চরচা ডেস্ক

মানবাধিকারকর্মী ও চাকমা রানী য়েন য়েনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও সেনাবাহিনী নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সতর্কতামূলক চিঠির ঘটনায় ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক।
এক সংবাদ বিবৃতিতে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর একে ‘নগ্ন অপচেষ্টা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তারা।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৬ এপ্রিল রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী স্বাক্ষরিত একটি চিঠি রানী য়েন য়েনকে পাঠানো হয়। চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যমতে রানী য়েন য়েন আন্তর্জাতিক ফোরামে রাষ্ট্র ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এর আগে গত ২ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তাকে সতর্ক করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চিঠিতে কোনো সুনির্দিষ্ট ঘটনার উল্লেখ নেই। শুধুমাত্র ‘গোয়েন্দা রিপোর্টের’ দোহাই দিয়ে একজন নাগরিককে এভাবে সতর্ক করা হয়রানি ও মর্যাদাহানির শামিল।
চিঠিতে রানী য়েন য়েন কর্তৃক পার্বত্য জনগোষ্ঠীর সদস্যদের ঐক্যবদ্ধ করার যে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে, তার প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া সংবিধান স্বীকৃত মৌলিক অধিকার। যারা বিভক্তি চায়, তারাই এই প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিগত ১৬ বছর ধরে চলা হয়রানির সংস্কৃতি বর্তমান নির্বাচিত সরকারের আমলেও বজায় রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদ করলেই ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ তকমা দেওয়ার যে ধারা, এটি তারই ধারাবাহিকতা।
বিবৃতি প্রদানকারী ১৭ জন নাগরিক অবিলম্বে রানী য়েন য়েনের ওপর থেকে এই ‘হয়রানিমূলক’ চিঠি প্রত্যাহার এবং একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা রোধে এমন পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর আহ্বান জানিয়েছেন।

মানবাধিকারকর্মী ও চাকমা রানী য়েন য়েনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও সেনাবাহিনী নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সতর্কতামূলক চিঠির ঘটনায় ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক।
এক সংবাদ বিবৃতিতে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর একে ‘নগ্ন অপচেষ্টা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তারা।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৬ এপ্রিল রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী স্বাক্ষরিত একটি চিঠি রানী য়েন য়েনকে পাঠানো হয়। চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যমতে রানী য়েন য়েন আন্তর্জাতিক ফোরামে রাষ্ট্র ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এর আগে গত ২ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তাকে সতর্ক করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চিঠিতে কোনো সুনির্দিষ্ট ঘটনার উল্লেখ নেই। শুধুমাত্র ‘গোয়েন্দা রিপোর্টের’ দোহাই দিয়ে একজন নাগরিককে এভাবে সতর্ক করা হয়রানি ও মর্যাদাহানির শামিল।
চিঠিতে রানী য়েন য়েন কর্তৃক পার্বত্য জনগোষ্ঠীর সদস্যদের ঐক্যবদ্ধ করার যে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে, তার প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া সংবিধান স্বীকৃত মৌলিক অধিকার। যারা বিভক্তি চায়, তারাই এই প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিগত ১৬ বছর ধরে চলা হয়রানির সংস্কৃতি বর্তমান নির্বাচিত সরকারের আমলেও বজায় রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদ করলেই ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ তকমা দেওয়ার যে ধারা, এটি তারই ধারাবাহিকতা।
বিবৃতি প্রদানকারী ১৭ জন নাগরিক অবিলম্বে রানী য়েন য়েনের ওপর থেকে এই ‘হয়রানিমূলক’ চিঠি প্রত্যাহার এবং একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা রোধে এমন পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর আহ্বান জানিয়েছেন।