চরচা প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের লালখান বাজার এলাকায় পুলিশ সদস্যরা যখন তাকে আটকে মারধর করছিল, তখন স্থানীয় লোকজন এগিয়ে না আসলে আরও বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারত বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ক্রিকেটার নাঈম হাসান।
গতকাল শনিবার বিকেলে নগরীর বহদ্দারহাটের ফরিদার পাড়ায় নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই আশঙ্কার কথা জানান।
সাংবাদিকদের নাঈম হাসান বলেন, “আমি আজ একটা বিশেষ বিষয় জানানোর জন্য আপনাদের সামনে এসেছি। গতকাল রাতে ওখানে যে স্থানীয় ভাইয়েরা ছিলেন—প্রায় ১০০ থেকে ১২০ জনের মতো—তাদের আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তারা না থাকলে ঘটনাটি অন্যরকম হতে পারত। পুলিশ যখন আমাকে হেনস্তা করে নিয়ে যাচ্ছিল, তখন আমি স্থানীয়দের এগিয়ে আসার অনুরোধ জানাই। তারা আমার সাথে (থানা পর্যন্ত) গিয়েছিলেন বলেই পুলিশ অন্য কিছু করার চেষ্টা করেও পারেনি।”
এই ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে নাঈম বলেন, “আমি আইনগতভাবে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি, যাতে ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষের সাথে আর এমন আচরণ করার সাহস কেউ না পায়। আমি খুব সাধারণ জীবনযাপন করি। কিন্তু আজ যদি আমি এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নিই, তবে কাল অন্য কোনো সাধারণ মানুষের সাথে এমনটা হলে কেউ জানবেও না। আজ আমি আওয়াজ তুললে হয়তো ভবিষ্যতে আরও ১০টা মানুষের উপকার হবে, যা দেশের জন্য মঙ্গলজনক।”
সিএনজিচালিত অটোরিকশা তল্লাশির বিষয়ে জানতে চাইলে এই ক্রিকেটার বলেন, “পুলিশের কাছে কোনো গোপন সংবাদ বা তথ্য থাকতেই পারে। সন্দেহ হলে তারা গাড়ি দাঁড় করাবে, জিজ্ঞাসাবাদ করবে এবং বলবে—আমাদের কাছে তথ্য আছে, ব্যাগ চেক করব। অবশ্যই তাদের ব্যাগ তল্লাশি করার শতভাগ অধিকার আছে। কিন্তু সেটার তো একটা ভদ্রজনোচিত নিয়ম বা প্রক্রিয়া থাকবে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “পুলিশ আমাকে বললে আমি নিজেই ব্যাগ চেক করতে দিতাম। কিন্তু তারা কোনো তল্লাশিই করেনি। আমি সিএনজি থেকে নামার পর আমাকে আবার সিএনজিতে উঠতে বলা হয়। আমি ভেবেছিলাম চলে যাওয়ার জন্য উঠতে বলছে। কিন্তু আমি ওঠার সাথে সাথেই একজন পুলিশ সদস্য ভেতরে ঢুকে আমার গলা চেপে ধরবেন, তা আমি কল্পনাও করিনি। তখন আমি খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।”
নাঈম হাসান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ তার ব্যাগ তল্লাশি করেনি। ব্যাগটি সারা রাত থানাতেই ছিল। তিনি বলেন, “থানা থেকে ছাড়া পাওয়ার আগে আমি নিজের উদ্যোগে আমার গ্লাভস, ব্যাট, হেলমেট, পোশাকসহ ভেতরের প্রতিটি জিনিস একটা একটা করে বের করে পুলিশের সামনে দেখিয়েছি। তারপর ব্যাগ নিয়ে বাসায় ফিরেছি।”
গত শুক্রবার গভীর রাতে ঢাকা থেকে বিমানে করে চট্টগ্রামে পৌঁছান নাঈম হাসান। এরপর সিএনজি অটোরিকশাযোগে বাসায় ফেরার পথে নগরীর লালখান বাজার মোড় এলাকায় তাকে আটকায় পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে তাকে মারধর ও জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে তাকে খুলশী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে গভীর রাতেই নাঈমের বাবা ও পরিবারের সদস্যরা থানায় যান এবং এই ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পর গতকাল শনিবার দুপুরে ক্রিকেটার নাঈমের বাসায় যান চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। তিনি সাংবাদিকদের জানান, এই ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চট্টগ্রামের লালখান বাজার এলাকায় পুলিশ সদস্যরা যখন তাকে আটকে মারধর করছিল, তখন স্থানীয় লোকজন এগিয়ে না আসলে আরও বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারত বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ক্রিকেটার নাঈম হাসান।
