চরচা প্রতিবেদক

দেশে চীনা বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে তার অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চীন ও বাংলাদেশ বহুদিনের বন্ধু। আঞ্চলিক, কৌশলগত ও ভৌগোলিক বাস্তবতায় দুই দেশের সম্পর্ক নতুন মাত্রায় উন্নীত করার সময় এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, চীন ইতোমধ্যে বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পে বড় বিনিয়োগকারী হিসেবে ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতে এই বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর অনুরোধ জানান মন্ত্রী।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তিনি জানান, বাংলাদেশে প্রায় ১০ হাজার চীনা নাগরিক কাজ করছেন। নিরাপত্তা ও উন্নয়ন পরস্পরসংশ্লিষ্ট উল্লেখ করে তিনি বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। জবাবে মন্ত্রী বলেন, নতুন সরকারের প্রথম অগ্রাধিকারই আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত চীনের জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গঠিতব্য ‘টেলিযোগাযোগ ও সাইবার প্রতারণা দমন আন্তর্জাতিক জোট’ বাংলাদেশের যোগদানের অনুরোধ জানান। মন্ত্রী জানান, প্রস্তাবটি আলোচনা করা হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দুই দেশের মধ্যে ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশিক্ষণ সহযোগিতা বিষয়ক কর্মপরিকল্পনা’র মেয়াদ ২০২৩ সালে শেষ হয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চুক্তি পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তিনি ভবিষ্যতে চীন সফরের আগ্রহের কথাও রাষ্ট্রদূতকে জানান।
বৈঠকে দু'দেশের মধ্যে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং সাইবার অপরাধ দমন, পুলিশ প্রশিক্ষণ খাতে সহযোগিতা, ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার সহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী সহ মন্ত্রণালয় ও চীনা দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দেশে চীনা বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে তার অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চীন ও বাংলাদেশ বহুদিনের বন্ধু। আঞ্চলিক, কৌশলগত ও ভৌগোলিক বাস্তবতায় দুই দেশের সম্পর্ক নতুন মাত্রায় উন্নীত করার সময় এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, চীন ইতোমধ্যে বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পে বড় বিনিয়োগকারী হিসেবে ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতে এই বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর অনুরোধ জানান মন্ত্রী।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তিনি জানান, বাংলাদেশে প্রায় ১০ হাজার চীনা নাগরিক কাজ করছেন। নিরাপত্তা ও উন্নয়ন পরস্পরসংশ্লিষ্ট উল্লেখ করে তিনি বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। জবাবে মন্ত্রী বলেন, নতুন সরকারের প্রথম অগ্রাধিকারই আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত চীনের জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গঠিতব্য ‘টেলিযোগাযোগ ও সাইবার প্রতারণা দমন আন্তর্জাতিক জোট’ বাংলাদেশের যোগদানের অনুরোধ জানান। মন্ত্রী জানান, প্রস্তাবটি আলোচনা করা হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দুই দেশের মধ্যে ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশিক্ষণ সহযোগিতা বিষয়ক কর্মপরিকল্পনা’র মেয়াদ ২০২৩ সালে শেষ হয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চুক্তি পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তিনি ভবিষ্যতে চীন সফরের আগ্রহের কথাও রাষ্ট্রদূতকে জানান।
বৈঠকে দু'দেশের মধ্যে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং সাইবার অপরাধ দমন, পুলিশ প্রশিক্ষণ খাতে সহযোগিতা, ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার সহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী সহ মন্ত্রণালয় ও চীনা দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।