চরচা ডেস্ক

পুরুষ ও নারীর মস্তিষ্কের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বৈজ্ঞানিক আগ্রহ রয়েছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এক মিলিয়নেরও বেশি মস্তিষ্ক কোষ বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা দেখেছেন, পুরুষ ও নারীর মস্তিষ্কে জিনের কার্যক্রম বা ‘জিন এক্সপ্রেশন’-এ সূক্ষ্ম কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। এই পার্থক্য ভবিষ্যতে বিভিন্ন স্নায়ুবিক রোগ– যেমন সিজোফ্রেনিয়া বা আলঝেইমার– কেন নারী-পুরুষে ভিন্নভাবে দেখা যায়, তার ব্যাখ্যা দিতে সাহায্য করতে পারে।
এই গবেষণাটি ১৬ এপ্রিল বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স-এ প্রকাশিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গবেষণায় লিঙ্গ নির্ধারণ করা হয়েছে ব্যক্তির যৌন ক্রোমোজোমের (XX বা XY) ভিত্তিতে। গবেষকদের মতে, যদিও পার্থক্যগুলো খুব সূক্ষ্ম, তবুও একাধিক মস্তিষ্ক অঞ্চলে ১০০-রও বেশি জিনের কার্যক্রমে ধারাবাহিক ভিন্নতা লক্ষ্য করা গেছে।
নিউইয়র্কের কোল্ড স্প্রিং হারবার ল্যাবরেটরির স্নায়ুবিজ্ঞানী জেসিকা টলকুহনের মতে, এই ধরনের জিন-এক্সপ্রেশন সিগনেচার বা নিদর্শন বিজ্ঞানীদের বুঝতে সাহায্য করবে, কীভাবে ভিন্ন হরমোনগত পরিবেশে পুরুষ ও নারীর মস্তিষ্ক কিছুটা আলাদাভাবে কাজ করে। তিনি মনে করেন, রোগের ঝুঁকিতে এই পার্থক্য বোঝা গেলে ভবিষ্যতে চিকিৎসা আরও কার্যকর হতে পারে এবং তা সবার জন্যই উপকার বয়ে আনবে।
আগের বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু স্নায়ুবিক রোগ পুরুষদের মধ্যে বেশি দেখা যায়– যেমন সিজোফ্রেনিয়া, এডিএইচডি এবং পারকিনসনস ডিজিজ। অন্যদিকে নারীদের মধ্যে আলঝেইমার, ডিপ্রেশন এবং উদ্বেগজনিত সমস্যার হার বেশি। কিন্তু এই পার্থক্যের মূল কারণ কী, তা এতদিন স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।
গবেষণার সহ-লেখক এবং মার্কিন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথের বিজ্ঞানী অ্যালেক্স ডেকাসিয়েন বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার-কে বলেন, মস্তিষ্কে জিনের কার্যক্রমের এই সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো রোগের ঝুঁকি কীভাবে কাজ করে, তা প্রভাবিত করতে পারে। অর্থাৎ, কোনও রোগের জিনগত প্রবণতা থাকলেও পুরুষ বা নারী হওয়ার কারণে তার প্রভাব ভিন্ন হতে পারে।
এই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা মস্তিষ্কের কর্টেক্সের ছয়টি ভিন্ন অঞ্চল থেকে কোষ সংগ্রহ করেন। মোট প্রায় ৩০ জন মানুষের মস্তিষ্কের নমুনা বিশ্লেষণ করা হয়। এতে প্রায় ৬ লাখ ৮০ হাজার এক্সসাইটেটরি নিউরন, ২ লাখ ৯০ হাজার ইনহিবিটরি নিউরন এবং ২ লাখ ৭০ হাজার গ্লিয়ালসহ অন্যান্য কোষ পরীক্ষা করা হয়। এই বিশাল ডেটাসেট থেকে ৪,৩০০-র বেশি জিন বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল হলো, জিন এক্সপ্রেশনের মোট ভিন্নতার মধ্যে লিঙ্গভিত্তিক পার্থক্যের অবদান ১ শতাংশেরও কম। এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নায়ুবিজ্ঞানী ডোনা ম্যানের মতে, এটি মানুষের জিনগত বৈচিত্র্যের সাধারণ বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ– একই লিঙ্গের মানুষের মধ্যেই পার্থক্য বেশি, দুই লিঙ্গের মধ্যে নয়।

