তাসীন মল্লিক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। কিন্তু তার দলের নেতা-কর্মীদের ইচ্ছা, ঢাকা-১৮ আসন থেকে ভোটের লড়াইয়ে নামা বেশি সম্মানজনক। তবে বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদের ভাগ্য নির্ভর করছে বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতার ওপর।
ভোটে অংশ নিতে দুটি আসনের কোনটিতে নির্বাচন করবেন–এমন প্রশ্নের জবাবে মাহমুদুর রহমান মান্না বিএনপির সঙ্গে সমঝোতার বিষয়টিই সামনে আনেন। চরচাকে তিনি বলেন, ‘‘দুটো জায়গাতেই বিএনপির প্রার্থী আছে। যেহেতু একটা সমঝোতার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে আমাদের, আমি চেয়ারপারসনকে (বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান) বলেছি এখন এই পরিস্থিতি।”
বিএনপির সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করেই যে কোনো একটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জানিয়ে মান্না বলেন, “উনি (তারেক রহমান) এখনো কিছু বলেননি। একটু সময় নিয়েছেন। উনি যেরকম বলবেন, সেইটা বিবেচনায় রেখে আমি আমার সিদ্ধান্ত নেবো।”
আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সংগ্রামের পথচলার ঐক্যের স্মারক হিসেবে শরিকদের কিছু আসন ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। সে তালিকায় বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে মাহমুদুর রহমান মান্নার নামও ছিল। এরপর ঋণখেলাপির অভিযোগে একটা সময় ভোটে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয় মান্নার।
খেলাপির তালিকা থেকে নাম বাদ দিতে আদালতের শরণাপন্ন হন মান্না। মনোনয়ন দাখিলের পর ঢাকা-১৮ আসনে মনোনয়নপত্র বৈধ হলেও বগুড়া-২ আসনে (শিবগঞ্জ) তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা। এর মধ্যে বগুড়া-২ আসনে একজন দলীয় প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। পরে গত রোববার নির্বাচন কমিশনের আপিলে এসে প্রার্থিতা ফিরে পান মান্না। ফলে আসন সমঝোতা নিয়ে বিএনপি এবং নাগরিক ঐক্য এখন একটি নতুন সমীকরণে প্রবেশ করল।
নেতা-কর্মীদের পছন্দ ঢাকা-১৮
ভোটের মাঠে নামতে ঢাকার চেয়ে বগুড়ার আসনটিকেই পছন্দের তালিকার শীর্ষে রাখতে চান মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি চরচাকে বলেন, “বগুড়ারটা আমার বাড়ি, ওটার প্রতি দুর্বলতা আছে একটা।'”
নাগরিক ঐক্যের দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির পক্ষে থেকে মাহমুদুর রহমান মান্নাকে ঢাকার যে কোনো একটি আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। মান্না বগুড়া থেকেই ভোট করার ইচ্ছা জানান। তবে এখন দুটি আসনেই মনোনয়ন পত্র বৈধ হওয়ায় দলের নেতা-কর্মীরা ঢাকা-১৮ আসন থেকে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে বেশি সম্মানজনক হবে বলে ভাবছেন।
নাগরিক ঐক্যের যুব সংগঠনের এক শীর্ষ নেতা চরচাকে নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, “আমরা সবাই (নেতা-কর্মী) মান্না ভাইকে ঢাকা-১৮ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়টি বিবেচনা করতে বলেছি। এটি জাতীয় নির্বাচনে আলাদা একটা তাৎপর্য যুক্ত করবে।”
যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সমঝোতার ওপর ভিত্তি করেই নেওয়া হবে বলে জানান মান্না। তিনি বলেন, “সেখানে (বগুড়া-২) আবার এমন একজন প্রার্থী আছেন, তিনি ঘোষণাই দিয়েছেন যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবেন না। তো এটা সলভ হওয়ার আগে, আমি শুধু আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্ত নেবো না।”
মোট প্রার্থী ১০ জন
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটের মাঠে নাগরিক ঐক্যের ১১ প্রার্থির মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি আসনে মাহমুদুর রহমান মান্না প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় নাগরিক ঐক্যের প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দশজন।
