চরচা ডেস্ক

জাপানের কিউশু অঞ্চলের মনোরম পরিবেশে উৎপাদিত মিয়াজাকি আম শুধু তার চমৎকার স্বাদের জন্যই নয়, বরং আকাশচুম্বী দামের কারণেও বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিত। টকটকে লাল রঙের এই ফলটিকে ভালোবেসে ‘এগস অব দ্য সান’ বা ‘সূর্যের ডিম’ বলা হয়, যা বিশ্বজুড়ে আমপ্রেমীদের নজর ও মন—দুই-ই কেড়ে নিয়েছে।
মিয়াজাকি অ্যাগ্রিকালচারাল ইকোনমিক ফেডারেশনের হিসাব অনুযায়ী, জাপানের সূর্যডিম বা মিয়াজাকি বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম। জাপানে ২০১৯ সালে এক জোড়া মিয়াজাকির দাম উঠেছিল প্রায় পাঁচ হাজার ডলার, অর্থাৎ চার লাখ টাকার বেশি। যেখানে বাংলাদেশের জনপ্রিয় আম্রপালি বা হিমসাগর আমের দাম প্রতি কেজি মাত্র ১০০ টাকা বা তার কম, সেখানে এই মিয়াজাকি আমের বিশেষত্ব কী, যার কারণে এর দাম এত বেশি?
একটি মিয়াজাকি আমের গাছ থেকে বাজারে পৌঁছানোর প্রক্রিয়াটি সাধারণ কোনো ফলের মতো নয়। এগুলোকে অত্যন্ত যত্ন সহকারে চাষ করা হয়।
প্রতিটি আমের জন্য আলাদাভাবে যত্ন নেওয়া হয়। এগুলোকে ছোট ছোট জালে ঢেকে রাখা হয়, যা ফলকে পোকামাকড় থেকে রক্ষা করে। একইসাথে আম পাকার পর গাছ থেকে ঝরে যাতে মাটিতে পড়ে কোনো আঘাত না পায়, বরং জালের ভেতরেই আলতোভাবে আটকে থাকে, তা নিশ্চিত করে।
মার্কিন গণমাধ্যম বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, এই আমগুলো গ্রিনহাউসে চাষ করা হয়। সেখানে এর নিখুঁত ফলনের জন্য তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং সূর্যালোক কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
চাষিরা প্রায়ই নিজের হাত দিয়ে আমের মুকুলের পরাগায়ন ঘটান। এটি অত্যন্ত শ্রমসাধ্য ও সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া হলেও, ফলের চমৎকার গঠন ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে দারুণ ভূমিকা রাখে।

মিয়াজাকি আম চাষের এই কঠোর পদ্ধতির কারণে স্বাভাবিকভাবেই এর উৎপাদন ও সরবরাহ বেশ সীমিত থাকে। তা ছাড়া, উৎপাদনের পর অত্যন্ত কড়া বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় বলে, উৎপাদিত সব আমের মধ্যে কেবল একটি ছোট অংশই প্রিমিয়াম বা অভিজাত বাজারে জায়গা পায়। বিশ্বজুড়ে বিলাসবহুল ও দুর্লভ ফলের চাহিদা বাড়ার বিপরীতে এই সীমিত সরবরাহ এর দামকে আকাশচুম্বী করে তোলে।
মিয়াজাকি আমের এই চড়া দামের আসল রহস্য লুকিয়ে আছে এর গুণমানের মধ্যে। এই আমগুলো তাদের অতুলনীয় মিষ্টি স্বাদ এবং মুখে দিলেই মিলিয়ে যাওয়া মালাইয়ের মতো ক্রিমি টেক্সচারের জন্য বিখ্যাত, যা একে অন্য সব জাতের আম থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করেছে।
স্বাদের পাশাপাশি এই আমের বাহ্যিক সৌন্দর্যও এর মূল্য বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখে। আমগুলোকে অত্যন্ত যত্ন সহকারে দৃষ্টিনন্দন ও প্রিমিয়াম লেভেল বক্সে প্যাকেট করা হয়। এই চমৎকার উপস্থাপনা আমটিকে একটি বিলাসবহুল পণ্যের মর্যাদায় নিয়ে গিয়েছে।
গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশে মিয়াজাকি আমের চাষ হচ্ছে। শুরুতে শখের বশে হলেও এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, দিনাজপুর, নাটোর, পার্বত্য চট্টগ্রাম মিয়াজাকি আমের চাষ হয়। এছাড়া রাজধানীর আসাদগেট এলাকায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ফলের বাগানেও ছোট কয়েকটি মিয়াজাকি আমগাছ রয়েছে। সেখানেও ভালো ফলন হয়।
তবে পার্বত্য চট্টগ্রামে মিয়াজাকি আমের চাষ বেশি হয়। কারণ আবহাওয়া। পাহাড়ের উঁচু স্থানে দিনে গরম বেশি থাকলেও রাতে তা কমে আসে। এই কম তাপমাত্রা আমের মিষ্টতা তৈরির প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। পাহাড়ে এই প্রক্রিয়া দ্রুত হয়।

