চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর কদমতলীর রায়েরবাগ এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় তাকওয়া সুমাইয়া নূর (০৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, গুরুতর আহত অবস্থায় রাত সোয়া আটটার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সুমাইয়া নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পাঠানটুলি নতুন আইলপাড়া এলাকার নুর আলম খানের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল।
নিহত শিশুর খালা তানজিলা আক্তার জানান, বুধবার সকালে সুমাইয়া তাদের রায়েরবাগের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। সন্ধ্যায় নানীর হাত ধরে রাস্তায় হাঁটার সময় একটি দ্রুতগামী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়। দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শিশুটির মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানায় বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

রাজধানীর কদমতলীর রায়েরবাগ এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় তাকওয়া সুমাইয়া নূর (০৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, গুরুতর আহত অবস্থায় রাত সোয়া আটটার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সুমাইয়া নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পাঠানটুলি নতুন আইলপাড়া এলাকার নুর আলম খানের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল।
নিহত শিশুর খালা তানজিলা আক্তার জানান, বুধবার সকালে সুমাইয়া তাদের রায়েরবাগের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। সন্ধ্যায় নানীর হাত ধরে রাস্তায় হাঁটার সময় একটি দ্রুতগামী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়। দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শিশুটির মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানায় বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।