Advertisement Banner

প্রতিদ্বন্দ্বিতার যুগে ইন্টারনেটের ভবিষ্যৎ

এ এইচ এম. বজলুর রহমান
এ এইচ এম. বজলুর রহমান
প্রতিদ্বন্দ্বিতার যুগে ইন্টারনেটের ভবিষ্যৎ
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

একসময় ইন্টারনেটকে দেখা হতো অগ্রগতির প্রায় অনিবার্য বাহন হিসেবে। মনে করা হতো, প্রযুক্তি যত ছড়াবে, তথ্যপ্রবাহ তত উন্মুক্ত হবে; সংযোগ যত বাড়বে, বিশ্ব তত সহযোগিতামূলক হবে; ডিজিটাল যোগাযোগ যত সহজ হবে, সমাজ তত গণতান্ত্রিক হবে। এই ধারণার ভেতরে আশাবাদ ছিল, কিন্তু বাস্তবতার তুলনায় সরলতাও ছিল। কারণ ইন্টারনেট কখনোই শুধু প্রযুক্তি ছিল না। এটি শুরু থেকেই ক্ষমতা, নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশাধিকার, বাজার, নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্র।

আজ, ২০২৬ সালে এসে সেই সত্য আর আড়ালে নেই। ইন্টারনেট এখন শুধু যোগাযোগের অবকাঠামো নয়; এটি ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্র, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন, অর্থনৈতিক কৌশলের সম্পদ, এবং নাগরিক অধিকারের পরীক্ষাক্ষেত্র। ফলে উন্মুক্ত, বৈশ্বিক ও আন্তঃকার্যক্ষম ইন্টারনেটের পক্ষে কথা বলা আর প্রযুক্তিপ্রেমী কিছু মানুষের রোমান্টিক অবস্থান নয়। এটি এখন উন্নয়ন, উদ্ভাবন, গণতন্ত্র এবং রাষ্ট্রীয় স্থিতিস্থাপকতার প্রশ্ন।

বাংলাদেশের জন্য এই প্রশ্নটি আরও জরুরি। কারণ আমরা এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে একদিকে ডিজিটাল রাষ্ট্র, স্মার্ট সেবা, এআই, ক্লাউড, অনলাইন শিক্ষা, ডিজিটাল বাণিজ্য, মোবাইল ফিন্যান্স এবং ডেটা-নির্ভর প্রশাসনের স্বপ্ন সামনে এগোচ্ছে; অন্যদিকে নিরাপত্তা, নজরদারি, তথ্যপ্রবাহের নিয়ন্ত্রণ, অবকাঠামোগত নির্ভরতা এবং ডিজিটাল সার্বভৌমত্বের ভাষাও সমান গতিতে শক্তিশালী হচ্ছে। এই দুই প্রবণতার সংঘাতই আগামী বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

ইন্টারনেটের শুরুর দর্শন ছিল সরল কিন্তু শক্তিশালী: ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক, ভিন্ন যন্ত্র, ভিন্ন সফটওয়্যার যেন একে অন্যের সঙ্গে কথা বলতে পারে। এই প্রয়োজন থেকেই এসেছে উন্মুক্ত প্রোটোকল, আন্তঃকার্যক্ষমতা, এবং “নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক” ধারণা। অর্থাৎ, অংশগ্রহণের জন্য কোনো একক কেন্দ্রের অনুমতি লাগবে না; সংযোগ হবে বিকেন্দ্রীভূত, সম্প্রসারণযোগ্য এবং তুলনামূলকভাবে উন্মুক্ত। কিন্তু এই প্রযুক্তিগত সাফল্যের ওপর দাঁড়িয়ে একটি বড় রাজনৈতিক ভুল বোঝাবুঝিও জন্ম নেয়। অনেকেই ধরে নেন, প্রযুক্তিগত উন্মুক্ততা যেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাজনৈতিক উন্মুক্ততার নিশ্চয়তা দেয়। বাস্তবে তা হয়নি।

কারণ রাষ্ট্র কখনোই অদৃশ্য হয়ে যায়নি, বাজারও নিরপেক্ষ ছিল না। সরকার সবসময়ই টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো, লাইসেন্স, আইন ও নীতির মাধ্যমে ডিজিটাল পরিসর নিয়ন্ত্রণ করেছে। প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোও নিজেদের প্ল্যাটফর্ম, মানদণ্ড, অ্যালগরিদম ও ইকোসিস্টেমের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে আবদ্ধ করার চেষ্টা করেছে। অর্থাৎ, ইন্টারনেটের ওপর লড়াই বরাবরই ছিল, শুধু তা একসময় কম দৃশ্যমান ছিল। এখন সেই লড়াই প্রকাশ্য।

