চরচা প্রতিবেদক

ইকুয়েডরের ওই ছেলেটির কান্না খেয়াল করেছেন? টেলিভিশনের পর্দায় ভেসে উঠেছিল এক কিশোরের মুখ। সে কাঁদছে আর কায়োমনবাক্যে করছে প্রার্থনা। তার দেশ যে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের অপেক্ষায়। রেফারির শেষ বাঁশির সঙ্গে সঙ্গে ইকুয়েডর জিতে যাবে, উঠে যাবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে। সেই জয় যেন–তেন জয় নয়, চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানির বিপক্ষে!
বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই এমন কিছু চমৎকার আবেগঘন মুহূর্ত। যে ম্যাচটি হয়তো অনেকেই দেখেননি, আকর্ষণ অনুভব করেননি বলে, সেই ম্যাচই জন্ম দিল ইতিহাসের। কাল রাতে জার্মানি আর ইকুয়েডরের ম্যাচটি ছিল এমন কিছুই। কিন্তু কী আশ্চর্য! সে ম্যাচেই ইকুয়েডর ২–১ গোলে হারিয়ে দিল জার্মানিকে!
ইকুয়েডরের জন্য ম্যাচটি ছিল বাঁচা–মরার। আগের দুই ম্যাচে ভালো খেলেও জয় আসেনি তাদের। উল্টো একাধিক ভালো গোলের সুযোগ নষ্ট করার দায় মাথায় নিতে হয়েছে তাদের। ভাগ্যও খুব একটা সহায়ক হয়নি। দুই ম্যাচেই পোস্টে লেগে গোল–বঞ্চিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শেষ ম্যাচ জার্মানির বিপক্ষে পরের রাউন্ডে যেতে হলে জয় ভিন্ন অন্য কিছু ভাবার অবকাশ ছিল না ইকুয়েডরের। কাজটা অনেক কঠিন ছিল। কিন্তু সেই কাজটিই করল লাতিন দেশটি।

ম্যাচ শেষে ইকুয়েডরের খেলোয়াড়দের অনেকেই কেঁদেছেন, কেউ কেউ হাঁটু গেড়ে বসে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। জার্মানিকে হারিয়ে এক ইতিহাসের নির্মাণ দেখল ফুটবল দুনিয়া বিশ্বকাপে। গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ কী কারণে বিশ্বকাপকে বলা হয়, আরও একবার প্রমাণ মিলল।
আইভরিকোস্টের বিপক্ষে তারা হেরেছিল ৯০ মিনিটের মাথায় গোল খেয়ে। কুরাসাওয়ের বিপক্ষে এলয় রম নামের এক গোলরক্ষকের অবিশ্বাস্য ১৫টি সেভ গোল পেতে দেয়নি ইকুয়েডরকে। দুই ম্যাচে ১ পয়েন্ট নিয়ে জার্মানির বিপক্ষে ম্যাচে বড় স্বপ্ন বোধহয় কেউই দেখেননি। কিন্তু কী আশ্চর্য! নিজেদের সেরা খেলাটা জার্মানির বিপক্ষেই খেলল ইকুয়েডর।
শুরুতে এগিয়ে গিয়েছিল অবশ্য জার্মানি। লিরয় সানের গোলটি ছিল বক্সের মধ্যে বাঁকানো এক শটে। ৯ মিনিটের মাথায় সেই গোল শোধ করে দেন ইকুয়েডরের নিলসন আনহুলো।
এরপরই খেলা হয়েছে আক্রমণে–প্রতি আক্রমণে। ইকুয়েডর কিছু গোলের সুযোগও তৈরি করে। ম্যাচের ৭৭ মিনিটে জার্মানিকে হতবাক করে দিয়ে দ্বিতীয় গোলটি করে ফেলে ইকুয়েডর। কর্নার থেকে আসা বলে পা ছুঁইয়ে গোল করেন গঞ্জালো প্লাতা। ওই সময় অবশ্য ইকুয়েডরেরই গোলের সম্ভাবনা বেশি ছিল। ম্যাচে আধিপত্য ছিল তাদেরই। ওই গোলই শেষ পর্যন্ত গড়ে দেয় ব্যবধান।
ইকুয়েডরের একটি রেকর্ডও হয়েছে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জার্মানির বিপক্ষে আগে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে ইউরোপের বাইরে জয় তুলে নেওয়া দ্বিতীয় দল ইকুয়েডর। এর আগে এই কীর্তি গড়েছিল একমাত্র জাপানই। জার্মানিকে হারানো লাতিন আমেরিকার চতুর্থ দল ইকুয়েডর। লাতিন দেশ হিসেবে জার্মানিকে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও মেক্সিকো।

