সোশ্যাল মিডিয়া নির্ভর এশিয়ার জেন জি আন্দোলন: সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতা

জানজিরা সোমবাতপুনসিরি
জানজিরা সোমবাতপুনসিরি
সোশ্যাল মিডিয়া নির্ভর এশিয়ার জেন জি আন্দোলন: সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতা

সম্প্রতি এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশে নতুন প্রজন্মের জেন জি’দের নেতৃত্বে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ক্রমবর্ধমান সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে ক্ষুব্ধ এসব তরুণেরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংগঠিত হয়ে নিজ নিজ দেশের সরকারের কাছে এই বৈষম্য দূর করার দাবি জানাচ্ছে।

ইন্দোনেশিয়ায় আগস্টের শেষের দিকে শুরু হওয়া বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেয় অনলাইন ডেলিভারি ও পরিবহন খাতে চুক্তিভিত্তিক কাজ করা শ্রমিকেরা। সেদেশের প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর প্রস্তাবিত ‘কল্যাণ সুবিধা’ কমানোর পরিকল্পনার প্রতিবাদে তারা রাস্তায় নামে। এরপর যখন মানুষ বুঝতে পারে যে সেনাবাহিনী ও ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে, তখন জনরোষ আরও তীব্র হয়। পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে ওঠে যখন সরকার সংসদ সদস্যদের দশগুণ পরিমাণ আবাসন ভাতা অনুমোদন করে।

নেপালেও একই ধরনের জনরোষ দেখা যায়। দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী অভিজাত শ্রেণির দখলে থাকা রাজনীতি ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রতিবাদে জেন জি তরুণরা রাস্তায় নামে। তারা #nepobabies(নেপোবেবিস) হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে নেপালের রাজনীতিতে স্বজনপ্রীতি আর সেই সুবাদে পাওয়া অনৈতিক সুযোগ-সুবিধার বিরুদ্বে আওয়াজ তোলে। চলমান রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুযোগকে শাসক গোষ্ঠী যেভাবে তাদের পরিবার ও অনুগতদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছে এবং সাধারণ মানুষের জন্য জনসম্পদ ও সামাজিক অগ্রগতির পথ বন্ধ করে দিয়েছে, সেই পক্ষপাতদুষ্ট রাজনীতিই ছিল নেপালের তরুণদের প্রতিবাদের মূল প্রতিপাদ্য।

আরব বসন্ত (২০১০–২০১১), অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট (২০১১), ইউরোপের মিতব্যয়বিরোধী আন্দোলন (২০১১–২০১২), এবং এশিয়ার গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলন যেমন থাইল্যান্ড (২০২০–২০২১), শ্রীলঙ্কা (২০২২), ও বাংলাদেশ (২০২৪)- এই ঘটনাগুলো ডিজিটাল মাধ্যমে রাজনৈতিক অনাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও গণজোয়ারের যে সংস্কৃতি গত দেড় দশকে তৈরি করেছিল, নেপাল, ইন্দোনেশিয়াও সেই ধারাকেই মূলত প্রতিনিধিত্ব করেছে।

এই গণআন্দোলনগুলোর ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপট থাকলেও, এগুলোর মধ্যে মোটাদাগে তিনটি সাদৃশ্য দেখা যায়।

প্রথমত, সোশ্যাল মিডিয়া তরুণদের জন্য তাদের ব্যক্তিগত অন্যায়ের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার এবং এগুলো থেকে আসন্ন বৃহত্তর সামাজিক-অর্থনৈতিক বৈষম্য, ক্ষমতার অপব্যবহার, এবং নিরাপদ ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তার সম্ভাবনার সঙ্গে মেলানোর সুযোগ করে দেয়। এই ধরনের আলাপচারিতা তাদের মধ্যে সামগ্রিক ক্ষোভ সৃষ্টি করে। সেইসাথে পরিবর্তনের একটা প্রত্যাশাও তাদের মধ্যে তৈরি হয়। সোশ্যাল মিডিয়া বিভিন্ন অপরিচিত ব্যক্তিদের মধ্যে এসব ক্ষোভ আর প্রত্যাশা নিয়ে একত্রিত হবার একটা অভিন্ন জায়গা। এর একটা উদাহরণ হতে পারে নেপালের ঘটনাটা। নেপালে প্রাদেশিক মন্ত্রীর ছেলে সৌগত থাপার ইনস্টাগ্রাম পোস্ট-যেখানে তিনি লাক্সারি ব্র্যান্ডের বক্স দিয়ে তৈরি ক্রিসমাস ট্রির পাশে ছবি তুলেছিলেন, সেটা থেকেই মূলত দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