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা আমাদের এই বাস্তবতা খুব কড়াভাবে শিখিয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে দেশজুড়ে ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা ছিল শুধু একটি রাজনৈতিক ঘটনার প্রতিক্রিয়া নয়; এটি ছিল ডিজিটাল নির্ভরতার যুগে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের গভীর অভিঘাতের উদাহরণ। তখন আমরা দেখেছি, ইন্টারনেট বন্ধ মানে কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রবেশ বন্ধ হওয়া নয়। এর অর্থ ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যাঘাত, সংবাদপ্রবাহের সংকট, প্রবাসী পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া, অনলাইন সেবা থেমে যাওয়া, জরুরি তথ্যপ্রবাহ থমকে যাওয়া, এমনকি নাগরিক আস্থারও বড় ধরনের ক্ষয়। এই অভিজ্ঞতা আমাদের একটি স্পষ্ট শিক্ষা দিয়েছে: ইন্টারনেট এখন আর বিলাসী প্রযুক্তি নয়, এটি নাগরিক অবকাঠামো।

এখানেই বাংলাদেশের সামনে মূল প্রশ্নটি উঠে আসে: আমরা ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব বলতে কী বুঝি? রাষ্ট্রের হাতে আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ, নাকি এমন সক্ষমতা যাতে দেশ নিজের নিরাপত্তা ও নীতিগত স্বার্থ রক্ষা করেও বৈশ্বিক ইন্টারনেটের সঙ্গে খোলা, কার্যকর ও বিশ্বস্তভাবে যুক্ত থাকতে পারে? এই দুইয়ের পার্থক্যই আজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ সার্বভৌমত্ব যদি কেবল বন্ধ করার ক্ষমতা, ফিল্টার করার ক্ষমতা, বা কেন্দ্রীভূত তদারকির ক্ষমতায় সীমাবদ্ধ হয়, তবে তা শেষ পর্যন্ত স্থিতিশীলতা নয়, বরং ভঙ্গুরতা তৈরি করবে। যে রাষ্ট্র খুব সহজে সংযোগ কেটে ফেলতে পারে, সে হয়তো তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ দেখাতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে নিজের অর্থনীতি, উদ্ভাবন, নাগরিক আস্থা এবং আন্তর্জাতিক বিশ্বাসযোগ্যতাকেই দুর্বল করে। বিপরীতে, সার্বভৌমত্ব যদি বোঝায় নিজস্ব অবকাঠামোগত সক্ষমতা, দক্ষ জনবল, বিকল্প সংযোগপথ, স্বচ্ছ ডেটা-শাসন, নিরাপদ কিন্তু খোলা মানদণ্ড, এবং বহুপক্ষীয় নীতিনির্ধারণ, তবে সেটি উন্মুক্ত ইন্টারনেটের বিরোধী নয়। বরং সেটিই তার শক্ত ভিত্তি।

বাংলাদেশের নীতিনির্ধারণী পরিসরেও এই দ্বৈত বাস্তবতা স্পষ্ট। একদিকে ক্লাউড, সাইবার সুরক্ষা, ডেটা নিয়ন্ত্রণ ও ডিজিটাল শাসনে নিরাপত্তা-কেন্দ্রিক ভাষা জোরদার হচ্ছে। অন্যদিকে ওপেন-সোর্স, সরকারি কোডের স্বচ্ছতা, পুনর্ব্যবহারযোগ্যতা, স্থানীয় উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতার কথাও সামনে আসছে। এই দুই ধারা পরস্পরবিরোধী হতে বাধ্য নয়। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় তখনই, যখন নিরাপত্তার ভাষা উন্মুক্ততার ওপর চেপে বসে, অথবা উন্মুক্ততার নামে রাষ্ট্রীয় সক্ষমতার প্রশ্ন উপেক্ষিত হয়। বাংলাদেশের সামনে কাজ হলো এই দুইয়ের মধ্যে একটি বাস্তববাদী, ভারসাম্যপূর্ণ এবং ন্যায়সঙ্গত পথ তৈরি করা।

