চরচা ডেস্ক

২৮ বছর পর বিশ্বকাপের চূড়ান্তপর্বে খেলতে এসেছে স্কটল্যান্ড। ১৯৯৮ বিশ্বকাপের পর এই প্রথম। বিশ্বকাপে ফিরে প্রথম ম্যাচেই হাইতিকে ১–০ গোলে হারিয়েছে তারা। ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে জয়—স্কটিশদের আনন্দটা তাই বাঁধ ভাঙাই।
১৯৯০ বিশ্বকাপে সুইডেনকে ২–১ গোলে হারিয়েছিল স্কটল্যান্ড। হাইতির বিপক্ষে আজকের ম্যাচটা অবশ্য হয়েছে সেয়ানে–সেয়ানে। হাইতির সুযোগ ছিল, কিন্তু দিনশেষে বিজয়ী দল স্কটল্যান্ডই। গোলের সুযোগ তৈরি করেও হাইতি ম্যাচটা জিততে পারেনি স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতায়।

১৯৯৮ বিশ্বকাপে গ্রুপপর্বে একটি ম্যাচও জিততে পারেনি স্কটল্যান্ড। সেবারও ব্রাজিলের গ্রুপে ছিল স্কটিশরা। ফ্রান্স বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই ব্রাজিলের বিপক্ষে লড়েছিল স্কটল্যান্ড, হারের ব্যবধান ছিল ২–১। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ১৯৯০ বিশ্বকাপেও ব্রাজিলের গ্রুপেই ছিল স্কটল্যান্ড। ২০২৬ বিশ্বকাপেও ব্রাজিল–স্কটল্যান্ড একই গ্রুপে। বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের ব্রাজিল–যোগ লক্ষণীয়ই।
বিশ্বকাপে মোট ৯ বার খেলেছে স্কটল্যান্ড। প্রতিবারই গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে দলটি। এবার গ্রুপ ‘সি’তে ব্রাজিল–মরক্কোর অন্যতম গ্রুপসঙ্গী তারা। আজ হাইতির বিপক্ষে জয়ে গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে রাউন্ড অব ৩২–এ যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে তাদের। গ্রুপের অন্য ম্যাচে ব্রাজিল ও মরক্কো ড্র করায় এ মুহূর্তে গ্রুপের শীর্ষ দল স্কটল্যান্ড।
ম্যাচে অবশ্য হাইতিই তুলনামূলক ভালো ফুটবল খেলেছে। ১৯৭৪ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের চূড়ান্তপর্বে নাম লিখিয়েছে হাইতি। সেবারও জয়শূন্যই ছিল হাইতি। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে একের পর এক সুযোগ নষ্ট করারই খেসারত দিয়েছে হাইতি।
এই প্রথম স্কটল্যান্ড ও হাইতি মুখোমুখি হয়েছিল। খেলার ধারার বিপরীতে ২৮ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় স্কটল্যান্ড। গোলটি আসে জন ম্যাকগিনের পা থেকে। গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েও আক্রমণে ঝাঁপিয়েছে হাইতি। তবে গোল করতে পারার ব্যর্থতারই খেসারত দিতে হয়েছে হাইতিকে।

২৮ বছর পর বিশ্বকাপের চূড়ান্তপর্বে খেলতে এসেছে স্কটল্যান্ড। ১৯৯৮ বিশ্বকাপের পর এই প্রথম। বিশ্বকাপে ফিরে প্রথম ম্যাচেই হাইতিকে ১–০ গোলে হারিয়েছে তারা। ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে জয়—স্কটিশদের আনন্দটা তাই বাঁধ ভাঙাই।
১৯৯০ বিশ্বকাপে সুইডেনকে ২–১ গোলে হারিয়েছিল স্কটল্যান্ড। হাইতির বিপক্ষে আজকের ম্যাচটা অবশ্য হয়েছে সেয়ানে–সেয়ানে। হাইতির সুযোগ ছিল, কিন্তু দিনশেষে বিজয়ী দল স্কটল্যান্ডই। গোলের সুযোগ তৈরি করেও হাইতি ম্যাচটা জিততে পারেনি স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতায়।

১৯৯৮ বিশ্বকাপে গ্রুপপর্বে একটি ম্যাচও জিততে পারেনি স্কটল্যান্ড। সেবারও ব্রাজিলের গ্রুপে ছিল স্কটিশরা। ফ্রান্স বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই ব্রাজিলের বিপক্ষে লড়েছিল স্কটল্যান্ড, হারের ব্যবধান ছিল ২–১। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ১৯৯০ বিশ্বকাপেও ব্রাজিলের গ্রুপেই ছিল স্কটল্যান্ড। ২০২৬ বিশ্বকাপেও ব্রাজিল–স্কটল্যান্ড একই গ্রুপে। বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের ব্রাজিল–যোগ লক্ষণীয়ই।
বিশ্বকাপে মোট ৯ বার খেলেছে স্কটল্যান্ড। প্রতিবারই গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে দলটি। এবার গ্রুপ ‘সি’তে ব্রাজিল–মরক্কোর অন্যতম গ্রুপসঙ্গী তারা। আজ হাইতির বিপক্ষে জয়ে গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে রাউন্ড অব ৩২–এ যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে তাদের। গ্রুপের অন্য ম্যাচে ব্রাজিল ও মরক্কো ড্র করায় এ মুহূর্তে গ্রুপের শীর্ষ দল স্কটল্যান্ড।
ম্যাচে অবশ্য হাইতিই তুলনামূলক ভালো ফুটবল খেলেছে। ১৯৭৪ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের চূড়ান্তপর্বে নাম লিখিয়েছে হাইতি। সেবারও জয়শূন্যই ছিল হাইতি। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে একের পর এক সুযোগ নষ্ট করারই খেসারত দিয়েছে হাইতি।
এই প্রথম স্কটল্যান্ড ও হাইতি মুখোমুখি হয়েছিল। খেলার ধারার বিপরীতে ২৮ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় স্কটল্যান্ড। গোলটি আসে জন ম্যাকগিনের পা থেকে। গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েও আক্রমণে ঝাঁপিয়েছে হাইতি। তবে গোল করতে পারার ব্যর্থতারই খেসারত দিতে হয়েছে হাইতিকে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির খবর প্রকাশের পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন দেশটির কিছু মানুষ। স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার রাতে চুক্তি নিয়ে টেলিভিশনে একটি সাক্ষাৎকার দেন আরাগচি। এরপরই মাসহাদে ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভবনের সামনে তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়।