চরচা ডেস্ক

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে স্ট্যান্ড রিলিজ অর্থাৎ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খান সই করা এক পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়। পরিপত্রে তাকে ২১ জুনের মধ্যে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
খুলনার লবণচরা থানার মহিরবাড়ি খালপাড় এলাকায় পুলিশ ও স্থানীয়দের এক মতবিনিময় সভায় ওই অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির চিত্র ফুটে উঠেছে। সভায় স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, গত দুই বছরে একাধিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তৎপরতায় সেখানে ৮৯ জন নিহত হয়েছেন এবং গুলি ও কোপে জখম হয়েছেন শতাধিক মানুষ। অপরাধপ্রবণ এই এলাকায় চরম আতঙ্কের কারণে অনেকেই থানায় অভিযোগ করার সাহস পান না।
অন্যদিকে পুলিশের কাছে গোপন তথ্য দিলে তা পুলিশ থেকেই ফাঁস হয়ে যায়—এমন অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা কর্মকর্তাদের আগে নিজেদের আচরণ ও কার্যক্রমে পরিবর্তন আনার পরামর্শ দেন।
এর জবাবে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রাশিদুল ইসলাম আশ্বস্ত করে জানান, কোনো তথ্য ফাঁস হলে তিনি সংশ্লিষ্ট ইনস্পেক্টরকে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে পেটানোর ব্যবস্থা করবেন এবং জনগণও তাকে পিটিয়ে মারতে পারবে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে। বিবৃতিতে বলা হয়, পুলিশ বাহিনীর সদস্য ও কর্মকর্তাদের প্রকাশ্য বক্তব্যে সর্বদা পেশাদারিত্ব, সংযম ও প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যবোধের প্রতিফলন থাকা বাঞ্ছনীয়, যা বাহিনীর মর্যাদা ও জনগণের আস্থা সুদৃঢ় করবে। ভবিষ্যতে সব পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যদের বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও সতর্ক এবং দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানায় সংগঠনটি। পাশাপাশি, বাহিনীর সর্বস্তরে পারস্পরিক সম্মান ও ইতিবাচক কর্মপরিবেশ বজায় রাখার তাগিদ দেওয়া হয়।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে স্ট্যান্ড রিলিজ অর্থাৎ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খান সই করা এক পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়। পরিপত্রে তাকে ২১ জুনের মধ্যে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
খুলনার লবণচরা থানার মহিরবাড়ি খালপাড় এলাকায় পুলিশ ও স্থানীয়দের এক মতবিনিময় সভায় ওই অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির চিত্র ফুটে উঠেছে। সভায় স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, গত দুই বছরে একাধিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তৎপরতায় সেখানে ৮৯ জন নিহত হয়েছেন এবং গুলি ও কোপে জখম হয়েছেন শতাধিক মানুষ। অপরাধপ্রবণ এই এলাকায় চরম আতঙ্কের কারণে অনেকেই থানায় অভিযোগ করার সাহস পান না।
অন্যদিকে পুলিশের কাছে গোপন তথ্য দিলে তা পুলিশ থেকেই ফাঁস হয়ে যায়—এমন অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা কর্মকর্তাদের আগে নিজেদের আচরণ ও কার্যক্রমে পরিবর্তন আনার পরামর্শ দেন।
এর জবাবে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রাশিদুল ইসলাম আশ্বস্ত করে জানান, কোনো তথ্য ফাঁস হলে তিনি সংশ্লিষ্ট ইনস্পেক্টরকে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে পেটানোর ব্যবস্থা করবেন এবং জনগণও তাকে পিটিয়ে মারতে পারবে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে। বিবৃতিতে বলা হয়, পুলিশ বাহিনীর সদস্য ও কর্মকর্তাদের প্রকাশ্য বক্তব্যে সর্বদা পেশাদারিত্ব, সংযম ও প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যবোধের প্রতিফলন থাকা বাঞ্ছনীয়, যা বাহিনীর মর্যাদা ও জনগণের আস্থা সুদৃঢ় করবে। ভবিষ্যতে সব পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যদের বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও সতর্ক এবং দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানায় সংগঠনটি। পাশাপাশি, বাহিনীর সর্বস্তরে পারস্পরিক সম্মান ও ইতিবাচক কর্মপরিবেশ বজায় রাখার তাগিদ দেওয়া হয়।