চরচা ডেস্ক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তি তৈরির জন্য ফেসবুক ও ইউটিউবের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা ও গুগলকে অভিযুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত।
স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার লস অ্যাঞ্জেলেস সুপিরিয়র কোর্টের জুরি বোর্ড এই যুগান্তকারী রায় দেয়। এতে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠান দুটি ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের প্ল্যাটফর্মের নকশা এমনভাবে তৈরি করেছে যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানা যায়, ক্যালিফোর্নিয়ার ২০ বছর বয়সী তরুণী কেলি এবং তার মা এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। তাদের অভিযোগ ছিল, মেটা, গুগল (ইউটিউব), স্ন্যাপচ্যাট ও টিকটক পরিকল্পিতভাবে শিশুদের এসব অ্যাপে আসক্ত করে ফেলে। কেলির দাবি, শৈশব থেকে এই অ্যাপগুলোর ব্যবহারের ফলে তিনি উদ্বেগ, বডি ডিসমরফিয়া (নিজের চেহারা নিয়ে হীনম্মন্যতা) এবং আত্মহত্যার চিন্তার মতো মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন।
স্ন্যাপ ও টিকটক বিচার শুরুর আগেই আদালতের বাইরে কেলির সঙ্গে সমঝোতা করে ফেলেছিল।
দীর্ঘ সাত সপ্তাহের শুনানি এবং আট দিনের বিচারবিভাগীয় আলোচনার পর জুরি বোর্ড এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। আদালত তার রায়ে বলেন, মেটা ও ইউটিউব তাদের প্ল্যাটফর্মের নকশা তৈরিতে চরম অবহেলা করেছে। তারা জানত যে এই নকশা বিপজ্জনক, কিন্তু ব্যবহারকারীদের সেই ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করতে ব্যর্থ হয়েছে।
আদালত কেলিকে ৩ মিলিয়ন (৩০ লাখ) ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। জুরিদের মতে, কেলির ক্ষতির জন্য মেটা ৭০ শতাংশ এবং ইউটিউব ৩০ শতাংশ দায়ী। এ ছাড়া ভবিষ্যতে আরও শাস্তিমূলক জরিমানা আরোপ করা হতে পারে।
তবে মেটার এই রায়ে দ্বিমত পোষণ করে প্রতিষ্ঠানটির একজন মুখপাত্র বলেন, “আমরা পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছি।”
মেটা বলেছে, কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য একটি জটিল বিষয়, যা কোনো একক অ্যাপের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করা যায় না। অন্যদিকে এই মামলায় ইউটিউববে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন গুগলের এক মুখপাত্র।
এই রায়ের একদিন আগেই প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা নিয়ে গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করা এবং শিশু যৌন নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগে মেটাকে ৩৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার (৩৭৫ মিলিয়ন ডলার) জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন নিউ মেক্সিকোর একটি জুরি বোর্ড।
সাম্প্রতিক সময়ে অষ্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশ শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে। আর যুক্তরাজ্য ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা নিয়ে পরীক্ষামূলক কর্মসূচি চালাচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তি তৈরির জন্য ফেসবুক ও ইউটিউবের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা ও গুগলকে অভিযুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত।
স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার লস অ্যাঞ্জেলেস সুপিরিয়র কোর্টের জুরি বোর্ড এই যুগান্তকারী রায় দেয়। এতে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠান দুটি ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের প্ল্যাটফর্মের নকশা এমনভাবে তৈরি করেছে যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানা যায়, ক্যালিফোর্নিয়ার ২০ বছর বয়সী তরুণী কেলি এবং তার মা এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। তাদের অভিযোগ ছিল, মেটা, গুগল (ইউটিউব), স্ন্যাপচ্যাট ও টিকটক পরিকল্পিতভাবে শিশুদের এসব অ্যাপে আসক্ত করে ফেলে। কেলির দাবি, শৈশব থেকে এই অ্যাপগুলোর ব্যবহারের ফলে তিনি উদ্বেগ, বডি ডিসমরফিয়া (নিজের চেহারা নিয়ে হীনম্মন্যতা) এবং আত্মহত্যার চিন্তার মতো মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন।
স্ন্যাপ ও টিকটক বিচার শুরুর আগেই আদালতের বাইরে কেলির সঙ্গে সমঝোতা করে ফেলেছিল।
দীর্ঘ সাত সপ্তাহের শুনানি এবং আট দিনের বিচারবিভাগীয় আলোচনার পর জুরি বোর্ড এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। আদালত তার রায়ে বলেন, মেটা ও ইউটিউব তাদের প্ল্যাটফর্মের নকশা তৈরিতে চরম অবহেলা করেছে। তারা জানত যে এই নকশা বিপজ্জনক, কিন্তু ব্যবহারকারীদের সেই ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করতে ব্যর্থ হয়েছে।
আদালত কেলিকে ৩ মিলিয়ন (৩০ লাখ) ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। জুরিদের মতে, কেলির ক্ষতির জন্য মেটা ৭০ শতাংশ এবং ইউটিউব ৩০ শতাংশ দায়ী। এ ছাড়া ভবিষ্যতে আরও শাস্তিমূলক জরিমানা আরোপ করা হতে পারে।
তবে মেটার এই রায়ে দ্বিমত পোষণ করে প্রতিষ্ঠানটির একজন মুখপাত্র বলেন, “আমরা পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছি।”
মেটা বলেছে, কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য একটি জটিল বিষয়, যা কোনো একক অ্যাপের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করা যায় না। অন্যদিকে এই মামলায় ইউটিউববে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন গুগলের এক মুখপাত্র।
এই রায়ের একদিন আগেই প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা নিয়ে গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করা এবং শিশু যৌন নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগে মেটাকে ৩৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার (৩৭৫ মিলিয়ন ডলার) জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন নিউ মেক্সিকোর একটি জুরি বোর্ড।
সাম্প্রতিক সময়ে অষ্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশ শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে। আর যুক্তরাজ্য ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা নিয়ে পরীক্ষামূলক কর্মসূচি চালাচ্ছে।