চরচা প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা এক মহাযজ্ঞ শুরু করেছিলাম আজ থেকে প্রায় আড়াই মাস আগে, এপ্রিল মাসের ৬ তারিখে। যেখানে আমার জানামতে বিশ্বের সবচাইতে বড় এই আয়োজনে ১১ লাখের বেশি ছাত্র ১১ লাখের বেশি ছাত্রী অর্থাৎ ২২ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ৬৫ হাজারের বেশি স্কুল অংশ নিয়েছিল।”
মুখপাত্র বলেন, “এখানে আমরা দেখেছি যে, ১ লাখ ২৩ হাজারের বেশি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। ইনশাআল্লাহ আমরা যদি এটিকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারি, অবশ্যই আমরা হয়তো সবাই মিলে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি বিশ্বরেকর্ড করে ফেলেছি, অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যার দিক থেকে।”
প্রাথমিক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে আজ শনিবার এসব কথা বলেন মাহ্দী আমিন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, “প্রধানমন্ত্রী এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা চান, যেখানে আমাদের শিক্ষার্থীরা তাদের মেধার বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে পুথিগত বিদ্যার মাধ্যমে। কিন্তু তার চাইতে বেশি জরুরি সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে নৈতিক এবং পারিবারিক মূল্যবোধ। এবং শিক্ষা থাকবে, যার যেখানে ভালো লাগে সেটা হতে পারে। ক্রীড়ার ক্ষেত্রে হতে পারে, সংস্কৃতির ক্ষেত্রে সুপ্ত প্রতিভা এবং সৃজনশীলতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে।”
মাহ্দী আমিন বলেন, “আজকে এখানে যারা জয়ী হয়েছে, যারা পরাজিত হয়েছে–শুধু তাঁদের না, যে ২২ লাখ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে আজকের এই বিজয় তাদের প্রত্যেকের। যেই আগামীর বাংলাদেশ আমরা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে, অনবদ্য ভালোবাসা এবং প্রত্যয়ের মাধ্যমে বিনির্মাণ করতে চাই, সেই বাংলাদেশ বিনির্মানের কারিগর এই খেলোয়ারেরা। তাদের জন্য রইলো শুভকামনা এবং সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা নিয়ে আমরা তাদের পাশে থাকব ইনশাআল্লাহ।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা এক মহাযজ্ঞ শুরু করেছিলাম আজ থেকে প্রায় আড়াই মাস আগে, এপ্রিল মাসের ৬ তারিখে। যেখানে আমার জানামতে বিশ্বের সবচাইতে বড় এই আয়োজনে ১১ লাখের বেশি ছাত্র ১১ লাখের বেশি ছাত্রী অর্থাৎ ২২ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ৬৫ হাজারের বেশি স্কুল অংশ নিয়েছিল।”
মুখপাত্র বলেন, “এখানে আমরা দেখেছি যে, ১ লাখ ২৩ হাজারের বেশি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। ইনশাআল্লাহ আমরা যদি এটিকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারি, অবশ্যই আমরা হয়তো সবাই মিলে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি বিশ্বরেকর্ড করে ফেলেছি, অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যার দিক থেকে।”
প্রাথমিক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে আজ শনিবার এসব কথা বলেন মাহ্দী আমিন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, “প্রধানমন্ত্রী এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা চান, যেখানে আমাদের শিক্ষার্থীরা তাদের মেধার বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে পুথিগত বিদ্যার মাধ্যমে। কিন্তু তার চাইতে বেশি জরুরি সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে নৈতিক এবং পারিবারিক মূল্যবোধ। এবং শিক্ষা থাকবে, যার যেখানে ভালো লাগে সেটা হতে পারে। ক্রীড়ার ক্ষেত্রে হতে পারে, সংস্কৃতির ক্ষেত্রে সুপ্ত প্রতিভা এবং সৃজনশীলতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে।”
মাহ্দী আমিন বলেন, “আজকে এখানে যারা জয়ী হয়েছে, যারা পরাজিত হয়েছে–শুধু তাঁদের না, যে ২২ লাখ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে আজকের এই বিজয় তাদের প্রত্যেকের। যেই আগামীর বাংলাদেশ আমরা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে, অনবদ্য ভালোবাসা এবং প্রত্যয়ের মাধ্যমে বিনির্মাণ করতে চাই, সেই বাংলাদেশ বিনির্মানের কারিগর এই খেলোয়ারেরা। তাদের জন্য রইলো শুভকামনা এবং সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা নিয়ে আমরা তাদের পাশে থাকব ইনশাআল্লাহ।