তবে এর মধ্যেই গবেষকেরা ৩,৩৮২টি জিন শনাক্ত করেছেন, যেগুলির কার্যক্রম অন্তত একটি মস্তিষ্ক অঞ্চলে লিঙ্গভেদে ভিন্ন। আরও বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ১৩৩টি জিন রয়েছে যেগুলোর এক্সপ্রেশন সব ধরনের কোষ ও সব অঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে ভিন্ন। গবেষকদের ভাষায়, এটি লিঙ্গভিত্তিক জৈবিক প্রভাব বোঝার ক্ষেত্রে একেবারে ‘গ্রাউন্ড জিরো’ বা মূল ভিত্তি।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই জিনগুলোর বেশির ভাগই যৌন ক্রোমোজোমে অবস্থিত নয়। বরং অনেক জিনেই এমন রিসেপ্টর রয়েছে, যা ইস্ট্রোজেন বা টেস্টোস্টেরনের মতো যৌন হরমোন দ্বারা সক্রিয় হতে পারে। এর ফলে বোঝা যায়, শুধুমাত্র ক্রোমোজোম নয়, হরমোনও জিনের কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তবে গবেষকেরা সতর্ক করে দিয়েছেন, এই পার্থক্যগুলোকে শুধুমাত্র জৈবিক কারণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা ঠিক হবে না। পরিবেশগত প্রভাব, জীবনযাপন, সামাজিক অভিজ্ঞতা– সবকিছুই জিন এক্সপ্রেশনে প্রভাব ফেলতে পারে। গবেষণার সহ-লেখক আরমিন রাজনাহান বলেন, মানব সমাজে ‘সেক্স’ (জৈবিক লিঙ্গ) এবং ‘জেন্ডার’ (সামাজিক লিঙ্গ পরিচয়) গভীরভাবে জড়িত। ফলে কোনটি কতটা প্রভাব ফেলছে, তা আলাদা করে নির্ধারণ করা কঠিন।
ডোনা ম্যানের মতে, এই গবেষণা আসলে একটি নির্দিষ্ট সময়ের ‘স্ন্যাপশট’। কিন্তু জিন এক্সপ্রেশন সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে এবং তা বিভিন্ন পরিবেশগত ও শারীরিক অবস্থার দ্বারা প্রভাবিত হয়। তিনি আরও বলেন, মানুষের মস্তিষ্ক অত্যন্ত নমনীয়। ফলে বড় ধরনের জিনগত পার্থক্য থাকলেও তা শুধুমাত্র জন্মগত বা হরমোনজনিত কারণে হয়েছে– এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়।
গবেষকেরা মনে করেন, এই কাজ ভবিষ্যৎ গবেষণার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছে। তবে আরও বৃহৎ জনগোষ্ঠী ও বিভিন্ন পরিবেশগত প্রেক্ষাপটে গবেষণা চালানো প্রয়োজন, যাতে এই ফলাফলগুলো আরও নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
সব মিলিয়ে, এই গবেষণা দেখিয়েছে যে পুরুষ ও নারীর মস্তিষ্কে জিনের কার্যক্রমে পার্থক্য থাকলেও তা অত্যন্ত সূক্ষ্ম এবং জটিল। এই পার্থক্যগুলো স্নায়ুবিক রোগের ঝুঁকি বোঝার ক্ষেত্রে নতুন দিক খুলে দিতে পারে, তবে এর পেছনে জৈবিক ও পরিবেশগত– দুয়েরই ভূমিকা রয়েছে। ভবিষ্যতে এই জটিল সম্পর্ক আরও গভীরভাবে বোঝা গেলে চিকিৎসা বিজ্ঞানে বড় ধরনের অগ্রগতি সম্ভব হতে পারে।

