বিশ্বকাপে ২০ বছর ধরে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় হারেনি নেদারল্যান্ডস।
চরচা ডেস্ক

ডালাসে রোববার রাতে ‘এফ’ গ্রুপে জাপানের বিপক্ষে ম্যাচে শ্রেয়তর ফুটবল খেলেও জিততে পারেনি নেদারল্যান্ডস। ড্র হয়েছে ২-২ গোলে। তিন পয়েন্ট না পেলেও বিশ্বকাপে নিজেদের একটি রেকর্ড অক্ষুণ্ণ রাখতে সমর্থ হয়েছে ডাচরা।
আর তা হল, বিশ্বকাপে ২০ বছর ধরে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় হারেনি নেদারল্যান্ডস। বিস্ময়করই বটে।
২০০৬ সালের পর থেকে বিশ্বকাপে কোনো দল ৯০ মিনিটের মধ্যে নেদারল্যান্ডসকে হারাতে পারেনি। ২০১০ সালে ফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজয় বরণ করতে হয়েছিল অতিরিক্ত সময়ে।
২০১৪ সালে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের সেমিফাইনাল ম্যাচটি হেরে যায় টাইব্রেকারে। ১২০ মিনিটের লড়াই শেষ হয়েছিল গোলশূন্য সমতায়।
২০১৮ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডস খেলার যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হয়। ২০২২ সালে সেই আর্জেন্টিনার কাছে টাইব্রেকারে হেরে শেষ আট থেকে বিদায় নিতে হয় তাদের।
অর্থাৎ শেষবার নেদারল্যান্ডস ৯০ মিনিটের খেলায় হেরেছিল ২০০৬ বিশ্বকাপে। সেবার শেষ ষোলোতে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল পর্তুগাল। ব্যাটেল অব নুরেমবার্গ খ্যাত ১৬ হলুদ কার্ড ও ৪টি লাল কার্ডের সেই ম্যাচে পর্তুগাল জিতেছিল ১-০ গোলে।

ডালাসে রোববার রাতে ‘এফ’ গ্রুপে জাপানের বিপক্ষে ম্যাচে শ্রেয়তর ফুটবল খেলেও জিততে পারেনি নেদারল্যান্ডস। ড্র হয়েছে ২-২ গোলে। তিন পয়েন্ট না পেলেও বিশ্বকাপে নিজেদের একটি রেকর্ড অক্ষুণ্ণ রাখতে সমর্থ হয়েছে ডাচরা।
আর তা হল, বিশ্বকাপে ২০ বছর ধরে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় হারেনি নেদারল্যান্ডস। বিস্ময়করই বটে।
২০০৬ সালের পর থেকে বিশ্বকাপে কোনো দল ৯০ মিনিটের মধ্যে নেদারল্যান্ডসকে হারাতে পারেনি। ২০১০ সালে ফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজয় বরণ করতে হয়েছিল অতিরিক্ত সময়ে।
২০১৪ সালে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের সেমিফাইনাল ম্যাচটি হেরে যায় টাইব্রেকারে। ১২০ মিনিটের লড়াই শেষ হয়েছিল গোলশূন্য সমতায়।
২০১৮ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডস খেলার যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হয়। ২০২২ সালে সেই আর্জেন্টিনার কাছে টাইব্রেকারে হেরে শেষ আট থেকে বিদায় নিতে হয় তাদের।
অর্থাৎ শেষবার নেদারল্যান্ডস ৯০ মিনিটের খেলায় হেরেছিল ২০০৬ বিশ্বকাপে। সেবার শেষ ষোলোতে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল পর্তুগাল। ব্যাটেল অব নুরেমবার্গ খ্যাত ১৬ হলুদ কার্ড ও ৪টি লাল কার্ডের সেই ম্যাচে পর্তুগাল জিতেছিল ১-০ গোলে।