মান্না বাদে এবার নাগরিক ঐক্যের প্রতীক কেটলি মার্কায় নির্বাচন করতে যাচ্ছেন রংপুর-৫: মোফাখখারুল ইসলাম নবাব, জামালপুর-৪: মো. কবির হাসান, সিরাজগঞ্জ-১: মো. নাজমুস সাকিব, পাবনা ৪: শাহনাজ রানু, চট্টগ্রাম ৯: স্বপন মজুমদার, চাঁদপুর ২: অধ্যাপক এনামুল হক, কুড়িগ্রাম ২: মেজর (অব.) আব্দুস সালাম, রাজশাহী ২: মোহাম্মদ সামছুল আলম এবং লক্ষ্মীপুর ২: মোহাম্মদ রেজাউল করিম নির্বাচনে অংশ নিবেন।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে বাদ পরার পর ২০১২ সালের ১ জুন নাগরিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মাহমুদুর রহমান মান্না। এরপর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগের বিতর্কিত শাসনামলের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন তিনি। সরকারবিরোধী আন্দোলনে সংগঠন সংক্রান্ত একটি কথোপকথন ফাঁস হলে তাকে ২০১৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তারও করা হয়।
একাধিকবার নিবন্ধনের আবেদন বাতিলের পর ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন নাগরিক ঐক্যকে নিবন্ধন প্রদান করেন। এর আগে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটির ৪ জন প্রার্থী ভোটে অংশ নিয়ে কারচুপির অভিযোগ তা বর্জন করেন। নিবন্ধন না থাকায় ঐ নির্বাচনে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থীরা ভোট করেছিলেন তৎকালীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিভিন্ন দলের প্রতীকে।
এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ১০ প্রার্থী নিয়ে ভোটের লড়াইয়ের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নাগরিক ঐক্যের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাকিব আনোয়ার চরচাকে বলেন, ‘‘আমরা আমাদের সামর্থ্যের বেশিই করার চেষ্টা করব। জয়ের ব্যাপারে আমরা অবশ্যই আশাবাদী।’’
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে রয়েছে গণভোট। যে ভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হলে রাষ্ট্র ব্যবস্থা সংস্কারের অংশ হিসেবে সংসদে গঠিত হবে উচ্চ কক্ষ। দশজন প্রার্থী নিয়ে নাগরিক ঐক্য উচ্চ কক্ষের লড়াইয়ে কতটুকু সুবিধা করতে পারবে–এমন প্রশ্নের জবাবে মাহমুদুর রহমান মান্না চরচাকে বলেন, “এটার কোনো থ্রেশহোল্ড তো করা হয়নি। কাজেই হিসাব করতে পারব না–এত পারসেন্টেজ ভোট পেতেই হবে। যেহেতু করা হয় নাই, তাই এগুলো নিয়ে এখন কিছু বলতে পারব না।”

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। কিন্তু তার দলের নেতা-কর্মীদের ইচ্ছা, ঢাকা-১৮ আসন থেকে ভোটের লড়াইয়ে নামা বেশি সম্মানজনক। তবে বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদের ভাগ্য নির্ভর করছে বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতার ওপর।
ভোটে অংশ নিতে দুটি আসনের কোনটিতে নির্বাচন করবেন–এমন প্রশ্নের জবাবে মাহমুদুর রহমান মান্না বিএনপির সঙ্গে সমঝোতার বিষয়টিই সামনে আনেন। চরচাকে তিনি বলেন, ‘‘দুটো জায়গাতেই বিএনপির প্রার্থী আছে। যেহেতু একটা সমঝোতার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে আমাদের, আমি চেয়ারপারসনকে (বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান) বলেছি এখন এই পরিস্থিতি।”
বিএনপির সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করেই যে কোনো একটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জানিয়ে মান্না বলেন, “উনি (তারেক রহমান) এখনো কিছু বলেননি। একটু সময় নিয়েছেন। উনি যেরকম বলবেন, সেইটা বিবেচনায় রেখে আমি আমার সিদ্ধান্ত নেবো।”
আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সংগ্রামের পথচলার ঐক্যের স্মারক হিসেবে শরিকদের কিছু আসন ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। সে তালিকায় বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে মাহমুদুর রহমান মান্নার নামও ছিল। এরপর ঋণখেলাপির অভিযোগে একটা সময় ভোটে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয় মান্নার।
খেলাপির তালিকা থেকে নাম বাদ দিতে আদালতের শরণাপন্ন হন মান্না। মনোনয়ন দাখিলের পর ঢাকা-১৮ আসনে মনোনয়নপত্র বৈধ হলেও বগুড়া-২ আসনে (শিবগঞ্জ) তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা। এর মধ্যে বগুড়া-২ আসনে একজন দলীয় প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। পরে গত রোববার নির্বাচন কমিশনের আপিলে এসে প্রার্থিতা ফিরে পান মান্না। ফলে আসন সমঝোতা নিয়ে বিএনপি এবং নাগরিক ঐক্য এখন একটি নতুন সমীকরণে প্রবেশ করল।
নেতা-কর্মীদের পছন্দ ঢাকা-১৮
