
জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জাহিদ হোসেন জনি, কুয়েত থেকে

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের ড্রোন হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশি নাগরিকদের খোঁজ নিতে ফারওয়ানিয়া এবং শেখ জাবের আল-আহমদ আল-সাবাহ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন।
গতকাল বুধবার ও আজ বৃহস্পতিবার হাসপাতাল দুটিতে যান তিনি।
গতকাল বুধবার (৩ জুন) ভোরে কুয়েত বিমানবন্দরে ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় ৫ জন বাংলাদেশি নাগরিক আহত হন। তাদের মধ্যে ২ জন গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতাল দুটিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ছাড়া, একজন আহত ব্যক্তি হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। বাকি দুজন ইতিমধ্যে চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন।
পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত আহত বাংলাদেশি কর্মীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তাদের প্রতি বাংলাদেশ সরকারের সহমর্মিতা ও সমর্থনের বার্তা পৌঁছে দেন।
তিনি বলেন, এ কঠিন সময়ে আহত বাংলাদেশিদের যথাযথ চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে যাচ্ছে।

জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ওআইসির নারীবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দিতে ইসলামাবাদে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।

ডালাসে হুমায়ূন আহমেদের ‘জ্বীন কফিল’ মঞ্চায়ন, দর্শকদের ব্যাপক সাড়া
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।

আঙ্কারায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে পরামর্শমূলক বৈঠক
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।