চরচা ডেস্ক

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বহুমুখী হামলার জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম গত দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আজ সোমবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ৩ শতাংশেরও বেশি বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত ১৯ মার্চের পর এটিই তেলের সর্বোচ্চ দাম।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকারের হুঁশিয়ারি এবং স্থল অভিযানের প্রস্তুতির খবরে বাজার আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। এদিকে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এর প্রভাবে এশিয়ার প্রধান শেয়ার বাজারগুলোতেও বড় ধস নেমেছে; জাপানের নিক্কেই এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি সূচক ৪ শতাংশের বেশি পড়ে গেছে।
বিশ্বের মোট তেল ও এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যাতায়াত করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। ইরান এই পথটি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ব গত কয়েক দশকের মধ্যে ভয়াবহতম জ্বালানি সংকটে পড়েছে। যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত তেলের দাম প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ৬ এপ্রিলের মধ্যে ইরানকে এই নৌপথের অবরোধ তুলে নেওয়ার আল্টিমেটাম দিয়েছেন, অন্যথায় ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
তবে এর মধ্যেই কিছুটা আশার আলো দেখছেন ট্রাম্প। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় পরোক্ষ আলোচনার মাধ্যমে একটি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে তিনি ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। যদিও তেহরান ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে নিজস্ব শর্তে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়েছে।
ওনিক্স ক্যাপিটাল গ্রুপের সিইও গ্রেগ নিউম্যান সতর্ক করে বলেছেন, তেলের এই সংকট কেবল শুরু, সামনে দাম ১২০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক করতে ইরান বর্তমানে পাকিস্তান ও মালয়েশিয়ার মতো বন্ধুপ্রতিম দেশের জাহাজগুলোকে প্রণালী পার হওয়ার অনুমতি দিচ্ছে, তবে তা যুদ্ধপূর্ব সময়ের তুলনায় একেবারেই সামান্য।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বহুমুখী হামলার জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম গত দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আজ সোমবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ৩ শতাংশেরও বেশি বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত ১৯ মার্চের পর এটিই তেলের সর্বোচ্চ দাম।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকারের হুঁশিয়ারি এবং স্থল অভিযানের প্রস্তুতির খবরে বাজার আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। এদিকে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এর প্রভাবে এশিয়ার প্রধান শেয়ার বাজারগুলোতেও বড় ধস নেমেছে; জাপানের নিক্কেই এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি সূচক ৪ শতাংশের বেশি পড়ে গেছে।
বিশ্বের মোট তেল ও এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যাতায়াত করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। ইরান এই পথটি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ব গত কয়েক দশকের মধ্যে ভয়াবহতম জ্বালানি সংকটে পড়েছে। যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত তেলের দাম প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ৬ এপ্রিলের মধ্যে ইরানকে এই নৌপথের অবরোধ তুলে নেওয়ার আল্টিমেটাম দিয়েছেন, অন্যথায় ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
তবে এর মধ্যেই কিছুটা আশার আলো দেখছেন ট্রাম্প। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় পরোক্ষ আলোচনার মাধ্যমে একটি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে তিনি ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। যদিও তেহরান ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে নিজস্ব শর্তে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়েছে।
ওনিক্স ক্যাপিটাল গ্রুপের সিইও গ্রেগ নিউম্যান সতর্ক করে বলেছেন, তেলের এই সংকট কেবল শুরু, সামনে দাম ১২০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক করতে ইরান বর্তমানে পাকিস্তান ও মালয়েশিয়ার মতো বন্ধুপ্রতিম দেশের জাহাজগুলোকে প্রণালী পার হওয়ার অনুমতি দিচ্ছে, তবে তা যুদ্ধপূর্ব সময়ের তুলনায় একেবারেই সামান্য।