চরচা ডেস্ক

ঈদে সারা দেশেই ভ্যাপসা গরম ও বৃষ্টি হতে পারে। আজ শনিবার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ. কে. এম. নাজমুল হক এ তথ্য জানান।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের আবহাওয়াবিদ এ. কে. এম. নাজমুল হক বলেন, “বাংলাদেশে মোট আটটি বিভাগ থাকলেও এই ছোট্ট দেশের ভেতরেই আবহাওয়ার ধরনে লক্ষণীয় পার্থক্য দেখা যায়। বর্তমানে মূল ফোকাস করা হচ্ছে রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও ঢাকা বিভাগের পূর্বাংশ-নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ–এই অঞ্চলগুলোতে ঈদের সময়টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।”
তবে দেশের রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট এবং ঢাকা বিভাগের পূর্বাংশের জেলাগুলোতে ঈদের দিন বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা বেশি। এসব অঞ্চলে ঈদের আগে, পরে এবং ঈদের দিন মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
পাশাপাশি অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানো এবং হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
একই সময়ে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল এবং ঢাকা মহানগরসহ ঢাকা বিভাগের কেন্দ্রীয় অংশে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকলেও তা তুলনামূলকভাবে কম জানিয়ে নাজমুল হক বলেন, “এপ্রিল-মে মাসে প্রায়ই লোকালাইজড ক্লাউড সেল তৈরি হয়। এর ফলে হঠাৎ করে ৮-১০ মিনিটের এক পশলা বৃষ্টি হয়ে যায়। এই পরিবর্তনশীলতার কারণে শতভাগ নিখুঁত পূর্বাভাস দেওয়া এখনো সম্ভব নয়। অনেক সময় পূর্বাভাসে যে সময় বলা হয়, তার তিন ঘণ্টা আগেই বৃষ্টি শুরু হয়ে যেতে দেখা যায়। টাইম-স্পেসিফিক বা পিন-পয়েন্ট পূর্বাভাস দেওয়া এখনো বেশ কঠিন।”
রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেটের পাশাপাশি উত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চল-কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনীসহ বেশ কয়েকটি জেলাতেও ঈদের সময় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান নাজমুল হক।

ঈদে সারা দেশেই ভ্যাপসা গরম ও বৃষ্টি হতে পারে। আজ শনিবার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ. কে. এম. নাজমুল হক এ তথ্য জানান।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের আবহাওয়াবিদ এ. কে. এম. নাজমুল হক বলেন, “বাংলাদেশে মোট আটটি বিভাগ থাকলেও এই ছোট্ট দেশের ভেতরেই আবহাওয়ার ধরনে লক্ষণীয় পার্থক্য দেখা যায়। বর্তমানে মূল ফোকাস করা হচ্ছে রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও ঢাকা বিভাগের পূর্বাংশ-নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ–এই অঞ্চলগুলোতে ঈদের সময়টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।”
তবে দেশের রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট এবং ঢাকা বিভাগের পূর্বাংশের জেলাগুলোতে ঈদের দিন বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা বেশি। এসব অঞ্চলে ঈদের আগে, পরে এবং ঈদের দিন মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
পাশাপাশি অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানো এবং হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
একই সময়ে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল এবং ঢাকা মহানগরসহ ঢাকা বিভাগের কেন্দ্রীয় অংশে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকলেও তা তুলনামূলকভাবে কম জানিয়ে নাজমুল হক বলেন, “এপ্রিল-মে মাসে প্রায়ই লোকালাইজড ক্লাউড সেল তৈরি হয়। এর ফলে হঠাৎ করে ৮-১০ মিনিটের এক পশলা বৃষ্টি হয়ে যায়। এই পরিবর্তনশীলতার কারণে শতভাগ নিখুঁত পূর্বাভাস দেওয়া এখনো সম্ভব নয়। অনেক সময় পূর্বাভাসে যে সময় বলা হয়, তার তিন ঘণ্টা আগেই বৃষ্টি শুরু হয়ে যেতে দেখা যায়। টাইম-স্পেসিফিক বা পিন-পয়েন্ট পূর্বাভাস দেওয়া এখনো বেশ কঠিন।”
রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেটের পাশাপাশি উত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চল-কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনীসহ বেশ কয়েকটি জেলাতেও ঈদের সময় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান নাজমুল হক।