Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> সুপ্রবাস

তুরস্কে ভিনদেশে পরবর্তী প্রজন্মকে মাতৃভাষা শেখানোর গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা

বিডিজেন ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬: ১৭
তুরস্কে ভিনদেশে পরবর্তী প্রজন্মকে মাতৃভাষা শেখানোর গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে যথাযোগ‌্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ‌্য দিয়ে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশেরর রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হকের নেতৃত্বে দূতাবাসের কর্মকর্তা–কর্মচারীবৃন্দ ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

তুরস্কের বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে সকালে দূতাবাস মিলনায়তনে ভাষা শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন, শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রেরিত বাণী পাঠ করা হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

Turkey 21 February 2

দ্বিতীয় পর্বে সন্ধ্যায় রাষ্ট্রদূত মো: আমানুল হক-এর নেতৃত্বে দূতাবাসের কর্মকর্তা–কর্মচারীবৃন্দ ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে দূতাবাস প্রাঙ্গণে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর দূতাবাসের ‘বিজয় ৭১ মিলনাতয়নে’ রাষ্ট্রদূতের সভাপতিত্বে ‘ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস এবং ভিনদেশে পরবর্তী প্রজন্মকে মাতৃভাষা শেখানোর গুরুত্ব, প্রতিকূলতা ও উত্তরণের উপায়’ বিষয়ক এক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইফতেকুর রহমান ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

Turkey 21 February 3

এরপর রাষ্ট্রদূতের পরিচালনায় আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের ইউরোপ ও মধ্য এশিয়া অঞ্চলের সিনিয়র সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট ড. ফেরদৌস জাহান, আঙ্কারার টেড ইউনিভার্সটির অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম এবং ইস্তাম্বুলের ইলদিজ টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. এ এফ এম শাহেন শাহ্।

আলোচনায় বক্তারা ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, যদিও ভারতবর্ষ ভাগ হয়েছিল ধমের্র ভিত্তিতে তবুও আমাদের ভাষা ছিল আমাদের পরিচয়। বাংলা ভাষা ও ধর্মের সংমিশ্রণে আমাদের জাতিগত পরিচয় এবং তার ফলেই আজকের এই বাংলাদেশ।

Turkey 21 February 4_11zon

তারা বলেন, মাতৃভাষার সাথে আমাদের আবেগের সম্পর্ক আছে। জাতীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ধরে রাখতে মাতৃভাষা সংরক্ষণ জরুরি। মাতৃভাষা নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে একে সংরক্ষণ করার ওপর তারা জোর দেন। মাতৃভাষা সংরক্ষণে রাষ্ট্র ও পরিবারকে এক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা পালন করতে হবে বলে জানান।

বক্তারা আরও বলেন, বাংলা ভাষা চর্চার ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের ভালো দিক যেমন রয়েছে, কিছু খারাপ দিকও রয়েছে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাষার অস্বাাভাবিক সংক্ষেপিত রূপ দেখা যায় এবং বিভিন্ন ভাষার মিশ্রণ দেখা যায়। তবে, বর্তমান সময়ে এআই প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষার প্রসার সম্ভব বলে উল্লেখ করেন।

Turkey 21 February 5

অনুষ্ঠানের তৃতীয় পর্বে আমন্ত্রিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সন্তানদের মঞ্চে ডেকে নিয়ে তাদেরকে বাংলা ভাষার বর্ণ ও শব্দ লিখতে দেওয়া হয়। ভিনদেশে বড় হয়েও তারা বাংলা বর্ণ ও শব্দ লিখতে সক্ষম হয়। বাংলা ভাষায় তাদের নিজস্ব অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে পারায়, রাষ্ট্রদূত ও অন্যরা ভিনদেশে বেড়ে ওঠা এই নতুন প্রজন্মের প্রশংসা এবং অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করেন।

এরপর এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্য সৌভিক দাস ও সৃষ্টি দত্ত গান পরিবেশন এবং মার্জিয়া কবীর ও মোছা সুলতানা শামীমা কবিতা আবৃতি করেন। সবশেষে সকলে সমবেত কন্ঠে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেবুয়ারি..’ গানটি পরিবেশন করেন।

আগত অতিথিদের আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

বিষয়: রাষ্ট্রদূতএকুশে ফেব্রুয়ারিভাষা আন্দোলনভাষাশহিদআঙ্কারাশহিদ দিবসপ্রবাসী বাংলাদেশিবাংলাদেশ দূতাবাসআলোচনাতুরস্কআন্তর্জাতিক-মাতৃভাষা-দিবসপ্রবাসী
সর্বশেষ
  • ১

    ময়মনসিংহে পেট্রোল ঢেলে যুবককে পুড়িয়ে হত্যা

  • ২

    খুলনায় আওয়ামী লীগের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

  • ৩

    বিদ্যুৎ খাতে নেই সুসংবাদ, পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা

  • ৪

    বাব আল-মান্দেবের গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ দখলে নিল হুতিরা

  • ৫

    বরিশালের সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়

    জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়

    মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • ওআইসির নারীবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দিতে ইসলামাবাদে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

    ওআইসির নারীবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দিতে ইসলামাবাদে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

    বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।

  • ডালাসে হুমায়ূন আহমেদের ‘জ্বীন কফিল’ মঞ্চায়ন, দর্শকদের ব্যাপক সাড়া

    ডালাসে হুমায়ূন আহমেদের ‘জ্বীন কফিল’ মঞ্চায়ন, দর্শকদের ব্যাপক সাড়া

    ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।

  • আঙ্কারায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে পরামর্শমূলক বৈঠক

    আঙ্কারায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে পরামর্শমূলক বৈঠক

    পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।