Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> ভাবনা

ক্রিকেটে এভাবে জিতে কী লাভ?

নাইর ইকবাল

নাইর ইকবাল

প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০২৫, ১৬: ৫৩
ক্রিকেটে এভাবে জিতে কী লাভ?

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ক্রিকেট যতোটা আলোচনায়, তার চেয়ে অনেক বেশি আলোচনায় মিরপুর স্টেডিয়ামের ‘কালো মাটি’র উইকেট। গ্যালারি থেকে বা টেলিভিশন পর্দায় মিরপুরের উইকেটের দিকে তাকালে মনে হচ্ছে সেটির ওপরে যেন কয়লা লেপে দেওয়া হয়েছে! বাংলাদেশের ক্রিকেট যাঁরা অনেক দিন ধরে অনুসরণ করেন, তাদের কাছে এমন ‘কালো’ পিচের রহস্য মোটামুটি পরিস্কার। উইকেটটা তৈরিই হয়েছে বাড়তি সুবিধা নিতে। কালো রঙের উইকেট থেকে অনিয়মিত বাউন্স কিংবা টার্ন তুলে নেওয়া। এমন উইকেট বানালে সফরকারী দলগুলোর ওপর যে আধিপত্য বিস্তার করা যায়, তা মোটামুটি পরীক্ষিতই। এমন উইকেট বানিয়েই অতীতে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের মতো দলগুলোকে নাকানি–চুবানি খাওয়ানো গেছে। গত কয়েক মাস ধরে ৫০ ওভারের ফরম্যাটে বাংলাদেশ দলের যে অবস্থা, তাতে ওই ধরনের কিছুই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দরকার। নয়তো সরাসরি ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলাটাই যে অনিশ্চিত হয়ে পড়বে!

Advertisement

কিছু দিন আগে বিসিবির সঙ্গে দীর্ঘ দিনের সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটেছে শ্রীলঙ্কান কিউরেটর গামিনী সিলভার। লঙ্কান ভদ্রলোক ‘সুবিধা নেওয়ার’ উইকেট বানাতে ছিলেন সিদ্ধহস্ত। বাংলাদেশের ক্রিকেটের অতীতের অনেক সাফল্যের সঙ্গেই জড়িয়ে আছে লঙ্কান ভদ্রলোকের নাম। আবার বিদেশের মাটিতে ধারাবাহিক ব্যর্থতার জন্যও গামিনী সাহেবের তৈরি করা উইকেটকে দোষারোপ করা হয়। বলা হয় মিরপুরের উইকেটে খেলে খেলে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের অভ্যাস এতটাই খারাপ হয়ে যায়, যে একটু গতিময়, বাউন্স সমৃদ্ধ ভালো উইকেটে খেলতে গেলেই সমস্যায় পড়েন তারা। এই সমস্যা থেকে খেলোয়াড়দের বের করে আনতেই অস্ট্রেলিয়া থেকে টমি হেমিংকে আনা। ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার এই হেমিং পার্থ টাইপের বাউন্সি উইকেট বানিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট বদলে দেবেন, কথাবার্তা এমনই ছিল। তবে কাল ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে হেমিংয়ের তৈরি কালো মাটির উইকেট দেখে সবাই বেশ অবাক।

বিশ্বকাপ খেলা যেখানে শঙ্কায়, তখন সেটি নিশ্চিত করতে বিসিবি যদি এমন উইকেট তৈরি করে, তাতে কারও কিছু বলার নেই। প্রেমে আর যুদ্ধে যেকোনো কৌশলই নেওয়া যায়। কিন্তু দেশের ক্রিকেটের সার্বিক উন্নতি যদি মাথায় থাকে, তাহলে এমন উইকেট, যেটি বিদেশি দলের কাছে মনে হবে, ‘বিরাট রহস্য’, যে উইকেটে বাংলাদেশি স্পিনারদের একেক জনকে মনে হবে শেন ওয়ার্ন, মুশতাক আহমেদ কিংবা সাকলায়ের মুশতাক, তাতে খেলে কী লাভ, সেই আলোচনা থেকেই যায়। মিরপুর স্টেডিয়ামে এমন উইকেটে অতীত দিনে বিদেশি দলগুলোর সঙ্গে বীরত্বগাথার স্মৃতিও ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে আলোচনা উসকে দেয়, এসব জয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটের কী লাভ হয়েছে!

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ঘরের মাঠে দাপট দেখানোর ব্যবস্থা করে ম্যাচ জিতে আসলে আখেরে দেশের ক্রিকেটের কোনো লাভ হয়নি কখনোই। এই মিরপুরেই ২০২১ সালে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে অস্ট্রেলিয়াকে রীতিমতো উড়িয়ে দিয়ে সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু বিশ্বকাপে শিরোপা জিতেছিল সেই অস্ট্রেলিয়া আর দেশের মানুষের চোখে ভ্রান্তি তৈরি করা বাংলাদেশ খেলেছিল যাচ্ছেতাই ক্রিকেট। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষেও হারতে হয়েছিল দলকে। অস্ট্রেলিয়ার পরপরই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও একই ধরনের উইকেটে খেলে এসেছিল সিরিজ জয়। কিন্তু আসল জায়গায় লবডঙ্কা।

কাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাত্র ২০৭ রানে গুটিয়ে গিয়ে ৭৪ রানের বিশাল জয়, অতীতের সেই জয়গুলোকে খুব করে মনে করাচ্ছিল। যতোই বিশ্বকাপ নিয়ে শঙ্কা থাক আর প্রেম ও যুদ্ধের সেই উদাহরণ টানা হোক, যে জয় ‘আয়োজন করে’ পাওয়া, তাতে আনন্দের পরিমাণ কমই থাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাল সকাল থেকেই কালো মাটির উইকেট নিয়ে সমালোচনা, সেটি অতীতের কথা মনে করেই। এতদিন কালো মাটির ওপরই শুকনো বা সবুজ ঘাস রেখে দিয়ে উইকেটে গতি আনার চেষ্টা হয়েছে, কাল সেই চেষ্টাটাও হয়নি।

শনিবার সারা দিন ঢিমে ক্রিকেট দেখল ক্রিকেটপ্রেমীরা। এমনিতেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে আরব আমিরাতে ওয়ানডে সিরিজে ৩–০ ব্যবধানে সিরিজ হেরে এসেছে বাংলাদেশ। খেলাটার প্রতি সাধারণের আগ্রহের গ্রাফ পড়তির দিকে। সাধারণ মানুষ প্রচণ্ড বিরক্ত ক্রিকেটারদের মাঠের পারফরম্যান্সে। এরমধ্যে উইন্ডিজের বিপক্ষে এমন ‘ব্যবস্থা করে’ পাওয়া জয়টা মানুষের মধ্যে স্বস্তির বদলে তৈরি করছে বিরক্তি।

শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা জয়ের নয়—বাংলাদেশ ক্রিকেট কোন পদ্ধতিতে এগিয়ে যাবে, সেটাই আসল। প্রতিপক্ষকে হারানোর শর্টকাট পথ হয়তো সাময়িক স্বস্তি দেয়, কিন্তু দেশের ক্রিকেটকে টেকসই ভিত্তি দেয় না। আজকের ‘কালো মাটি’র উইকেটে জয়ের উল্লাস আগামী দিনের বাস্তবতায় মিশে যাবে হতাশায়, এমন ঘটনা মোটেও নতুন কিছু নয়, বাংলাদেশের ক্রিকেটে।

বিষয়: বাংলাদেশ ক্রিকেটমিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামক্রিকেট
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    রাজশাহীতে নিজ বাড়ি থেকে বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

  • ২

    ‘রবীন্দ্রনাথকে মুছে দেওয়ার চক্রান্ত নতুন কোনো ঘটনা নয়’

  • ৩

    গাইড বইয়ের বিপরীতে একটা নির্মোহ প্রস্তাবনা

  • ৪

    জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ল্যাপটপ নাটোর থেকে উদ্ধার

  • ৫

    থিয়েটার থেকে রাজপথে, ভারতের তরুণদের অসন্তোষের নতুন মুখ জেন-জি আন্দোলনকর্মী নেহা বোরা

সম্পর্কিত
  • গাইড বইয়ের বিপরীতে একটা নির্মোহ প্রস্তাবনা

    গাইড বইয়ের বিপরীতে একটা নির্মোহ প্রস্তাবনা

    বর্তমানে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনের অনেক মাধ্যম চোখে পড়ে। এখন শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে পাঠ্যপুস্তক, গাইড বই, রেফারেন্স বই ও শিক্ষকের পাশাপাশি রয়েছে ইন্টারনেট, জার্নাল, মাল্টিমিডিয়া, ইউটিউবসহ নানা পরিসর। তবে এখন পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সহজলভ্য মাধ্যম হয়ে আছে গাইড বই

  • দিল্লির জেনজি আন্দোলনে টালমাটাল মোদির গদি!

    দিল্লির জেনজি আন্দোলনে টালমাটাল মোদির গদি!

    তরুণদের ক্ষেপিয়ে কোনো দেশের শাসকেরা যে টিকতে পারেন না, সেটা নিকট অতীতে বাংলাদেশ ও নেপাল প্রমাণ করেছে।

  • ভারত: গণ-আন্দোলনের মুখোমুখি এক অনমনীয় রাষ্ট্র

    ভারত: গণ-আন্দোলনের মুখোমুখি এক অনমনীয় রাষ্ট্র

    সরকার ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব এবং নেপাল ও বাংলাদেশে কথিত বিদেশি হস্তক্ষেপের প্রসঙ্গ টেনে এই আন্দোলনকে বিদেশি শক্তির কারসাজি হিসেবে চিহ্নিত করে এর বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করবে। কিন্তু উভয় ক্ষেত্রেই, যারা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইচ্ছুক ছিলেন, তাদের কাছেই জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের গভীরতা স্পষ্ট ছিল।

  • সরকারি কর্মী: বেতন বৃদ্ধি যৌক্তিক ও সময়োচিত

    সরকারি কর্মী: বেতন বৃদ্ধি যৌক্তিক ও সময়োচিত

    দু বছর পর যখন এ বেতন স্কেল পুরো কার্যকর হবে তখন মুদ্রাস্ফীতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে সেটা দেখার বিষয়। এর মাঝে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। বাড়ানো ছাড়া হয়তো উপায়ও ছিল না। তবে এর ফলে বাড়বে সকল ধরনের পরিবহন ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়সহ ভোগ্যপণ্যের দাম।