তাসীন মল্লিক

অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই দিনে সংবিধান সংশোধনে গণভোট আয়োজন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন আয়োজনের কর্মপরিকল্পনার বেশির ভাগই সম্পন্ন, অপেক্ষা তফসিল ঘোষণার। গণভোট আয়োজনে একটি আইন প্রণয়নের অপেক্ষায় রয়েছে সংস্থাটি।
নির্বাচন আয়োজনে হাতে নেওয়া ২৪ দফা কর্মপরিকল্পনার অধিকাংশই সম্পন্ন করেছে ইসি। ভোট আয়োজনের চূড়ান্ত পদক্ষেপ তফসিল ঘোষণার তারিখও চলতি সপ্তাহেই জনসম্মুখে আনবে সংস্থাটি।
সংবিধান সংশোধনে গণভোট আয়োজনে অন্তর্বর্তী সরকারের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা ইসিতে পৌঁছেছে বৃহস্পতিবার। এ লক্ষ্যে প্রণীত একটি পৃথক আইনের খসড়াও প্রস্তুত বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ চরচাকে বলেন, “ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করবে কমিশন। সেটা আমরা আগে একটু ধারণা দেব, তবে আজকে না। দু–এক দিনের মধ্যে কবে তফসিল ঘোষণা হবে এমন একটি তারিখ আমরা জানাব।”
গণভোট আয়োজনের আগে এ–সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করতে হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “ইসিকে একটা আইনের মাধ্যমে এমপাওয়ার্ড করা টু কনডাক্ট দ্য রেফারেন্ডাম। আনলেস হাউ মে আই কন্ডাক্ট দ্য রেফারেন্ডাম। এটার একটা আইন করা উচিত বলে মনে করি।”
সংসদ ভোটের প্রস্তুতি কতটুকু, তফসিল কবে?
সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ভোটার তালিকা প্রণয়ন, নির্বাচনী আইন-বিধি সংস্কার, নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধন, প্রশিক্ষণ ও অশীজনদের সঙ্গে সংলাপের মতো প্রধান কাজগুলো সম্পন্ন করেছে ইসি। ভোট আয়োজনে নির্বাচনী সরঞ্জাম সংগ্রহ, ভোট কেন্দ্র ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, প্রশাসনিক ব্যবস্থা, বাজেট ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক কার্যক্রমও প্রায় শেষের পথে। সংসদীয় সীমানা নির্ধারণের বিষয়টি আদালতের রায়ের অপেক্ষায়। আর অংশিক বাস্তাবায়ন হয়েছে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধনের কার্যক্রম।
অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রোজার আগে সংসদ নির্বাচন আয়োজনে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফিসল ঘোষণার বিষয়টি আগেই জানিয়েছিল ইসি। চলতি সপ্তাহেই তফসিল ঘোষণার সম্ভাব্য তারিখ জানানো হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেন, “তফসিল ঘোষণার দুই থেকে সাতদিন আগে আমরা ধারণা দিতে পারি যে, কবে তফসিল ঘোষণা হবে।”
ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফসিল ঘোষণার তারিখ নিয়ে গত বৃহস্পতিবার সভা করেছে ইসি। সভায় তফসিলের তারিখ নিয়ে আলাপে ডিসেম্বর ৩ থেকে ৮ তারিখের মধ্যে যেকোনো একটি দিনকে বেছে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন এক কর্মকর্তা।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইসির চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী মোট ভোটার প্রায় পৌনে ১৩ কোটি। ৩০০ আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হলেও বাগেরহাট জেলার অন্তর্গত আসনে রিট হওয়ায় সেগুলোর নিষ্পত্তি চলছে। ইসি এবার ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করেছে। নির্বাচন–সংক্রান্ত কেনাকাটা প্রায় শেষ। এখন প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ চলছে। তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন কর্মকর্তাদের তালিকা চূড়ান্ত করে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে ইসি সংশ্লিষ্ট বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। তফসিলের পর আরও বৈঠক হবে। সরকারও ভোটকালীন নিরাপত্তা প্রস্তুতি শুরু করেছে।
একদিনে দুই ভোটের প্রস্তুতি কতটুকু?