পুরুষ ও নারীর মস্তিষ্কের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বৈজ্ঞানিক আগ্রহ রয়েছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এক মিলিয়নেরও বেশি মস্তিষ্ক কোষ বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা দেখেছেন, পুরুষ ও নারীর মস্তিষ্কে জিনের কার্যক্রম বা ‘জিন এক্সপ্রেশন’-এ সূক্ষ্ম কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। এই পার্থক্য ভবিষ্যতে বিভিন্ন স্নায়ুবিক রোগ– যেমন সিজোফ্রেনিয়া বা আলঝেইমার– কেন নারী-পুরুষে ভিন্নভাবে দেখা যায়, তার ব্যাখ্যা দিতে সাহায্য করতে পারে।
এই গবেষণাটি ১৬ এপ্রিল বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স-এ প্রকাশিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গবেষণায় লিঙ্গ নির্ধারণ করা হয়েছে ব্যক্তির যৌন ক্রোমোজোমের (XX বা XY) ভিত্তিতে। গবেষকদের মতে, যদিও পার্থক্যগুলো খুব সূক্ষ্ম, তবুও একাধিক মস্তিষ্ক অঞ্চলে ১০০-রও বেশি জিনের কার্যক্রমে ধারাবাহিক ভিন্নতা লক্ষ্য করা গেছে।
নিউইয়র্কের কোল্ড স্প্রিং হারবার ল্যাবরেটরির স্নায়ুবিজ্ঞানী জেসিকা টলকুহনের মতে, এই ধরনের জিন-এক্সপ্রেশন সিগনেচার বা নিদর্শন বিজ্ঞানীদের বুঝতে সাহায্য করবে, কীভাবে ভিন্ন হরমোনগত পরিবেশে পুরুষ ও নারীর মস্তিষ্ক কিছুটা আলাদাভাবে কাজ করে। তিনি মনে করেন, রোগের ঝুঁকিতে এই পার্থক্য বোঝা গেলে ভবিষ্যতে চিকিৎসা আরও কার্যকর হতে পারে এবং তা সবার জন্যই উপকার বয়ে আনবে।
আগের বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু স্নায়ুবিক রোগ পুরুষদের মধ্যে বেশি দেখা যায়– যেমন সিজোফ্রেনিয়া, এডিএইচডি এবং পারকিনসনস ডিজিজ। অন্যদিকে নারীদের মধ্যে আলঝেইমার, ডিপ্রেশন এবং উদ্বেগজনিত সমস্যার হার বেশি। কিন্তু এই পার্থক্যের মূল কারণ কী, তা এতদিন স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।
গবেষণার সহ-লেখক এবং মার্কিন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথের বিজ্ঞানী অ্যালেক্স ডেকাসিয়েন বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার-কে বলেন, মস্তিষ্কে জিনের কার্যক্রমের এই সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো রোগের ঝুঁকি কীভাবে কাজ করে, তা প্রভাবিত করতে পারে। অর্থাৎ, কোনও রোগের জিনগত প্রবণতা থাকলেও পুরুষ বা নারী হওয়ার কারণে তার প্রভাব ভিন্ন হতে পারে।
এই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা মস্তিষ্কের কর্টেক্সের ছয়টি ভিন্ন অঞ্চল থেকে কোষ সংগ্রহ করেন। মোট প্রায় ৩০ জন মানুষের মস্তিষ্কের নমুনা বিশ্লেষণ করা হয়। এতে প্রায় ৬ লাখ ৮০ হাজার এক্সসাইটেটরি নিউরন, ২ লাখ ৯০ হাজার ইনহিবিটরি নিউরন এবং ২ লাখ ৭০ হাজার গ্লিয়ালসহ অন্যান্য কোষ পরীক্ষা করা হয়। এই বিশাল ডেটাসেট থেকে ৪,৩০০-র বেশি জিন বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল হলো, জিন এক্সপ্রেশনের মোট ভিন্নতার মধ্যে লিঙ্গভিত্তিক পার্থক্যের অবদান ১ শতাংশেরও কম। এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নায়ুবিজ্ঞানী ডোনা ম্যানের মতে, এটি মানুষের জিনগত বৈচিত্র্যের সাধারণ বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ– একই লিঙ্গের মানুষের মধ্যেই পার্থক্য বেশি, দুই লিঙ্গের মধ্যে নয়।

