চরচা ডেস্ক

একটি সংকীর্ণ সমুদ্রপথ, যার ওপর নির্ভর করছে পুরো বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ। আর সেই পথ ঘিরেই মুখোমুখি বিশ্বের দুই শক্তিশালী দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
এই উত্তেজনার মাঝেই শুরু হতে যাচ্ছে এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিতে পাকিস্তানে গেছেন।
যাত্রার আগে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “ইরানিরা যদি সদিচ্ছার সঙ্গে আলোচনা করতে চায়, তবে আমরা অবশ্যই বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত।”
তবে ভাইস প্রেসিডেন্ট একটি সতর্কবার্তাও দিয়ে রেখেছেন। তিনি বলেছেন, ইরান যদি চতুরতা করার চেষ্টা করে, তবে দেখবে যে এই প্রতিনিধি দল মোটেও নমনীয় নয়।
ভ্যান্স আরও জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আলোচনার বিষয়ে প্রতিনিধি দলকে বেশ কিছু স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়ে দিয়েছেন।
মার্কিন এই প্রতিনিধি দলে আরও রয়েছেন প্রেসিডেন্টের জামাতা জ্যারেড কুশনার, যিনি ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছিলেন ও মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।
এই দুই ব্যক্তিই এর আগে ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধ বন্ধে এবং রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
এই বৈঠকের ওপরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নির্ভর করছে, যার মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া অন্যতম।
তবে সাবেক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বারবারা লিফ আল জাজিরাকে বলেন, “বিষয়টি এমন নয় যে ট্রাম্প প্রশাসনের হাতে কোনো সুযোগ নেই। সমস্যা হলো আমেরিকার ওপর যে চাপের দিকগুলো দৃশ্যমান, সেগুলোর সময় ফুরিয়ে আসছে। অন্যদিকে ইরানের চাপের জায়গাগুলো ততটা স্পষ্ট নয়।”
লিফ জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতের ফলে ইরান আগের চেয়ে আরও সাহসী, উগ্র এবং আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে।
ইসলামাবাদে আলোচনার আগে লিফ আল জাজিরাকে আরও বলেন, “প্রণালিটি বন্ধ হওয়া বা শর্তসাপেক্ষে খোলার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলে তা আমেরিকার অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলবে।”
তিনি বলেন, “ইরান সহজে এই সুযোগ হাতছাড়া করবে না, কিন্তু এটি আমাদের জন্য একটি পাস বা ফেল পরীক্ষা; যেভাবেই হোক আমাদের এটি পুনরায় উন্মুক্ত করতে হবে।
ইসলামাবাদে শুরু হতে যাওয়া এই শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করায় বেশ উৎসবমুখর মেজাজে রয়েছে পাকিস্তান।
রাজধানীর রাস্তায় ডিজিটাল বিলবোর্ডগুলোতে শোভা পাচ্ছে ‘ইসলামাবাদ টকস’ লেখা। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পতাকার মাঝে রাখা হয়েছে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় প্রতীক। শান্তি আলোচনায় নিজেদের এই বিশেষ ভূমিকাকে স্মরণীয় করে রাখতে দেশটিতে দুই দিনের সরকারি ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে।
পুরো বিশ্বের নজর এখন এই আলোচনার দিকে- সব দেশই চায় যুদ্ধের অবসান এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত হোক। তবে পাকিস্তানের জন্য এই আলোচনার গুরুত্ব ও ঝুঁকি আরও ভিন্ন মাত্রার।
সিঙ্গাপুরের নানয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ আব্দুল বাসিত বিবিসিকে বলেন, যদি এই আলোচনা ব্যর্থ হয়, তবে পাকিস্তান এক ‘ভয়াবহ পরিস্থিতির’ মুখোমুখি হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশ ইরানের সাথে চলমান এই লড়াইয়ে পাকিস্তানও জড়িয়ে পড়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।
তা সত্ত্বেও পাকিস্তানের সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন গর্বের আমেজ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

