Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> সুপ্রবাস

কুয়েতে ড্রোন হামলায় আহতদের জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বেচ্ছায় রক্তদান

জাহিদ হোসেন জনি, কুয়েত থেকে

প্রকাশ : ০৬ জুন ২০২৬, ১৮: ৫৯
কুয়েতে ড্রোন হামলায় আহতদের জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বেচ্ছায় রক্তদান

কুয়েত বিমানবন্দরে সাম্প্রতিক ড্রোন হামলায় আহতদের জন্য স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ড্রোন হামলায় আহতদের চিকিৎসার জন্য সেচ্ছাসেবী রক্তদাতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে স্থানীয় নাগরিক ও অন্য দেশের নাগরিকদের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিরা সেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসেন।

গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দেশটির জাবরিয়া সেন্ট্রাল ব্লাড ব্যাংকে রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এ সময় ছুটি নিয়ে কুয়েতের বিভিন্ন অঞ্চল হতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা সেচ্ছায় রক্ত দিতে সেখানে সমবেত হন।

দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন নিজেও দূতাবাসের কর্মকর্তাদের নিয়ে কুয়েতের সেন্ট্রাল ব্লাড ব্যাংকে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বাংলাদেশ কমিউনিটি এবং বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে কুয়েতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিরারা স্বেচ্ছায় রক্ত দিয়ে আহতদের পাশে দাঁড়ান।

বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র কুয়েতের এই সংকটময় সময়ে বাংলাদেশ সবসময় কুয়েতের পাশে রয়েছে। মানবিক সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের অংশ হিসেবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের রক্তদানের মাধ্যমে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশিদের এমন স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

সম্প্রতি কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংঘটিত ড্রোন হামলায় অন্তত ৬৩ জন আহত হন। তাদের মধ্যে ৫ জন বাংলাদেশি রয়েছেন।

বিষয়: কুয়েতবাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতরক্তদান কর্মসূচিআহতড্রোন হামলাবাংলাদেশ দূতাবাসপ্রবাসী বাংলাদেশিপ্রবাসী
সর্বশেষ
  • ১

    যেভাবে ওষুধের দাম বাড়ায় কোম্পানিগুলো

  • ২

    ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের কি কোনো শর্টকাট উপায় আছে?

  • ৩

    ‘ছাত্রশিবিরের প্যানেলকে বলা হয় নারী-বিদ্বেষী’

  • ৪

    রক্ত-মাংসের মানুষকে আস্ত গিলে খাওয়ার এক দেশে!

  • ৫

    কর্মী ভিসায় নতুন নিয়ম আনছে যুক্তরাষ্ট্র, চাকরি হারালেই দেশে ফেরত

সম্পর্কিত
  • জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়

    জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়

    মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • ওআইসির নারীবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দিতে ইসলামাবাদে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

    ওআইসির নারীবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দিতে ইসলামাবাদে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

    বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।

  • ডালাসে হুমায়ূন আহমেদের ‘জ্বীন কফিল’ মঞ্চায়ন, দর্শকদের ব্যাপক সাড়া

    ডালাসে হুমায়ূন আহমেদের ‘জ্বীন কফিল’ মঞ্চায়ন, দর্শকদের ব্যাপক সাড়া

    ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।

  • আঙ্কারায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে পরামর্শমূলক বৈঠক

    আঙ্কারায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে পরামর্শমূলক বৈঠক

    পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।