চরচা ডেস্ক

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে বেইজিংয়ের ঐতিহ্যবাহী ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপলে’ বৈঠকটি শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিট) দুই নেতার এই বৈঠক শুরু হয়। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বেইজিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও কানেক্টিভিটিসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের কাছে তুলে ধরবেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই শীর্ষ বৈঠকের মধ্য দিয়ে ঢাকা-বেইজিং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর হবে এবং দুই দেশের সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটবে।
আজ সকালে প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের আগে ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।
আজ বিকালেই বেইজিংয়ের ‘মিউজিয়াম অব দ্য কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়না’ পরিদর্শনের কথা রয়েছে তার। এরপর স্থানীয় সময় বিকাল ৫টায় চার দিনের এই ঐতিহাসিক চীন সফর শেষ করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে বেইজিংয়ের ঐতিহ্যবাহী ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপলে’ বৈঠকটি শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিট) দুই নেতার এই বৈঠক শুরু হয়। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বেইজিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও কানেক্টিভিটিসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের কাছে তুলে ধরবেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই শীর্ষ বৈঠকের মধ্য দিয়ে ঢাকা-বেইজিং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর হবে এবং দুই দেশের সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটবে।
আজ সকালে প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের আগে ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।
আজ বিকালেই বেইজিংয়ের ‘মিউজিয়াম অব দ্য কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়না’ পরিদর্শনের কথা রয়েছে তার। এরপর স্থানীয় সময় বিকাল ৫টায় চার দিনের এই ঐতিহাসিক চীন সফর শেষ করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।