গণভোট আইন প্রণয়ন প্রায় চূড়ান্ত বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। নির্বাচন কমিশনার রহমানেল মাছউদও জানিয়েছেন, যত দ্রুত সম্ভব, এই আইন সরকার করতে যাচ্ছে।
নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে হলে ভোটকেন্দ্রের কাজ দ্বিগুণ হয়ে যাবে। এ জন্য বুথের সংখ্যা বাড়ানো ও প্রয়োজন হলে ভোটগ্রহণের সময়ও বাড়ানোর ভাবনা রয়েছে ইসির।
কমিশনার মাছউদ বলেন, “আইন হয়ে গেলে আমরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই গণভোট করব। গণভোট একই দিনে হবে, একই প্রিজাইডিং অফিসারের অধীনে হবে। হয়তো বুথের সংখ্যা বাড়িয়ে দিতে পারি। যদি সম্ভব হয় ভোটগ্রহণের সময়টা বাড়ানো হতে পারে, যাতে ভোটাররা গণভোট দিতে আরেকটু সময় পান।”
ইসির কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, গণভোটের জন্য আলাদা করে ভোটগ্রহণ সামগ্রীর প্রয়োজন পড়বে না। গত মাসে সংসদ নির্বাচন ছাড়াও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে ভোটগ্রহণ সামগ্রী সংগ্রহ করা হয়েছিল, যা গণভোটে ব্যবহার করা যাবে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রতি ৫০০ জন নারী ও ৬০০ জন পুরুষের জন্য একটি কক্ষ বিবেচনায় ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। সময়সীমার মধ্যে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষ স্থাপন ও ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আসবে বলে জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি নতুন কক্ষ যুক্ত হলে অতিরিক্ত স্বচ্ছ ব্যালট বক্সও যুক্ত করতে হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই দিনে সংবিধান সংশোধনে গণভোট আয়োজন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন আয়োজনের কর্মপরিকল্পনার বেশির ভাগই সম্পন্ন, অপেক্ষা তফসিল ঘোষণার। গণভোট আয়োজনে একটি আইন প্রণয়নের অপেক্ষায় রয়েছে সংস্থাটি।
নির্বাচন আয়োজনে হাতে নেওয়া ২৪ দফা কর্মপরিকল্পনার অধিকাংশই সম্পন্ন করেছে ইসি। ভোট আয়োজনের চূড়ান্ত পদক্ষেপ তফসিল ঘোষণার তারিখও চলতি সপ্তাহেই জনসম্মুখে আনবে সংস্থাটি।
সংবিধান সংশোধনে গণভোট আয়োজনে অন্তর্বর্তী সরকারের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা ইসিতে পৌঁছেছে বৃহস্পতিবার। এ লক্ষ্যে প্রণীত একটি পৃথক আইনের খসড়াও প্রস্তুত বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ চরচাকে বলেন, “ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করবে কমিশন। সেটা আমরা আগে একটু ধারণা দেব, তবে আজকে না। দু–এক দিনের মধ্যে কবে তফসিল ঘোষণা হবে এমন একটি তারিখ আমরা জানাব।”
গণভোট আয়োজনের আগে এ–সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করতে হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “ইসিকে একটা আইনের মাধ্যমে এমপাওয়ার্ড করা টু কনডাক্ট দ্য রেফারেন্ডাম। আনলেস হাউ মে আই কন্ডাক্ট দ্য রেফারেন্ডাম। এটার একটা আইন করা উচিত বলে মনে করি।”
সংসদ ভোটের প্রস্তুতি কতটুকু, তফসিল কবে?
সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ভোটার তালিকা প্রণয়ন, নির্বাচনী আইন-বিধি সংস্কার, নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধন, প্রশিক্ষণ ও অশীজনদের সঙ্গে সংলাপের মতো প্রধান কাজগুলো সম্পন্ন করেছে ইসি। ভোট আয়োজনে নির্বাচনী সরঞ্জাম সংগ্রহ, ভোট কেন্দ্র ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, প্রশাসনিক ব্যবস্থা, বাজেট ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক কার্যক্রমও প্রায় শেষের পথে। সংসদীয় সীমানা নির্ধারণের বিষয়টি আদালতের রায়ের অপেক্ষায়। আর অংশিক বাস্তাবায়ন হয়েছে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধনের কার্যক্রম।
অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রোজার আগে সংসদ নির্বাচন আয়োজনে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফিসল ঘোষণার বিষয়টি আগেই জানিয়েছিল ইসি। চলতি সপ্তাহেই তফসিল ঘোষণার সম্ভাব্য তারিখ জানানো হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেন, “তফসিল ঘোষণার দুই থেকে সাতদিন আগে আমরা ধারণা দিতে পারি যে, কবে তফসিল ঘোষণা হবে।”
ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফসিল ঘোষণার তারিখ নিয়ে গত বৃহস্পতিবার সভা করেছে ইসি। সভায় তফসিলের তারিখ নিয়ে আলাপে ডিসেম্বর ৩ থেকে ৮ তারিখের মধ্যে যেকোনো একটি দিনকে বেছে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন এক কর্মকর্তা।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইসির চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী মোট ভোটার প্রায় পৌনে ১৩ কোটি। ৩০০ আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হলেও বাগেরহাট জেলার অন্তর্গত আসনে রিট হওয়ায় সেগুলোর নিষ্পত্তি চলছে। ইসি এবার ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করেছে। নির্বাচন–সংক্রান্ত কেনাকাটা প্রায় শেষ। এখন প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ চলছে। তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন কর্মকর্তাদের তালিকা চূড়ান্ত করে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে ইসি সংশ্লিষ্ট বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। তফসিলের পর আরও বৈঠক হবে। সরকারও ভোটকালীন নিরাপত্তা প্রস্তুতি শুরু করেছে।
একদিনে দুই ভোটের প্রস্তুতি কতটুকু?
গণভোট আইন প্রণয়ন প্রায় চূড়ান্ত বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। নির্বাচন কমিশনার রহমানেল মাছউদও জানিয়েছেন, যত দ্রুত সম্ভব, এই আইন সরকার করতে যাচ্ছে।
নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে হলে ভোটকেন্দ্রের কাজ দ্বিগুণ হয়ে যাবে। এ জন্য বুথের সংখ্যা বাড়ানো ও প্রয়োজন হলে ভোটগ্রহণের সময়ও বাড়ানোর ভাবনা রয়েছে ইসির।
কমিশনার মাছউদ বলেন, “আইন হয়ে গেলে আমরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই গণভোট করব। গণভোট একই দিনে হবে, একই প্রিজাইডিং অফিসারের অধীনে হবে। হয়তো বুথের সংখ্যা বাড়িয়ে দিতে পারি। যদি সম্ভব হয় ভোটগ্রহণের সময়টা বাড়ানো হতে পারে, যাতে ভোটাররা গণভোট দিতে আরেকটু সময় পান।”
ইসির কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, গণভোটের জন্য আলাদা করে ভোটগ্রহণ সামগ্রীর প্রয়োজন পড়বে না। গত মাসে সংসদ নির্বাচন ছাড়াও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে ভোটগ্রহণ সামগ্রী সংগ্রহ করা হয়েছিল, যা গণভোটে ব্যবহার করা যাবে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রতি ৫০০ জন নারী ও ৬০০ জন পুরুষের জন্য একটি কক্ষ বিবেচনায় ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। সময়সীমার মধ্যে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষ স্থাপন ও ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আসবে বলে জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি নতুন কক্ষ যুক্ত হলে অতিরিক্ত স্বচ্ছ ব্যালট বক্সও যুক্ত করতে হবে।

বস্তিগুলোতে আগুন লাগার মূল কারণ হচ্ছে সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত বৈদ্যুতিক সংযোগ, নিয়ম না মেনে সিলিন্ডার বা লাইন গ্যাসের অনিরাপদ ব্যবহার, বিড়ি-সিগারেট, মশার কয়েল ও খোলা বাতির ব্যবহার, উন্মুক্ত চুলা ও হিটারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার। উদাসীনতা ও অসাবধানতা এই ঝুঁকি আরও বাড়ায়

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের সঙ্গে কথা বলেছেন তার আইনজীবী মোরশেদ হোসেন। তিনি বলেন, “কারাগারে সাধন চন্দ্র মজুমদারের সঙ্গে যখন কথা হয়, তখন তিনি কেবল সাবেক শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদের মৃত্যুর প্রসঙ্গে কথা বলতে থাকেন। নুরুল মজিদের মৃত্যু অন্য নেতাদের ভীষণ চিন্ত