তবে এর মধ্যেই গবেষকেরা ৩,৩৮২টি জিন শনাক্ত করেছেন, যেগুলির কার্যক্রম অন্তত একটি মস্তিষ্ক অঞ্চলে লিঙ্গভেদে ভিন্ন। আরও বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ১৩৩টি জিন রয়েছে যেগুলোর এক্সপ্রেশন সব ধরনের কোষ ও সব অঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে ভিন্ন। গবেষকদের ভাষায়, এটি লিঙ্গভিত্তিক জৈবিক প্রভাব বোঝার ক্ষেত্রে একেবারে ‘গ্রাউন্ড জিরো’ বা মূল ভিত্তি।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই জিনগুলোর বেশির ভাগই যৌন ক্রোমোজোমে অবস্থিত নয়। বরং অনেক জিনেই এমন রিসেপ্টর রয়েছে, যা ইস্ট্রোজেন বা টেস্টোস্টেরনের মতো যৌন হরমোন দ্বারা সক্রিয় হতে পারে। এর ফলে বোঝা যায়, শুধুমাত্র ক্রোমোজোম নয়, হরমোনও জিনের কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তবে গবেষকেরা সতর্ক করে দিয়েছেন, এই পার্থক্যগুলোকে শুধুমাত্র জৈবিক কারণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা ঠিক হবে না। পরিবেশগত প্রভাব, জীবনযাপন, সামাজিক অভিজ্ঞতা– সবকিছুই জিন এক্সপ্রেশনে প্রভাব ফেলতে পারে। গবেষণার সহ-লেখক আরমিন রাজনাহান বলেন, মানব সমাজে ‘সেক্স’ (জৈবিক লিঙ্গ) এবং ‘জেন্ডার’ (সামাজিক লিঙ্গ পরিচয়) গভীরভাবে জড়িত। ফলে কোনটি কতটা প্রভাব ফেলছে, তা আলাদা করে নির্ধারণ করা কঠিন।
ডোনা ম্যানের মতে, এই গবেষণা আসলে একটি নির্দিষ্ট সময়ের ‘স্ন্যাপশট’। কিন্তু জিন এক্সপ্রেশন সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে এবং তা বিভিন্ন পরিবেশগত ও শারীরিক অবস্থার দ্বারা প্রভাবিত হয়। তিনি আরও বলেন, মানুষের মস্তিষ্ক অত্যন্ত নমনীয়। ফলে বড় ধরনের জিনগত পার্থক্য থাকলেও তা শুধুমাত্র জন্মগত বা হরমোনজনিত কারণে হয়েছে– এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়।
গবেষকেরা মনে করেন, এই কাজ ভবিষ্যৎ গবেষণার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছে। তবে আরও বৃহৎ জনগোষ্ঠী ও বিভিন্ন পরিবেশগত প্রেক্ষাপটে গবেষণা চালানো প্রয়োজন, যাতে এই ফলাফলগুলো আরও নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
সব মিলিয়ে, এই গবেষণা দেখিয়েছে যে পুরুষ ও নারীর মস্তিষ্কে জিনের কার্যক্রমে পার্থক্য থাকলেও তা অত্যন্ত সূক্ষ্ম এবং জটিল। এই পার্থক্যগুলো স্নায়ুবিক রোগের ঝুঁকি বোঝার ক্ষেত্রে নতুন দিক খুলে দিতে পারে, তবে এর পেছনে জৈবিক ও পরিবেশগত– দুয়েরই ভূমিকা রয়েছে। ভবিষ্যতে এই জটিল সম্পর্ক আরও গভীরভাবে বোঝা গেলে চিকিৎসা বিজ্ঞানে বড় ধরনের অগ্রগতি সম্ভব হতে পারে।