাঁচ বছরে এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩ লাখ কোটি টাকা, আট বছরে ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। এখন প্রশ্ন হলো, ব্যাংক লুট

  • কংগ্রেস কি সিজেপিকে শত্রু মনে করে?

    কংগ্রেস কি সিজেপিকে শত্রু মনে করে?

    অভূতপূর্ব কিছু একটা ঘটতে চলেছে। ভারতের বিরোধী দলগুলো এবং হাজার হাজার সাধারণ নাগরিক অবশেষে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ও সোচ্চার হয়ে উঠেছে। ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা দেওয়ার চেষ্টার বিরুদ্ধে এবং ভারতের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের পক্ষে তারা একজোট হয়ে কথা বলছে।

  • সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা: যেখানে তলে তলে টেম্পু চলে!

    সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা: যেখানে তলে তলে টেম্পু চলে!

    সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা। প্রতি শব্দের অদ্যাক্ষর নিয়ে মজা করে সংক্ষেপ করতে চাইলে হয়ে যায়, ‘স–স্বা’। এখন এটিকে উচ্চারণের কিঞ্চিৎ সমতার হিসাবে যদি ‘শসা’ হিসেবে চিহ্নিত করতে চান, তাতেও খুব একটা ভুল হবে না। কারণ আমাদের দেশে যেভাবে লবণের বিজ্ঞাপনে অবলীলায় শসা কচকচিয়ে খেয়ে ফেলার দৃশ্য দেখানো হয়