জাপানের কিউশু অঞ্চলের মনোরম পরিবেশে উৎপাদিত মিয়াজাকি আম শুধু তার চমৎকার স্বাদের জন্যই নয়, বরং আকাশচুম্বী দামের কারণেও বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিত। টকটকে লাল রঙের এই ফলটিকে ভালোবেসে ‘এগস অব দ্য সান’ বা ‘সূর্যের ডিম’ বলা হয়, যা বিশ্বজুড়ে আমপ্রেমীদের নজর ও মন—দুই-ই কেড়ে নিয়েছে।
মিয়াজাকি অ্যাগ্রিকালচারাল ইকোনমিক ফেডারেশনের হিসাব অনুযায়ী, জাপানের সূর্যডিম বা মিয়াজাকি বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম। জাপানে ২০১৯ সালে এক জোড়া মিয়াজাকির দাম উঠেছিল প্রায় পাঁচ হাজার ডলার, অর্থাৎ চার লাখ টাকার বেশি। যেখানে বাংলাদেশের জনপ্রিয় আম্রপালি বা হিমসাগর আমের দাম প্রতি কেজি মাত্র ১০০ টাকা বা তার কম, সেখানে এই মিয়াজাকি আমের বিশেষত্ব কী, যার কারণে এর দাম এত বেশি?
একটি মিয়াজাকি আমের গাছ থেকে বাজারে পৌঁছানোর প্রক্রিয়াটি সাধারণ কোনো ফলের মতো নয়। এগুলোকে অত্যন্ত যত্ন সহকারে চাষ করা হয়।
প্রতিটি আমের জন্য আলাদাভাবে যত্ন নেওয়া হয়। এগুলোকে ছোট ছোট জালে ঢেকে রাখা হয়, যা ফলকে পোকামাকড় থেকে রক্ষা করে। একইসাথে আম পাকার পর গাছ থেকে ঝরে যাতে মাটিতে পড়ে কোনো আঘাত না পায়, বরং জালের ভেতরেই আলতোভাবে আটকে থাকে, তা নিশ্চিত করে।
মার্কিন গণমাধ্যম বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, এই আমগুলো গ্রিনহাউসে চাষ করা হয়। সেখানে এর নিখুঁত ফলনের জন্য তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং সূর্যালোক কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
চাষিরা প্রায়ই নিজের হাত দিয়ে আমের মুকুলের পরাগায়ন ঘটান। এটি অত্যন্ত শ্রমসাধ্য ও সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া হলেও, ফলের চমৎকার গঠন ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে দারুণ ভূমিকা রাখে।

মিয়াজাকি আম চাষের এই কঠোর পদ্ধতির কারণে স্বাভাবিকভাবেই এর উৎপাদন ও সরবরাহ বেশ সীমিত থাকে। তা ছাড়া, উৎপাদনের পর অত্যন্ত কড়া বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় বলে, উৎপাদিত সব আমের মধ্যে কেবল একটি ছোট অংশই প্রিমিয়াম বা অভিজাত বাজারে জায়গা পায়। বিশ্বজুড়ে বিলাসবহুল ও দুর্লভ ফলের চাহিদা বাড়ার বিপরীতে এই সীমিত সরবরাহ এর দামকে আকাশচুম্বী করে তোলে।
মিয়াজাকি আমের এই চড়া দামের আসল রহস্য লুকিয়ে আছে এর গুণমানের মধ্যে। এই আমগুলো তাদের অতুলনীয় মিষ্টি স্বাদ এবং মুখে দিলেই মিলিয়ে যাওয়া মালাইয়ের মতো ক্রিমি টেক্সচারের জন্য বিখ্যাত, যা একে অন্য সব জাতের আম থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করেছে।
স্বাদের পাশাপাশি এই আমের বাহ্যিক সৌন্দর্যও এর মূল্য বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখে। আমগুলোকে অত্যন্ত যত্ন সহকারে দৃষ্টিনন্দন ও প্রিমিয়াম লেভেল বক্সে প্যাকেট করা হয়। এই চমৎকার উপস্থাপনা আমটিকে একটি বিলাসবহুল পণ্যের মর্যাদায় নিয়ে গিয়েছে।
গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশে মিয়াজাকি আমের চাষ হচ্ছে। শুরুতে শখের বশে হলেও এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, দিনাজপুর, নাটোর, পার্বত্য চট্টগ্রাম মিয়াজাকি আমের চাষ হয়। এছাড়া রাজধানীর আসাদগেট এলাকায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ফলের বাগানেও ছোট কয়েকটি মিয়াজাকি আমগাছ রয়েছে। সেখানেও ভালো ফলন হয়।
তবে পার্বত্য চট্টগ্রামে মিয়াজাকি আমের চাষ বেশি হয়। কারণ আবহাওয়া। পাহাড়ের উঁচু স্থানে দিনে গরম বেশি থাকলেও রাতে তা কমে আসে। এই কম তাপমাত্রা আমের মিষ্টতা তৈরির প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। পাহাড়ে এই প্রক্রিয়া দ্রুত হয়।