চরচা ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি হলে তা সই করতে তিনি পাকিস্তানে যেতে পারেন। ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান প্রায় সবকিছুতে রাজি হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ কথা বলেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
লাস ভেগাস সফরে যাওয়ার জন্য হেলিকপ্টারে ওঠার আগে ট্রাম্প বলেন, “আমরা ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের যে যুদ্ধবিরতি হয়েছে, সেটির মেয়াদ আর বাড়ানোর দরকার নেই। কারণ তার আশা এই সময়ের মধ্যেই ইরানিদের সঙ্গে তাদের স্থায়ী যুদ্ধবিরতির চুক্তি হবে।
চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য পাকিস্তানে যেতে পারেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “ইসলামাবাদে যদি কোনো চুক্তি সই হয়, আমি যেতে পারি। তারা আমাকে চায়।”
এ সময় ট্রাম্প আরও দাবি করেন, গত বছর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিমান হামলার পর মাটির নিচে লুকানো সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে ইরান সম্মত হয়েছে।
চুক্তির বিষয়ে গত সপ্তাহের শেষে ইসলামাবাদে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তবে তিনি কোনো অগ্রগতি ছাড়াই ফিরে আসেন।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, দ্বিতীয় দফার আলোচনার বিষয়ে কথাবার্তা চলছে। এই আলোচনা আবার পাকিস্তানেই হতে পারে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি হলে তা সই করতে তিনি পাকিস্তানে যেতে পারেন। ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান প্রায় সবকিছুতে রাজি হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ কথা বলেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
লাস ভেগাস সফরে যাওয়ার জন্য হেলিকপ্টারে ওঠার আগে ট্রাম্প বলেন, “আমরা ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের যে যুদ্ধবিরতি হয়েছে, সেটির মেয়াদ আর বাড়ানোর দরকার নেই। কারণ তার আশা এই সময়ের মধ্যেই ইরানিদের সঙ্গে তাদের স্থায়ী যুদ্ধবিরতির চুক্তি হবে।
চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য পাকিস্তানে যেতে পারেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “ইসলামাবাদে যদি কোনো চুক্তি সই হয়, আমি যেতে পারি। তারা আমাকে চায়।”
এ সময় ট্রাম্প আরও দাবি করেন, গত বছর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিমান হামলার পর মাটির নিচে লুকানো সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে ইরান সম্মত হয়েছে।
চুক্তির বিষয়ে গত সপ্তাহের শেষে ইসলামাবাদে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তবে তিনি কোনো অগ্রগতি ছাড়াই ফিরে আসেন।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, দ্বিতীয় দফার আলোচনার বিষয়ে কথাবার্তা চলছে। এই আলোচনা আবার পাকিস্তানেই হতে পারে।