জেন-জি’র প্রতীকী ছবি
জেন-জি’র প্রতীকী ছবি

নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় দরিদ্রতম দেশ। আফগানিস্তানের পরই এদেশে দারিদ্র্যের মাত্রা গোটা এশিয়ায় সর্বোচ্চ। এই ছবি তুমুলব্যাগে সরকারের বৈষম্য আর অন্যায়ের প্রতীক হয়ে ওঠে। ২০০৮ সালের গৃহযুদ্বের পর দেশটি ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছিল। এই অন্যায় আর সীমাহীন দুর্নীতির কারণে তা আটকে গেছে। ২০২৫ সালে, নেপালের মাথাপিছু জিডিপি দেড় হাজার আমেরিকান ডলারের নিচে রয়েছে, এবং দেশটির ৮২ শতাংশ শ্রমিকই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ করে। পুরো বিশ্বে বা এশিয়াতেও এত বেশি অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিকের নজির আর নেই। এদেশের প্রায় ১৪ শতাংশ জনগণ (৩০ মিলিয়নের মধ্যে) বিদেশে কাজ করে, এবং প্রতি তিনটি পরিবারের একটি রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভরশীল।

২০২৫ সালের নেপাল কান্ট্রি ই্নইকুয়ালিটি রিপোর্টে সামাজিক অসমতার মূল কারণ হিসেবে বর্ণ, শ্রেণি, জাতি, লিঙ্গ ও ধর্মভিত্তিক কাঠামোগত বৈষম্য উল্লেখ করা হয়েছে। এমন সময়ে, সরকারে থাকা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সন্তানেরা সামাজিক মাধ্যমে তাদের বিলাসী জীবনের প্রদর্শন করলে স্বভাবতই তা তরুণ সমাজের ক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। এই পোস্টগুলোকে ঘিরে প্রতিবাদকারীরা তাদের অসন্তোষ ও দাবি প্রকাশ জানাতে শুরু করে।

দ্বিতীয়ত, সোশ্যাল মিডিয়া তরুণদের জন্য একটি কার্যকর মাধ্যম, যেখানে তারা দেশীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে কৌশলগত জ্ঞান বিনিময় করতে পারে এবং নতুন কৌশল শিখতে পারে। #MilkTeaAlliance (মিল্ক টি এলায়েন্স) একটা প্রাসঙ্গিক উদাহরণ। এটি একটি গণতন্ত্রপন্থী অনলাইন নেটওয়ার্ক। ২০১৯ সালে হংকং প্রতিবাদের সময় গঠিত হয় এবং ২০২০ সালে থাইল্যান্ডের যুব নেতৃত্বাধীন আন্দোলনে আরও শক্তিশালী হয়।

২০২১ সালের মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থানের পর এই জোট আরও সম্প্রসারিত হয়ে একটি স্থায়ী কাঠামোতে পরিণত হয়। বর্তমানে এটি এশিয়ার বিভিন্ন দেশের তরুণদের জন্য অনলাইন ও অফলাইনে একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশের তরুণেরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে তাদের আইডিয়া শেয়ার করে। উদাহরণস্বরূপ, থাইল্যান্ডের প্রতিবাদকারীরা ‘বি ওয়াটার’ কৌশল গ্রহণ করেছে, যা মূলত হংকং আন্দোলনকারীদের দ্বারা ব্যবহৃত এবং ব্রুস লির অভিযোজনযোগ্যতা ও নমনীয়তার দর্শন থেকে অনুপ্রাণিত। এই কৌশলে, তারা তাদের আন্দোলন বা প্রতিবাদের জন্য একটা স্থান ঘোষণা করে ঠিকই, কিন্তু ঠিক আগ মুহূর্তে সেটা আবার পরিবর্তন করে ফেলে যাতে পুলিশি নজরদারি এড়ানো এবং গ্রেফতার থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হয়।