ইকুয়েডরের ওই ছেলেটির কান্না খেয়াল করেছেন? টেলিভিশনের পর্দায় ভেসে উঠেছিল এক কিশোরের মুখ। সে কাঁদছে আর কায়োমনবাক্যে করছে প্রার্থনা। তার দেশ যে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের অপেক্ষায়। রেফারির শেষ বাঁশির সঙ্গে সঙ্গে ইকুয়েডর জিতে যাবে, উঠে যাবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে। সেই জয় যেন–তেন জয় নয়, চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানির বিপক্ষে!
বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই এমন কিছু চমৎকার আবেগঘন মুহূর্ত। যে ম্যাচটি হয়তো অনেকেই দেখেননি, আকর্ষণ অনুভব করেননি বলে, সেই ম্যাচই জন্ম দিল ইতিহাসের। কাল রাতে জার্মানি আর ইকুয়েডরের ম্যাচটি ছিল এমন কিছুই। কিন্তু কী আশ্চর্য! সে ম্যাচেই ইকুয়েডর ২–১ গোলে হারিয়ে দিল জার্মানিকে!
ইকুয়েডরের জন্য ম্যাচটি ছিল বাঁচা–মরার। আগের দুই ম্যাচে ভালো খেলেও জয় আসেনি তাদের। উল্টো একাধিক ভালো গোলের সুযোগ নষ্ট করার দায় মাথায় নিতে হয়েছে তাদের। ভাগ্যও খুব একটা সহায়ক হয়নি। দুই ম্যাচেই পোস্টে লেগে গোল–বঞ্চিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শেষ ম্যাচ জার্মানির বিপক্ষে পরের রাউন্ডে যেতে হলে জয় ভিন্ন অন্য কিছু ভাবার অবকাশ ছিল না ইকুয়েডরের। কাজটা অনেক কঠিন ছিল। কিন্তু সেই কাজটিই করল লাতিন দেশটি।

ম্যাচ শেষে ইকুয়েডরের খেলোয়াড়দের অনেকেই কেঁদেছেন, কেউ কেউ হাঁটু গেড়ে বসে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। জার্মানিকে হারিয়ে এক ইতিহাসের নির্মাণ দেখল ফুটবল দুনিয়া বিশ্বকাপে। গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ কী কারণে বিশ্বকাপকে বলা হয়, আরও একবার প্রমাণ মিলল।
আইভরিকোস্টের বিপক্ষে তারা হেরেছিল ৯০ মিনিটের মাথায় গোল খেয়ে। কুরাসাওয়ের বিপক্ষে এলয় রম নামের এক গোলরক্ষকের অবিশ্বাস্য ১৫টি সেভ গোল পেতে দেয়নি ইকুয়েডরকে। দুই ম্যাচে ১ পয়েন্ট নিয়ে জার্মানির বিপক্ষে ম্যাচে বড় স্বপ্ন বোধহয় কেউই দেখেননি। কিন্তু কী আশ্চর্য! নিজেদের সেরা খেলাটা জার্মানির বিপক্ষেই খেলল ইকুয়েডর।
শুরুতে এগিয়ে গিয়েছিল অবশ্য জার্মানি। লিরয় সানের গোলটি ছিল বক্সের মধ্যে বাঁকানো এক শটে। ৯ মিনিটের মাথায় সেই গোল শোধ করে দেন ইকুয়েডরের নিলসন আনহুলো।
এরপরই খেলা হয়েছে আক্রমণে–প্রতি আক্রমণে। ইকুয়েডর কিছু গোলের সুযোগও তৈরি করে। ম্যাচের ৭৭ মিনিটে জার্মানিকে হতবাক করে দিয়ে দ্বিতীয় গোলটি করে ফেলে ইকুয়েডর। কর্নার থেকে আসা বলে পা ছুঁইয়ে গোল করেন গঞ্জালো প্লাতা। ওই সময় অবশ্য ইকুয়েডরেরই গোলের সম্ভাবনা বেশি ছিল। ম্যাচে আধিপত্য ছিল তাদেরই। ওই গোলই শেষ পর্যন্ত গড়ে দেয় ব্যবধান।
ইকুয়েডরের একটি রেকর্ডও হয়েছে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জার্মানির বিপক্ষে আগে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে ইউরোপের বাইরে জয় তুলে নেওয়া দ্বিতীয় দল ইকুয়েডর। এর আগে এই কীর্তি গড়েছিল একমাত্র জাপানই। জার্মানিকে হারানো লাতিন আমেরিকার চতুর্থ দল ইকুয়েডর। লাতিন দেশ হিসেবে জার্মানিকে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও মেক্সিকো।