গতকাল শনিবার বিকেলে নগরীর বহদ্দারহাটের ফরিদার পাড়ায় নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই আশঙ্কার কথা জানান।
সাংবাদিকদের নাঈম হাসান বলেন, “আমি আজ একটা বিশেষ বিষয় জানানোর জন্য আপনাদের সামনে এসেছি। গতকাল রাতে ওখানে যে স্থানীয় ভাইয়েরা ছিলেন—প্রায় ১০০ থেকে ১২০ জনের মতো—তাদের আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তারা না থাকলে ঘটনাটি অন্যরকম হতে পারত। পুলিশ যখন আমাকে হেনস্তা করে নিয়ে যাচ্ছিল, তখন আমি স্থানীয়দের এগিয়ে আসার অনুরোধ জানাই। তারা আমার সাথে (থানা পর্যন্ত) গিয়েছিলেন বলেই পুলিশ অন্য কিছু করার চেষ্টা করেও পারেনি।”
এই ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে নাঈম বলেন, “আমি আইনগতভাবে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি, যাতে ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষের সাথে আর এমন আচরণ করার সাহস কেউ না পায়। আমি খুব সাধারণ জীবনযাপন করি। কিন্তু আজ যদি আমি এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নিই, তবে কাল অন্য কোনো সাধারণ মানুষের সাথে এমনটা হলে কেউ জানবেও না। আজ আমি আওয়াজ তুললে হয়তো ভবিষ্যতে আরও ১০টা মানুষের উপকার হবে, যা দেশের জন্য মঙ্গলজনক।”
সিএনজিচালিত অটোরিকশা তল্লাশির বিষয়ে জানতে চাইলে এই ক্রিকেটার বলেন, “পুলিশের কাছে কোনো গোপন সংবাদ বা তথ্য থাকতেই পারে। সন্দেহ হলে তারা গাড়ি দাঁড় করাবে, জিজ্ঞাসাবাদ করবে এবং বলবে—আমাদের কাছে তথ্য আছে, ব্যাগ চেক করব। অবশ্যই তাদের ব্যাগ তল্লাশি করার শতভাগ অধিকার আছে। কিন্তু সেটার তো একটা ভদ্রজনোচিত নিয়ম বা প্রক্রিয়া থাকবে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “পুলিশ আমাকে বললে আমি নিজেই ব্যাগ চেক করতে দিতাম। কিন্তু তারা কোনো তল্লাশিই করেনি। আমি সিএনজি থেকে নামার পর আমাকে আবার সিএনজিতে উঠতে বলা হয়। আমি ভেবেছিলাম চলে যাওয়ার জন্য উঠতে বলছে। কিন্তু আমি ওঠার সাথে সাথেই একজন পুলিশ সদস্য ভেতরে ঢুকে আমার গলা চেপে ধরবেন, তা আমি কল্পনাও করিনি। তখন আমি খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।”
নাঈম হাসান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ তার ব্যাগ তল্লাশি করেনি। ব্যাগটি সারা রাত থানাতেই ছিল। তিনি বলেন, “থানা থেকে ছাড়া পাওয়ার আগে আমি নিজের উদ্যোগে আমার গ্লাভস, ব্যাট, হেলমেট, পোশাকসহ ভেতরের প্রতিটি জিনিস একটা একটা করে বের করে পুলিশের সামনে দেখিয়েছি। তারপর ব্যাগ নিয়ে বাসায় ফিরেছি।”
গত শুক্রবার গভীর রাতে ঢাকা থেকে বিমানে করে চট্টগ্রামে পৌঁছান নাঈম হাসান। এরপর সিএনজি অটোরিকশাযোগে বাসায় ফেরার পথে নগরীর লালখান বাজার মোড় এলাকায় তাকে আটকায় পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে তাকে মারধর ও জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে তাকে খুলশী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে গভীর রাতেই নাঈমের বাবা ও পরিবারের সদস্যরা থানায় যান এবং এই ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পর গতকাল শনিবার দুপুরে ক্রিকেটার নাঈমের বাসায় যান চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। তিনি সাংবাদিকদের জানান, এই ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।