এই প্রসঙ্গে “উন্মুক্ত ইন্টারনেট” কথাটিরও নতুন ব্যাখ্যা দরকার। উন্মুক্ততা মানে আইনহীনতা নয়। উন্মুক্ততা মানে এই নয় যে রাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা থাকবে না, বা বাজারের ওপর সব ছেড়ে দিতে হবে। বরং উন্মুক্ততার অর্থ হওয়া উচিত তিনটি বিষয়: বৈষম্যহীন প্রবেশাধিকার, যাতে সংযোগ ক্ষমতার হাতিয়ার না হয়ে সামাজিক সক্ষমতার ভিত্তি হয়; প্রতিযোগিতাযোগ্য ডিজিটাল পরিবেশ, যাতে নতুন উদ্ভাবক, ছোট প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় সক্ষমতা জায়গা পায়; এবং স্বচ্ছ জবাবদিহিমূলক শাসন, যাতে নিরাপত্তার নামে স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ, অদৃশ্য অবরোধ বা অনিরীক্ষিত ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত না হয়।

এখানে সবচেয়ে কম আলোচিত অথচ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আন্তঃকার্যক্ষমতা। বিষয়টি প্রযুক্তিগত মনে হলেও এর গভীর রাজনৈতিক তাৎপর্য আছে। আন্তঃকার্যক্ষমতা মানে শুধু ভিন্ন সফটওয়্যার একে অন্যের সঙ্গে কাজ করতে পারা নয়। এর অর্থ হলো, কোনো একক কোম্পানি, রাষ্ট্র বা প্রযুক্তিগত ইকোসিস্টেম যেন ডিজিটাল অংশগ্রহণের নিয়ম একতরফাভাবে নির্ধারণ করতে না পারে। আন্তঃকার্যক্ষমতা হারিয়ে গেলে বাইরে থেকে নেটওয়ার্ক যুক্ত দেখাতে পারে, কিন্তু বাস্তবে ব্যবহারকারী, প্রতিষ্ঠান বা দেশ নির্ভরশীল ও বন্দি হয়ে পড়ে। সেটিই ডিজিটাল খণ্ডিততার সবচেয়ে সূক্ষ্ম রূপ।

বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য এই ঝুঁকি বড়। কারণ আমাদের ডিজিটাল অগ্রগতি দ্রুত হলেও নীতিগত মানদণ্ড, নিরাপত্তা নিরীক্ষা, সিস্টেমের মধ্যে তথ্যবিনিময়, ভেন্ডর-নির্ভরতা কমানো, ওপেন স্ট্যান্ডার্ড গ্রহণ, এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রযুক্তি রক্ষণাবেক্ষণের সংস্কৃতি এখনও পুরোপুরি সুসংহত নয়। ফলে বড় ঝুঁকি হলো, আমরা ডিজিটাল হতে পারি, কিন্তু স্বাধীন না-ও হতে পারি; আমরা সংযুক্ত হতে পারি, কিন্তু সক্ষম না-ও হতে পারি; আমরা আধুনিক অবকাঠামো বানাতে পারি, কিন্তু তার ভেতরে সিদ্ধান্তের ক্ষমতা অন্য কারও হাতে ছেড়ে দিতে পারি।

এই কারণেই ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার ও উন্মুক্ত মানদণ্ডের প্রশ্ন বাংলাদেশে কেবল কারিগরি সিদ্ধান্ত নয়, কৌশলগত সিদ্ধান্ত। সরকারি অর্থে তৈরি সফটওয়্যার যদি অডিটযোগ্য হয়, যদি তা পুনর্ব্যবহারযোগ্য হয়, যদি স্থানীয়ভাবে উন্নয়ন ও সংশোধন করা যায়, তবে রাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ে, নির্ভরতা কমে, এবং দীর্ঘমেয়াদে ব্যয়ও কমতে পারে। একই সঙ্গে এটি স্থানীয় উদ্ভাবক, বিশ্ববিদ্যালয়, স্টার্টআপ এবং নাগরিক প্রযুক্তি-সম্প্রদায়ের জন্যও সুযোগ তৈরি করে। কিন্তু এখানেও বাস্তববাদ জরুরি। ওপেন-সোর্স কোনো জাদুর সমাধান নয়। এর সাফল্য নির্ভর করে ক্রয়নীতি, দক্ষ জনবল, নিরাপত্তা-পরীক্ষা, রক্ষণাবেক্ষণ, এবং প্রাতিষ্ঠানিক মানসিকতার ওপর। অর্থাৎ, উন্মুক্ততার সফলতা শেষ পর্যন্ত শাসনের মানের ওপরই দাঁড়িয়ে থাকে।

