
জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জাপানের রাজধানী টোকিওতে চান্দিনা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটির এবারের আয়োজনটি দ্বিতীয়বারের মতো ।
ইংরেজি নতুন বছর উপলক্ষে ৫ জানুয়ারি (রোববার) টোকিওর কিতা সিটি 'ওজি হোকুতোপিআ' হলে এ মিলনমেলা আয়োজন করা হয়।
কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলাবাসী প্রবাসীদের মিলনমেলায় প্রথমবারের মতো পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হয়।
মিলনমেলায় মধ্যাহ্ন ভোজ পূর্ব আলোচনা সভায় বক্তারা সংগঠন পরিচালনায় একটি পরিচালনা পর্ষদ গঠনে গুরুত্বারোপ করে সংগঠনকে জাপান ও বাংলাদেশে চান্দিনাবাসীর কল্যাণে বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
মিলনমেলায় সর্ব সম্মতিক্রমে প্রকৌশলী কাজী আরিফকে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, মো. কামাল আহম্মেদ মোল্লাকে সাধারণ সম্পাদক ও কে, এম, আমির হোসেনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে এক বছর মেয়াদি ২৭ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
এ ছাড়া, ৭ জনকে উপদেষ্টা হিসেবে এক বছর মেয়াদে নির্বাচিত করা হয়।
কমিটি ঘোষণা করেন উপদেষ্টা খাইরুল কবির শামীম । নির্বাচন পরিচালনা করেন আরিফ হোসেন অর্ক। সংগঠনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন হিগাশিজুজো মসজিদের খতিব মুফতি ইউসুফ আশরাফী।

জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ওআইসির নারীবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দিতে ইসলামাবাদে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।

ডালাসে হুমায়ূন আহমেদের ‘জ্বীন কফিল’ মঞ্চায়ন, দর্শকদের ব্যাপক সাড়া
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।

আঙ্কারায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে পরামর্শমূলক বৈঠক
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।