ভোটের মাঠে নামতে ঢাকার চেয়ে বগুড়ার আসনটিকেই পছন্দের তালিকার শীর্ষে রাখতে চান মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি চরচাকে বলেন, “বগুড়ারটা আমার বাড়ি, ওটার প্রতি দুর্বলতা আছে একটা।'”
নাগরিক ঐক্যের দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির পক্ষে থেকে মাহমুদুর রহমান মান্নাকে ঢাকার যে কোনো একটি আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। মান্না বগুড়া থেকেই ভোট করার ইচ্ছা জানান। তবে এখন দুটি আসনেই মনোনয়ন পত্র বৈধ হওয়ায় দলের নেতা-কর্মীরা ঢাকা-১৮ আসন থেকে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে বেশি সম্মানজনক হবে বলে ভাবছেন।
নাগরিক ঐক্যের যুব সংগঠনের এক শীর্ষ নেতা চরচাকে নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, “আমরা সবাই (নেতা-কর্মী) মান্না ভাইকে ঢাকা-১৮ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়টি বিবেচনা করতে বলেছি। এটি জাতীয় নির্বাচনে আলাদা একটা তাৎপর্য যুক্ত করবে।”
যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সমঝোতার ওপর ভিত্তি করেই নেওয়া হবে বলে জানান মান্না। তিনি বলেন, “সেখানে (বগুড়া-২) আবার এমন একজন প্রার্থী আছেন, তিনি ঘোষণাই দিয়েছেন যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবেন না। তো এটা সলভ হওয়ার আগে, আমি শুধু আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্ত নেবো না।”
মোট প্রার্থী ১০ জন
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটের মাঠে নাগরিক ঐক্যের ১১ প্রার্থির মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি আসনে মাহমুদুর রহমান মান্না প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় নাগরিক ঐক্যের প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দশজন।
মান্না বাদে এবার নাগরিক ঐক্যের প্রতীক কেটলি মার্কায় নির্বাচন করতে যাচ্ছেন রংপুর-৫: মোফাখখারুল ইসলাম নবাব, জামালপুর-৪: মো. কবির হাসান, সিরাজগঞ্জ-১: মো. নাজমুস সাকিব, পাবনা ৪: শাহনাজ রানু, চট্টগ্রাম ৯: স্বপন মজুমদার, চাঁদপুর ২: অধ্যাপক এনামুল হক, কুড়িগ্রাম ২: মেজর (অব.) আব্দুস সালাম, রাজশাহী ২: মোহাম্মদ সামছুল আলম এবং লক্ষ্মীপুর ২: মোহাম্মদ রেজাউল করিম নির্বাচনে অংশ নিবেন।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে বাদ পরার পর ২০১২ সালের ১ জুন নাগরিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মাহমুদুর রহমান মান্না। এরপর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগের বিতর্কিত শাসনামলের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন তিনি। সরকারবিরোধী আন্দোলনে সংগঠন সংক্রান্ত একটি কথোপকথন ফাঁস হলে তাকে ২০১৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তারও করা হয়।
একাধিকবার নিবন্ধনের আবেদন বাতিলের পর ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন নাগরিক ঐক্যকে নিবন্ধন প্রদান করেন। এর আগে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটির ৪ জন প্রার্থী ভোটে অংশ নিয়ে কারচুপির অভিযোগ তা বর্জন করেন। নিবন্ধন না থাকায় ঐ নির্বাচনে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থীরা ভোট করেছিলেন তৎকালীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিভিন্ন দলের প্রতীকে।
এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ১০ প্রার্থী নিয়ে ভোটের লড়াইয়ের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নাগরিক ঐক্যের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাকিব আনোয়ার চরচাকে বলেন, ‘‘আমরা আমাদের সামর্থ্যের বেশিই করার চেষ্টা করব। জয়ের ব্যাপারে আমরা অবশ্যই আশাবাদী।’’
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে রয়েছে গণভোট। যে ভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হলে রাষ্ট্র ব্যবস্থা সংস্কারের অংশ হিসেবে সংসদে গঠিত হবে উচ্চ কক্ষ। দশজন প্রার্থী নিয়ে নাগরিক ঐক্য উচ্চ কক্ষের লড়াইয়ে কতটুকু সুবিধা করতে পারবে–এমন প্রশ্নের জবাবে মাহমুদুর রহমান মান্না চরচাকে বলেন, “এটার কোনো থ্রেশহোল্ড তো করা হয়নি। কাজেই হিসাব করতে পারব না–এত পারসেন্টেজ ভোট পেতেই হবে। যেহেতু করা হয় নাই, তাই এগুলো নিয়ে এখন কিছু বলতে পারব না।”