Advertisement Banner

মিরপুরের ওই নারী মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার কি না, তদন্ত চেয়ে রিট

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
মিরপুরের ওই নারী মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার কি না, তদন্ত চেয়ে রিট
ছবি: চরচা

সম্প্রতি রাজনীতির মিরপুর-১১ নম্বরে একটি বাসা থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট হয়েছে।

রিটে ৭৫ বছর বয়সী ওই নারীর সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শরীফ সরকার এ রিট দায়ের করেন।

বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রিটকারীর আইনজীবী ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী।

গত ৩১ মে ঢাকার মিরপুর-১১ নম্বরে একটি বাসা থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ৯৯৯–এ ফোন পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, মরদেহটি পচে গিয়ে পোকায় ধরেছিল। তবে ওই নারী কবে, কী কারণে মারা গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করানো হয়েছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, পুরো বাসাটি ছিল নোংরা ও অগোছালো। দুর্গন্ধ পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির বলেন, নুরজাহান বেগম যে বাসায় ছিলেন, সেটা তার মেয়ের বাসা। সেখানে তিনি মেয়ের সঙ্গে থাকতেন। বাসাটি খুব নোংরা ছিল।

ওই নারীর এক ছেলে যুগ্ম সচিব, এক ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক এবং এক মেয়ে স্থানীয় একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন।

ওসি আরও বলেন, ওই নারীর স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।

এদিকে অবহেলার দায়ে পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন অনুযায়ী ওই নারীর সন্তানদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর অংশ হিসেবে ওই নারীর যে ছেলে যুগ্ম সচিব, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বুধবার সাংবাদিকদের বলেছেন, পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন আছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে ওই কর্মকর্তার (যুগ্ম সচিব) বক্তব্য গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। ইতোমধ্যে প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

সম্পর্কিত