চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

৯ বছর আগে চট্টগ্রামে আবু নাছের নামে এক দোকান মালিককে হত্যা মামলার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এই ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মো. ইসমাইল হোসেন সুজন নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের নাছের আহম্মদের ছেলে। মামলার বিচারচলাকালীন সময় থেকে তিনি পলাতক।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি ইসলামইল হোসেন সুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাথে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২৪ মার্চ নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন অলংকার শপিং কমপ্লেক্সের মমতাজ টেলিকমের মালিক আবু নাছের (২০) খুন হয়।
ওই শপিং কমপ্লেক্সের দোতলায় ফেরদৌস ওয়াহিদ নামের এক ব্যক্তি পরিচালিত দোকানের একাংশ ভাড়া নিয়ে মোবাইল মেরামতের কাজ করতেন সুজন।
২০১৭ সালের ৬ মার্চ সুজন দোকানের মালিককে না জানিয়ে ওই বিপণি কেন্দ্রের দ্বিতীয় তলায় অন্য একটি দোকানের একাংশ ভাড়ায় নিয়ে সেখানে চলে যায়। ওই বছরের ২৪ মার্চ রাতে ফেরদৌস সঙ্গে আবু নাছেরকে নিয়ে টাকা চাইতে গেলে সেখানে বাগবিতণ্ডা হয়।
এক পর্যায়ে ইসমাইল হোসেন কাচি দিয়ে আবু নাছেরের বুকে ও তলপেটে আঘাত করে এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনার পরদিন আবু নাছেরের মা মমতাজ বেগম বাদি হয়ে নগরীর পাহাড়তলি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। আসামি সুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রোববার এই রায় দেয়া হয়।

৯ বছর আগে চট্টগ্রামে আবু নাছের নামে এক দোকান মালিককে হত্যা মামলার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এই ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মো. ইসমাইল হোসেন সুজন নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের নাছের আহম্মদের ছেলে। মামলার বিচারচলাকালীন সময় থেকে তিনি পলাতক।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি ইসলামইল হোসেন সুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাথে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২৪ মার্চ নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন অলংকার শপিং কমপ্লেক্সের মমতাজ টেলিকমের মালিক আবু নাছের (২০) খুন হয়।
ওই শপিং কমপ্লেক্সের দোতলায় ফেরদৌস ওয়াহিদ নামের এক ব্যক্তি পরিচালিত দোকানের একাংশ ভাড়া নিয়ে মোবাইল মেরামতের কাজ করতেন সুজন।
২০১৭ সালের ৬ মার্চ সুজন দোকানের মালিককে না জানিয়ে ওই বিপণি কেন্দ্রের দ্বিতীয় তলায় অন্য একটি দোকানের একাংশ ভাড়ায় নিয়ে সেখানে চলে যায়। ওই বছরের ২৪ মার্চ রাতে ফেরদৌস সঙ্গে আবু নাছেরকে নিয়ে টাকা চাইতে গেলে সেখানে বাগবিতণ্ডা হয়।
এক পর্যায়ে ইসমাইল হোসেন কাচি দিয়ে আবু নাছেরের বুকে ও তলপেটে আঘাত করে এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনার পরদিন আবু নাছেরের মা মমতাজ বেগম বাদি হয়ে নগরীর পাহাড়তলি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। আসামি সুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রোববার এই রায় দেয়া হয়।