তৃতীয়ত, অনলাইনে বিক্ষোভ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বৈরশাসকেরা প্রায়ই ইন্টারনেট বন্ধ করে, সাংবাদিকদেরকে নানান কায়দায় দমন-পীড়ন চালানোর চেষ্টা করে। এই সহিংসতা আরও বেশি মানুষকে সরকারবিরোধী প্রতিবাদে যুক্ত করে। এই পরিস্থিতি দেখা গেছে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া ও নেপালে।

বাংলাদেশে ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ইন্টারনেট বন্ধ করে, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট ব্যবহার করে বিরোধীদের গ্রেপ্তার করে এবং ছাত্র আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালায়। এতে করে প্রায় ১৪০০ মানুষ নিহত হন। আবু সাঈদ নামে এক আন্দোলনকারী ছাত্রকে গুলি করে হত্যা করার ছবি বেশিরভাগ মধ্যবিত্তদেরকে সরকারের বিরুদ্বে নামতে উদ্বুদ্ধ করে।

তবে সামাজিক মাধ্যমে সংগঠিত আন্দোলন বুমেরাং হতে পারে। যেহেতু সামাজিক মাধ্যম মানুষকে সহজেই একে অন্যের সাথে যুক্ত হতে সাহায্য করে এবং আন্দোলন দ্রুত ছড়িয়ে দেয়, তাই এই আন্দোলনগুলো শক্তিশালী হয়। কিন্তু একই সঙ্গে এটি আন্দোলনকারীদের জন্য ঝুঁকিও তৈরি করে।

উদাহরণস্বরূপ, জেন জি বিক্ষোভকারীরা প্রায়শই তাদের আন্দোলনকে নেতৃত্বহীন বলে দাবি করে। কারণ মানুষ সাধারণত সামাজিক মাধ্যম থেকেই সামগ্রিকভাবে আন্দোলনে যোগ দেয় । যেহেতু কোন একক নেতা থাকে না তাই প্রত্যেকের মধ্যেই নমনীয়তা এবং দায়িত্ববোধ থাকে। কিন্তু এর ফলে আন্দোলনের স্থায়ী সংগঠন বা সুস্পষ্ট চেইন অব কমান্ড থাকে না। আর এতে করে ভাঙচুর বা উগ্রতা এড়ানো সম্ভব হয়না। এই অবস্থা দেখা গেছে বাংলাদেশ এবং নেপালে। বাংলাদেশে, বিক্ষোভ শেষ হওয়ার অনেক পরে পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নেতা ও সমর্থকদের ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছে।

অনলাইন আন্দোলনের আরেকটি সমস্যা হলো কিছু মানুষের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে তুলে দেয় যা আন্দোলনের মধ্যে একটা স্বার্থের দ্বন্দ্ব তৈরি করে। এর একটি বড় উদাহরণ থাইল্যান্ডের ২০২০ সালের আন্দোলন। এই আন্দোলনে কিছু তরুণ অতিরিক্ত খ্যাতি পেয়ে গেলে তা আবার অন্যান্য কিছু আন্দোলনকারীদের চক্ষুশূল হয়ে ওঠে।

পরিশেষে বলা যায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর অতি নির্ভরতা আন্দোলনের ওপর ডিজিটাল দমন-পীড়নের ঝুঁকি বাড়ায়। আরব স্প্রিংয়ের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে বিভিন্ন দেশের সরকার তাদের সম্পদ এবং আমলাতন্ত্র কাজে লাগিয়ে এআইচালিত নজরদারি, জটিল সেন্সরশিপ কৌশল, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রভাব চালানো এবং অনলাইন সক্রিয়তাকে অপরাধ হিসেবে দণ্ডিত করার মতো আইনি ব্যবস্থা প্রয়োগ করছে। এই বিষয়গুলো আন্দোলনকারীদেরকে মানসিক, আইনি ও সামাজিক চাপের মুখে ফেলে, যার ফলে অনেকেই অবশেষে আন্দোলন থেকে সরে যায়।

