চরচা ডেস্ক

এই কিছুদিন আগে ট্রাম্প প্রশাসন আমেরিকায় থাকা বেশ কিছু ভেনেজুয়েলান নাগরিককে গ্রেপ্তার করে এল সালভাদর পাঠিয়ে দেয়। তখন একটা আইনের কথা খুব উঠেছিল, সেটা হলো এলিয়েন এনিমিজ অ্যাক্ট (Alien Enemies Act)।
প্রশ্ন হলো–কী এই এলিয়েন এনিমিজ অ্যাক্ট?
সহজ কথায়, কোনো রাষ্ট্র যখন অন্য একটি রাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধাবস্থায় থাকে, তখন সেই যুদ্ধরত দেশ বা শত্রু রাষ্ট্রের নাগরিকদের আইনি ভাষায় ‘Aliens of Enemy Nationality’ বলা হয়।
কিন্তু আমেরিকার এই অ্যালিয়েন এনিমিজ অ্যাক্ট (Alien Enemies Act) নামের আইন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যেকোনো বিদেশি শক্তিকে ‘শত্রু’ হিসেবে ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে অবস্থানরত সেই দেশের নাগরিকদের আটক, বহিষ্কার বা তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের একচ্ছত্র ক্ষমতা রাখেন।
আর ট্রাম্প প্রশাসনই কিন্তু প্রথম নয়। এর আগেও তিনবার এই আইনের প্রয়োগ হয়েছে। তবে তা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে। আর সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল আজ থেক ঠিক ৮৪ বছর আগে, অর্থাৎ ১৪ জানুয়ারি ১৯৪২। সালটা শুনে কি কিছু মনে হচ্ছে?
হ্যাঁ, সময়টা ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের। তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট এক বিতর্কিত প্রোক্লেমেশন (নং ২৫৩৭) জারি করেন। এর মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষিত ইতালি, জার্মানি ও জাপানের নাগরিকদের বিচার বিভাগে নিবন্ধন এবং বিশেষ পরিচয়পত্র বহন বাধ্যতামূলক করা হয়। আপাতদৃষ্টিতে এটি একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ মনে হলেও মূলত এটিই ছিল জাপানি বংশোদ্ভূত নাগরিকদের গণ-বন্দীশিবিরে পাঠানোর প্রথম ধাপ।
এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝেছেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট কোন আইনের ছত্রচ্ছায়ায় এই ঘৃণ্য কাজটি করেছিলেন।
তবে রুজভেল্টও এই আইনের প্রবর্তক নন। বিদেশিদের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করতে ১৭৯৮ সালে ফ্রান্স আমেরিকার মধ্যকার কোয়াসি যুদ্ধ (অঘোষিত যুদ্ধ) শুরুর পরিপ্রেক্ষিতে এই আইন প্রণয়ন করা হয়।

এই কিছুদিন আগে ট্রাম্প প্রশাসন আমেরিকায় থাকা বেশ কিছু ভেনেজুয়েলান নাগরিককে গ্রেপ্তার করে এল সালভাদর পাঠিয়ে দেয়। তখন একটা আইনের কথা খুব উঠেছিল, সেটা হলো এলিয়েন এনিমিজ অ্যাক্ট (Alien Enemies Act)।
প্রশ্ন হলো–কী এই এলিয়েন এনিমিজ অ্যাক্ট?
সহজ কথায়, কোনো রাষ্ট্র যখন অন্য একটি রাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধাবস্থায় থাকে, তখন সেই যুদ্ধরত দেশ বা শত্রু রাষ্ট্রের নাগরিকদের আইনি ভাষায় ‘Aliens of Enemy Nationality’ বলা হয়।
কিন্তু আমেরিকার এই অ্যালিয়েন এনিমিজ অ্যাক্ট (Alien Enemies Act) নামের আইন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যেকোনো বিদেশি শক্তিকে ‘শত্রু’ হিসেবে ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে অবস্থানরত সেই দেশের নাগরিকদের আটক, বহিষ্কার বা তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের একচ্ছত্র ক্ষমতা রাখেন।
আর ট্রাম্প প্রশাসনই কিন্তু প্রথম নয়। এর আগেও তিনবার এই আইনের প্রয়োগ হয়েছে। তবে তা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে। আর সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল আজ থেক ঠিক ৮৪ বছর আগে, অর্থাৎ ১৪ জানুয়ারি ১৯৪২। সালটা শুনে কি কিছু মনে হচ্ছে?
হ্যাঁ, সময়টা ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের। তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট এক বিতর্কিত প্রোক্লেমেশন (নং ২৫৩৭) জারি করেন। এর মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষিত ইতালি, জার্মানি ও জাপানের নাগরিকদের বিচার বিভাগে নিবন্ধন এবং বিশেষ পরিচয়পত্র বহন বাধ্যতামূলক করা হয়। আপাতদৃষ্টিতে এটি একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ মনে হলেও মূলত এটিই ছিল জাপানি বংশোদ্ভূত নাগরিকদের গণ-বন্দীশিবিরে পাঠানোর প্রথম ধাপ।
এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝেছেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট কোন আইনের ছত্রচ্ছায়ায় এই ঘৃণ্য কাজটি করেছিলেন।
তবে রুজভেল্টও এই আইনের প্রবর্তক নন। বিদেশিদের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করতে ১৭৯৮ সালে ফ্রান্স আমেরিকার মধ্যকার কোয়াসি যুদ্ধ (অঘোষিত যুদ্ধ) শুরুর পরিপ্রেক্ষিতে এই আইন প্রণয়ন করা হয়।