চরচা প্রতিবেদক

দীর্ঘ পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে আইনি প্রক্রিয়া চলার পর অবশেষে আজ বুধবার ঘোষণা হতে যাচ্ছে আলোচিত ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায়। আইনিভাবে বিবাহবিচ্ছেদ না করেই নতুন করে বিয়ে এবং ব্যভিচারের অভিযোগে এই মামলাটি করেছিলেন তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব হাসান।
আজ দুপুরের দিকে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করবেন। রায়ে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা প্রত্যাশা করছেন মামলার বাদী ও তার আইনজীবী। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী আশা প্রকাশ করেছেন যে তারা খালাস পাবেন।
কোন ধারায় কী সাজা হতে পারে?
মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির দুটি ধারা এবং তামিমা সুলতানার বিরুদ্ধে তিনটি ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান জানিয়েছেন, সব কটি ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হলে নাসিরের সর্বোচ্চ ৭ বছর এবং তামিমার সর্বোচ্চ ২১ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
ক্রিকেটার নাসিরের বিরুদ্ধে আনীত ধারা ও সাজা
দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারা (ব্যভিচার/পরকীয়া): এই ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
দণ্ডবিধির ৪৯৮ ধারা (বিবাহিত নারীকে প্রলুব্ধ বা আটক রাখা): অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে কোনো বিবাহিত নারীকে ফুসলিয়ে নিয়ে যাওয়া বা বেআইনিভাবে আটকে রাখার অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
তামিমা সুলতানার বিরুদ্ধে আনীত ধারা ও সাজা
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা (বৈবাহিক সম্পর্ক বলবৎ থাকা অবস্থায় পুনরায় বিয়ে): প্রথম স্বামীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক থাকা অবস্থায় তালাক ব্যতিরেকে গোপনে পুনরায় বিয়ে করার অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।
দণ্ডবিধির ৪৬৮ ধারা (প্রতারণার উদ্দেশ্যে জাল দলিল তৈরি): সাবেক স্বামী রাকিব হাসানকে আইনগতভাবে তালাক না দিয়েই জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা তালাক নোটিশ ও কাগজপত্র তৈরির অভিযোগ এটি। অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে।
দণ্ডবিধির ৪৭১ ধারা (জাল দলিলকে খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করা): জেনেশুনে কোনো জাল দলিলকে আসল হিসেবে ব্যবহার করার অপরাধ প্রমাণিত হলে, আইন অনুযায়ী দলিল জাল করার সমপরিমাণ অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান বলেন, ‘‘আমরা চাই আসামিদের শাস্তির মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক। আদালতের ওপর ভরসা করেই মামলাটি করা হয়েছিল। পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই বিচার প্রক্রিয়ায় আসামিপক্ষ উচ্চ আদালতে রিভিশন আবেদন করলেও ফলাফল তাদের পক্ষে যায়নি। আমরা ১০ জন সাক্ষীর মাধ্যমে মামলার অভিযোগ সফলভাবে প্রমাণ করতে পেরেছি। এই শাস্তির মাধ্যমে সমাজ থেকে ব্যভিচার দূর হবে এবং অন্যের স্ত্রীকে কেড়ে নেওয়ার প্রবণতা কমে আসবে।’’
মামলার বাদী রাকিব হাসান বলেন, ‘‘ইনশাআল্লাহ, ন্যায়বিচার হবে। রায়ের মাধ্যমে সমাজে একটি বার্তা যাক, যেন আমার সাথে যা ঘটেছে তেমনটা আর কারও সাথে না হয়।’’
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেন, ‘‘আমাদের আশা ইতিবাচক। আমরা যুক্তিতর্কের মাধ্যমে আদালতে তুলে ধরেছি কেন আসামিরা খালাস পাবেন। ইনশাআল্লাহ, তারা খালাস পাবেন। তবে বাদীপক্ষ যেভাবে মিডিয়া ক্যাম্পেইন করে রায় পক্ষে নিতে চাচ্ছে, তা আদালত অবমাননার শামিল। এমনকি যে ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়নি, সেটিও তারা আদালতে তুলে ধরেছে।’’
রায় শোনার জন্য নাসির ও তামিমা আজ আদালতে উপস্থিত থাকবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন এই আইনজীবী। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ক্রিকেটার নাসির হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও রাকিব হাসানের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে আট বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। কিন্তু রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল থাকা অবস্থাতেই ২০২০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও ক্রিকেটার নাসির হোসেন বিয়ে করেন।
২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও নাসিরের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। এরপর ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে মামলা করেন রাকিব। সে বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পিবিআই-এর তদন্ত কর্মকর্তা শেখ মিজানুর রহমান তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।
২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। তবে নাসিরের শাশুড়ি সুমি আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এই আদেশের বিরুদ্ধে উভয় পক্ষই উচ্চ আদালতে রিভিশন আবেদন করলেও ২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তা নাকচ হয়ে যায় এবং মামলাটি চলমান থাকে।
২০২৩ সালের ২০ মার্চ বাদী রাকিবের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয় এবং ২০২৫ সালের ১৬ এপ্রিল ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এরপর গত ১০ মার্চ আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি এবং ৩০ মার্চ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত তামিমার সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। গত ৬ মে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য ১০ জুন ধার্য করেন।

দীর্ঘ পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে আইনি প্রক্রিয়া চলার পর অবশেষে আজ বুধবার ঘোষণা হতে যাচ্ছে আলোচিত ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায়। আইনিভাবে বিবাহবিচ্ছেদ না করেই নতুন করে বিয়ে এবং ব্যভিচারের অভিযোগে এই মামলাটি করেছিলেন তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব হাসান।
আজ দুপুরের দিকে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করবেন। রায়ে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা প্রত্যাশা করছেন মামলার বাদী ও তার আইনজীবী। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী আশা প্রকাশ করেছেন যে তারা খালাস পাবেন।
কোন ধারায় কী সাজা হতে পারে?
মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির দুটি ধারা এবং তামিমা সুলতানার বিরুদ্ধে তিনটি ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান জানিয়েছেন, সব কটি ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হলে নাসিরের সর্বোচ্চ ৭ বছর এবং তামিমার সর্বোচ্চ ২১ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
ক্রিকেটার নাসিরের বিরুদ্ধে আনীত ধারা ও সাজা
দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারা (ব্যভিচার/পরকীয়া): এই ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
দণ্ডবিধির ৪৯৮ ধারা (বিবাহিত নারীকে প্রলুব্ধ বা আটক রাখা): অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে কোনো বিবাহিত নারীকে ফুসলিয়ে নিয়ে যাওয়া বা বেআইনিভাবে আটকে রাখার অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
তামিমা সুলতানার বিরুদ্ধে আনীত ধারা ও সাজা
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা (বৈবাহিক সম্পর্ক বলবৎ থাকা অবস্থায় পুনরায় বিয়ে): প্রথম স্বামীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক থাকা অবস্থায় তালাক ব্যতিরেকে গোপনে পুনরায় বিয়ে করার অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।
দণ্ডবিধির ৪৬৮ ধারা (প্রতারণার উদ্দেশ্যে জাল দলিল তৈরি): সাবেক স্বামী রাকিব হাসানকে আইনগতভাবে তালাক না দিয়েই জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা তালাক নোটিশ ও কাগজপত্র তৈরির অভিযোগ এটি। অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে।
দণ্ডবিধির ৪৭১ ধারা (জাল দলিলকে খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করা): জেনেশুনে কোনো জাল দলিলকে আসল হিসেবে ব্যবহার করার অপরাধ প্রমাণিত হলে, আইন অনুযায়ী দলিল জাল করার সমপরিমাণ অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান বলেন, ‘‘আমরা চাই আসামিদের শাস্তির মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক। আদালতের ওপর ভরসা করেই মামলাটি করা হয়েছিল। পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই বিচার প্রক্রিয়ায় আসামিপক্ষ উচ্চ আদালতে রিভিশন আবেদন করলেও ফলাফল তাদের পক্ষে যায়নি। আমরা ১০ জন সাক্ষীর মাধ্যমে মামলার অভিযোগ সফলভাবে প্রমাণ করতে পেরেছি। এই শাস্তির মাধ্যমে সমাজ থেকে ব্যভিচার দূর হবে এবং অন্যের স্ত্রীকে কেড়ে নেওয়ার প্রবণতা কমে আসবে।’’
মামলার বাদী রাকিব হাসান বলেন, ‘‘ইনশাআল্লাহ, ন্যায়বিচার হবে। রায়ের মাধ্যমে সমাজে একটি বার্তা যাক, যেন আমার সাথে যা ঘটেছে তেমনটা আর কারও সাথে না হয়।’’
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেন, ‘‘আমাদের আশা ইতিবাচক। আমরা যুক্তিতর্কের মাধ্যমে আদালতে তুলে ধরেছি কেন আসামিরা খালাস পাবেন। ইনশাআল্লাহ, তারা খালাস পাবেন। তবে বাদীপক্ষ যেভাবে মিডিয়া ক্যাম্পেইন করে রায় পক্ষে নিতে চাচ্ছে, তা আদালত অবমাননার শামিল। এমনকি যে ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়নি, সেটিও তারা আদালতে তুলে ধরেছে।’’
রায় শোনার জন্য নাসির ও তামিমা আজ আদালতে উপস্থিত থাকবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন এই আইনজীবী। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ক্রিকেটার নাসির হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও রাকিব হাসানের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে আট বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। কিন্তু রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল থাকা অবস্থাতেই ২০২০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও ক্রিকেটার নাসির হোসেন বিয়ে করেন।
২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও নাসিরের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। এরপর ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে মামলা করেন রাকিব। সে বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পিবিআই-এর তদন্ত কর্মকর্তা শেখ মিজানুর রহমান তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।
২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। তবে নাসিরের শাশুড়ি সুমি আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এই আদেশের বিরুদ্ধে উভয় পক্ষই উচ্চ আদালতে রিভিশন আবেদন করলেও ২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তা নাকচ হয়ে যায় এবং মামলাটি চলমান থাকে।
২০২৩ সালের ২০ মার্চ বাদী রাকিবের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয় এবং ২০২৫ সালের ১৬ এপ্রিল ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এরপর গত ১০ মার্চ আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি এবং ৩০ মার্চ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত তামিমার সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। গত ৬ মে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য ১০ জুন ধার্য করেন।