এসব চ্যালেঞ্জ স্থায়ী গণতন্ত্র বা সামাজিক পরিবর্তন আনতে বাধা দেয়। যেখানে ১৯৮০ এর শেষ এবং ১৯৯০ এর দশকে এমন গণ আন্দোলন ৬৫ শতাংশ ক্ষেত্রে তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে সফল হয়েছিল, অপরদিকে ২০১০ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে সফলতা মাত্র ৩৪ শতাংশ।

জেন জ ‘র প্রতীকী ছবি
জেন জ ‘র প্রতীকী ছবি

বড় আন্দোলনের মাধ্যমে যদি বা কিছু পরিবর্তন আসে তা আবার দীর্ঘস্থায়ী হয় না। কিছুক্ষেত্রে এসব আন্দোলনের ফলাফল হয় উল্টো। আন্দোলনকারী পক্ষগুলোর মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্বে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, যেমন- সিরিয়া, মায়ানমার ও ইয়েমেন। আবার মিশর, তিউনিসিয়া ও সার্বিয়ায় বিগত স্বৈরাচারী শাসকেরা ফেরত এসেছে, কারণ আন্দোলন পরবর্তী সংস্কারের মাধ্যমে পূর্ববর্তী ব্যবস্থাকে ঠিক করা যায়নি।

অনলাইনে সংগঠিত হওয়া আন্দোলনের সীমাবদ্বতা আপাতদৃষ্টিতে চোখে পড়ে না। ফলে কেউ ভাবতে পারে না যে এভাবে ইতিবাচক পরিবর্তন অসম্ভব। তবে সামাজিক মাধ্যম তরুণদের মতামত, রাগ-ক্ষোভ প্রকাশ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে এক ছাতার নিচে নিয়ে আসে। আবার, এক দেশের আন্দোলন অনলাইনে শেয়ার হলে অন্য দেশেও অনুপ্রেরণা জোগায়। উদাহরণস্বরূপ, ইন্দোনেশিয়া ও নেপালে বড় আন্দোলনের পরে এখন ফিলিপাইনে ব্যাপক দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভ দেখা যাচ্ছে।

গত দশক থেকে একটা শিক্ষা আমাদেরকে নিতে হবে। সেটা হচ্ছে শুধুমাত্র অনলাইনে আন্দোলন আসলে দীর্ঘমেয়াদে ফল্প্রসূ হয় না। এজন্য অনলাইন এবং রাজপথ, এই দুই উপায়েই আন্দোলন জারি রাখতে হবে। অর্থাৎ, অনলাইন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে প্রচলিত প্রতিবাদ পদ্ধতিও (যেমন: ধর্মঘট, র‍্যালি) যুক্ত করা উচিত। একইভাবে, নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক দল, প্রতিষ্ঠানগত সংস্থা এবং অনলাইন আন্দোলনের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করতে বৃহত্তর জোট তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ।

এ ধরনের কৌশল ফলপ্রসূ হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, শ্রীলঙ্কায় প্রগতিশীল জোট সমাগী জনা বালাওয়েগায়া ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয় এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় ২০২৪ সালে হতে যাওয়া মার্শাল আইন জারি করতে বাধা দেওয়া হয়।

বর্তমান পরিস্থিতি নিরিখে এই ঘটনাগুলো আসলেই আশাব্যঞ্জক। তবে একই সঙ্গে এ কথাও প্রযোজ্য যে টেকসই পরিবর্তন শুধুমাত্র সাময়িক আন্দোলনের মাধ্যমে সম্ভব নয়। এরজন্য প্রয়োজন স্বৈরাচারের উথানের বিরুদ্ধে সবসময় আওয়াজ জারি রাখা এবং সেইসাথে সমাজের অবিচার, বৈষম্য এবং দায়মুক্তির সংস্কৃতিকে গণতান্ত্রিক এবং সস্মিলিত উপায়ে প্রতিহত করা।

** কার্নেগি এনডাওমেন্ট ফর ডেমোক্রেসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত লেখা অনুবাদ করে প্রকাশ করা হলো। **

জানজিরা সোমবাতপুনসিরি জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত জার্মান ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল অ্যান্ড এরিয়া স্টাডিজ-এর রিসার্চ ফেলো এবং থাইল্যান্ডের চুলালংকর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক।

সম্পর্কিত