একটি সংকীর্ণ সমুদ্রপথ, যার ওপর নির্ভর করছে পুরো বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ। আর সেই পথ ঘিরেই মুখোমুখি বিশ্বের দুই শক্তিশালী দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
এই উত্তেজনার মাঝেই শুরু হতে যাচ্ছে এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিতে পাকিস্তানে গেছেন।
যাত্রার আগে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “ইরানিরা যদি সদিচ্ছার সঙ্গে আলোচনা করতে চায়, তবে আমরা অবশ্যই বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত।”
তবে ভাইস প্রেসিডেন্ট একটি সতর্কবার্তাও দিয়ে রেখেছেন। তিনি বলেছেন, ইরান যদি চতুরতা করার চেষ্টা করে, তবে দেখবে যে এই প্রতিনিধি দল মোটেও নমনীয় নয়।
ভ্যান্স আরও জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আলোচনার বিষয়ে প্রতিনিধি দলকে বেশ কিছু স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়ে দিয়েছেন।
মার্কিন এই প্রতিনিধি দলে আরও রয়েছেন প্রেসিডেন্টের জামাতা জ্যারেড কুশনার, যিনি ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছিলেন ও মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।
এই দুই ব্যক্তিই এর আগে ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধ বন্ধে এবং রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
এই বৈঠকের ওপরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নির্ভর করছে, যার মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া অন্যতম।
তবে সাবেক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বারবারা লিফ আল জাজিরাকে বলেন, “বিষয়টি এমন নয় যে ট্রাম্প প্রশাসনের হাতে কোনো সুযোগ নেই। সমস্যা হলো আমেরিকার ওপর যে চাপের দিকগুলো দৃশ্যমান, সেগুলোর সময় ফুরিয়ে আসছে। অন্যদিকে ইরানের চাপের জায়গাগুলো ততটা স্পষ্ট নয়।”
লিফ জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতের ফলে ইরান আগের চেয়ে আরও সাহসী, উগ্র এবং আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে।
ইসলামাবাদে আলোচনার আগে লিফ আল জাজিরাকে আরও বলেন, “প্রণালিটি বন্ধ হওয়া বা শর্তসাপেক্ষে খোলার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলে তা আমেরিকার অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলবে।”
তিনি বলেন, “ইরান সহজে এই সুযোগ হাতছাড়া করবে না, কিন্তু এটি আমাদের জন্য একটি পাস বা ফেল পরীক্ষা; যেভাবেই হোক আমাদের এটি পুনরায় উন্মুক্ত করতে হবে।
ইসলামাবাদে শুরু হতে যাওয়া এই শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করায় বেশ উৎসবমুখর মেজাজে রয়েছে পাকিস্তান।
রাজধানীর রাস্তায় ডিজিটাল বিলবোর্ডগুলোতে শোভা পাচ্ছে ‘ইসলামাবাদ টকস’ লেখা। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পতাকার মাঝে রাখা হয়েছে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় প্রতীক। শান্তি আলোচনায় নিজেদের এই বিশেষ ভূমিকাকে স্মরণীয় করে রাখতে দেশটিতে দুই দিনের সরকারি ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে।
পুরো বিশ্বের নজর এখন এই আলোচনার দিকে- সব দেশই চায় যুদ্ধের অবসান এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত হোক। তবে পাকিস্তানের জন্য এই আলোচনার গুরুত্ব ও ঝুঁকি আরও ভিন্ন মাত্রার।
সিঙ্গাপুরের নানয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ আব্দুল বাসিত বিবিসিকে বলেন, যদি এই আলোচনা ব্যর্থ হয়, তবে পাকিস্তান এক ‘ভয়াবহ পরিস্থিতির’ মুখোমুখি হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশ ইরানের সাথে চলমান এই লড়াইয়ে পাকিস্তানও জড়িয়ে পড়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।
তা সত্ত্বেও পাকিস্তানের সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন গর্বের আমেজ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।