চরচা প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংক ‘দখলের পায়তারা’ হলে নিজেই রাস্তায় নামবেন বলে জানিয়েছেন সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিরপুরের শেওড়াপাড়ার ১৪ নম্বর মেহফিল কনভেনশন সেন্টারে এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
শফিকুর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘‘ওই ব্যাংকের ক্ষতি হলে, আমরা চুপ করে বসে থাকব না। সেখানে তাদের (শেয়ার হোল্ডার) ওপর পুলিশ বাহিনী লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে। গুলি, টিয়ারশেল, জল কামান। আমি তখন সিলেটে ছিলাম। সেখানে বলেছি, আগামী দিন আমিও নামব (রাস্তায়), ইনশাল্লাহ।”
এই নেতা বলেন, “একটা শেয়ার থাকলে আমিও এই ব্যাংকের মালিক। আমার এই স্বত্বা নিয়ে কাউকে টানাটানি করার সুযোগ দেব না। সামনে গিয়ে বুক ফুলিয়ে দাঁড়ায় বলব, গুলি আমার বুকে মারো।”
জামায়াতের আমির বলেন, ‘‘এখন ইসলামী ব্যাংকের ডিপোজিটার, শেয়ার হোল্ডার সকলে মিলে রাস্তায় নেমেছে। এখন বলা হচ্ছে এগুলো জামায়াতে ইসলামীর মানুষ। আগে যেভাবে বলতো, তেলের লাইনে সব জামায়াতে ইসলামী সবাইকে পাঠায় দিচ্ছে। এবার সেই ভাবে বলে। আমি স্বীকার করে নিচ্ছি, এরা জামায়াতে ইসলামীর মানুষ। এবং এরা এই দেশের নাগরিক। এরা কোন দল করে, এটা দেখার বিষয় নয়। তারা এই ব্যাংকের মালিক।”
শফিকুর রহমান বলেন, ‘‘দেশের অর্থনীতি বিধ্বস্ত। ব্যবসায়ীরা ব্যাংক থেকে লোন পাচ্ছেন না। ডিপোজিটাররা তাদের টাকা ফেরতে পাচ্ছেন না। শেয়ার হোল্ডাররা নিজের শেয়ারের হিসাব পাচ্ছেন না। এই অবস্থায় আবার ৬টি ব্যাংকের গ্রাহকদের কী অবস্থা। ইসলামী ব্যাংক আবারও দখলের পায়তারা…। এমন এক ব্যাক্তিতে ব্যাংকের চেয়ারম্যান বানানো হয়েছে, যিনি পালিয়ে গিয়েছিলেন, যিনি পরিত্যক্ত ও ফ্যাসিস্টদের দোসর। তাকে আবার ইসলামী ব্যাংকের ঘাড়ের ওপর বাসিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

ইসলামী ব্যাংক ‘দখলের পায়তারা’ হলে নিজেই রাস্তায় নামবেন বলে জানিয়েছেন সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিরপুরের শেওড়াপাড়ার ১৪ নম্বর মেহফিল কনভেনশন সেন্টারে এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
শফিকুর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘‘ওই ব্যাংকের ক্ষতি হলে, আমরা চুপ করে বসে থাকব না। সেখানে তাদের (শেয়ার হোল্ডার) ওপর পুলিশ বাহিনী লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে। গুলি, টিয়ারশেল, জল কামান। আমি তখন সিলেটে ছিলাম। সেখানে বলেছি, আগামী দিন আমিও নামব (রাস্তায়), ইনশাল্লাহ।”
এই নেতা বলেন, “একটা শেয়ার থাকলে আমিও এই ব্যাংকের মালিক। আমার এই স্বত্বা নিয়ে কাউকে টানাটানি করার সুযোগ দেব না। সামনে গিয়ে বুক ফুলিয়ে দাঁড়ায় বলব, গুলি আমার বুকে মারো।”
জামায়াতের আমির বলেন, ‘‘এখন ইসলামী ব্যাংকের ডিপোজিটার, শেয়ার হোল্ডার সকলে মিলে রাস্তায় নেমেছে। এখন বলা হচ্ছে এগুলো জামায়াতে ইসলামীর মানুষ। আগে যেভাবে বলতো, তেলের লাইনে সব জামায়াতে ইসলামী সবাইকে পাঠায় দিচ্ছে। এবার সেই ভাবে বলে। আমি স্বীকার করে নিচ্ছি, এরা জামায়াতে ইসলামীর মানুষ। এবং এরা এই দেশের নাগরিক। এরা কোন দল করে, এটা দেখার বিষয় নয়। তারা এই ব্যাংকের মালিক।”
শফিকুর রহমান বলেন, ‘‘দেশের অর্থনীতি বিধ্বস্ত। ব্যবসায়ীরা ব্যাংক থেকে লোন পাচ্ছেন না। ডিপোজিটাররা তাদের টাকা ফেরতে পাচ্ছেন না। শেয়ার হোল্ডাররা নিজের শেয়ারের হিসাব পাচ্ছেন না। এই অবস্থায় আবার ৬টি ব্যাংকের গ্রাহকদের কী অবস্থা। ইসলামী ব্যাংক আবারও দখলের পায়তারা…। এমন এক ব্যাক্তিতে ব্যাংকের চেয়ারম্যান বানানো হয়েছে, যিনি পালিয়ে গিয়েছিলেন, যিনি পরিত্যক্ত ও ফ্যাসিস্টদের দোসর। তাকে আবার ইসলামী ব্যাংকের ঘাড়ের ওপর বাসিয়ে দেওয়া হয়েছে।”