আবার উল্টো দিকটাও মনে রাখা দরকার। উন্মুক্ততার নামে সবকিছু বাজারের হাতে ছেড়ে দিলে তাতেও মুক্তি নেই। কারণ তখন রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের বদলে করপোরেট নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। কয়েকটি বড় প্ল্যাটফর্ম, ক্লাউড কোম্পানি, বা এআই অবকাঠামো-নির্ভর প্রতিষ্ঠান যদি ডিজিটাল জীবনের কেন্দ্র দখল করে নেয়, তবে ব্যবহারকারীর স্বাধীনতা, স্থানীয় উদ্ভাবন, এমনকি রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণের পরিসরও সংকুচিত হয়ে যায়। ফলে আমাদের সামনে আসল প্রশ্ন রাষ্ট্র বনাম বাজার নয়; বরং কী ধরনের নীতিমালা, মানদণ্ড ও প্রতিষ্ঠানগত কাঠামো এমন ভারসাম্য তৈরি করবে, যেখানে নাগরিক, উদ্ভাবক, ছোট ব্যবসা, রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সংযোগের মধ্যে ন্যায্য সম্পর্ক বজায় থাকে।

বাংলাদেশের জন্য তাই এখন প্রয়োজন একটি পরিণত ডিজিটাল দর্শন। এমন এক দর্শন, যা সরল উদারতাবাদে ভাসবে না, আবার নিরাপত্তার নামে বন্ধ সমাজকেও স্বাভাবিক করবে না। আমাদের দরকার খোলা কিন্তু সরল-নয়, সার্বভৌম কিন্তু বিচ্ছিন্ন-নয়, নিয়ন্ত্রিত কিন্তু জবাবদিহিমূলক, এবং নিরাপদ কিন্তু উদ্ভাবনবিরোধী নয় এমন এক ইন্টারনেট-দৃষ্টি।

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

এই দৃষ্টির কেন্দ্রে তিনটি নীতি থাকা জরুরি। প্রথমত, ইন্টারনেটকে মৌলিক নাগরিক অবকাঠামো হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। বিদ্যুৎ বা সড়কের মতোই এটি এখন অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাণিজ্য ও নাগরিক অধিকারের ভিত্তি। দ্বিতীয়ত, ইন্টারনেট শাসনে বহুপক্ষীয়তা দরকার। শুধু সরকার নয়, প্রযুক্তি খাত, একাডেমিয়া, নাগরিক সমাজ, সাংবাদিকতা এবং ব্যবহারকারীর স্বার্থকে নীতিতে জায়গা দিতে হবে। তৃতীয়ত, আন্তঃকার্যক্ষমতা ও উন্মুক্ত মানদণ্ডকে কৌশলগত সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। কারণ এগুলোই ক্ষমতার অস্বচ্ছ কেন্দ্রীভবনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর সুরক্ষা।

শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি কেবল এই নয় যে বাংলাদেশ অনলাইনে আছে কি না। প্রশ্নটি হলো, বাংলাদেশ কেমন ইন্টারনেটে আছে। এমন ইন্টারনেট, যা ভয়ের মুহূর্তে প্রথমেই বন্ধ হয়ে যায়? নাকি এমন ইন্টারনেট, যা চাপের সময়ও আস্থা, সংযোগ, উদ্ভাবন ও অধিকারকে একসঙ্গে ধরে রাখতে পারে?

বাংলাদেশের সামনে আসল নির্বাচন এখানেই। শক্তিশালী ডিজিটাল রাষ্ট্র সেই রাষ্ট্র নয়, যে সহজে সংযোগ বন্ধ করতে পারে। শক্তিশালী ডিজিটাল রাষ্ট্র সেই রাষ্ট্র, যে চাপের মধ্যেও সংযোগ, স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও জবাবদিহির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে। ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমাদের ঠিক এই কঠিন, কিন্তু অপরিহার্য পথটাই বেছে নিতে হবে। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

লেখক: বাংলাদেশ এনজিওস নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশনের (বিএনএনআরসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। বাংলাদেশের জন্য দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর

সম্পর্কিত