চরচা ডেস্ক

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরানের সঙ্গে আমেরিকা-ইসরায়েল জোটের যুদ্ধ নিয়ে প্রতিনিয়তই চলছে নতুন নতুন জল্পনা-কল্পনা। সাময়িক যুদ্ধবিরতি হলেও থেমে নেই উত্তেজনা। সেই সাথে আছে দুই পক্ষরই অনমনীয় অবস্থান। তবে গত ৬ মে হয়ত কিছুটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হওয়া ‘খুবই সম্ভব’, তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে আবারও দেশটিতে বোমা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। কূটনৈতিক সাফল্যের বিষয়ে ট্রাম্পের এই ইতিবাচক মন্তব্য এমন সময়ে এলো যখন যুক্তরাষ্ট্র এক পাতার একটি সমঝোতা স্মারক প্রস্তাব করেছে। এটি দীর্ঘমেয়াদী আলোচনার পথ প্রশস্ত করার পাশাপাশি তিন মাসব্যাপী চলমান বৈশ্বিক সংকট নিরসনে সহায়ক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইরান এখনও এই নতুন মার্কিন প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি। তবে রয়টার্স ও মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, দুই পক্ষ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধ করতে এবং পারমাণবিক আলোচনার একটি রূপরেখা তৈরি করতে এক পাতার সমঝোতা স্মারকের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে।
এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও, সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দুই পক্ষ এই প্রথম চুক্তির এত কাছাকাছি অবস্থান করছে। ওয়াশিংটনের আলোচকরা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তেহরানের উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন।
১৪টি মূল পয়েন্ট সম্বলিত এই সমঝোতা স্মারকের তথ্যগুলো ওয়াশিংটন এবং মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ফাঁস হলেও ইরান এ বিষয়ে অনেকাংশেই নীরব। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তাহব্যাপী বোমা হামলা সত্ত্বেও কূটনৈতিকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি খসড়া সমঝোতা স্মারকের কথা সরাসরি উল্লেখ না করে বলেছেন, তেহরান কেবল একটি ন্যায়সংগত চুক্তি গ্রহণ করবে।

তবে কি আছে এই এক পাতার সমঝোতা স্মারকে?
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই চুক্তির আওতায় ইরান তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত রাখার প্রতিশ্রুতি দেবে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিশ্বজুড়ে আটকে থাকা শতকোটি ডলারের তহবিল ছেড়ে দিতে সম্মত হবে। এছাড়া উভয় পক্ষ হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচলের ওপর থেকে সব বিধিনিষেধ তুলে নেবে।
এই সমঝোতা স্মারকটিকে পূর্ণাঙ্গ কোনো চুক্তির পরিবর্তে একটি ফ্রেমওয়ার্ক বা রূপরেখা হিসেবে রাখা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের অবসান ঘোষণা করা এবং আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সব গুরুত্বপূর্ণ দাবি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পরিবেশ তৈরি করা। সূত্রমতে, এই আলোচনা ইসলামাবাদ অথবা জেনেভায় অনুষ্ঠিত হতে পারে।
ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিতের মেয়াদ নিয়েও দুই পক্ষ সক্রিয়ভাবে আলোচনা করছে। ইরান ৫ বছরের প্রস্তাব দিলেও যুক্তরাষ্ট্র ২০ বছরের দাবি জানিয়েছিল। বর্তমানে এটি ১২ থেকে ১৫ বছরের একটি সময়সীমায় স্থির হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া চুক্তিতে এমন একটি ধারা যুক্ত করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র যাতে ইরান কোনো শর্ত লঙ্ঘন করলে এই স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও বেড়ে যায়। এই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর তেহরান কেবল ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশের মতো নিম্নস্তরে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অস্ত্র সংক্রান্ত কোনো গবেষণায় যুক্ত না হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। সমঝোতা স্মারকে ইরানকে তাদের ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো বন্ধ রাখা এবং জাতিসংঘ পরিদর্শকদের স্ন্যাপ ইনস্পেকশন বা তাৎক্ষণিক পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়ার শর্তও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান অগ্রাধিকার হলো ইরান থেকে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে ফেলা, যা তেহরান এ পর্যন্ত প্রত্যাখ্যান করে এসেছে। এই উপকরণগুলো যুক্তরাষ্ট্রে সরিয়ে নেওয়ার একটি প্রস্তাবও আলোচনায় রয়েছে।

১৪ দফার এই স্মারকের অনেক শর্তই একটি চূড়ান্ত চুক্তির ওপর নির্ভরশীল। ফলে চূড়ান্ত সমাধান না হওয়া পর্যন্ত পুনরায় সংঘাত বা দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার লক্ষ্য নিয়ে এই উদ্যোগ নিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার সরাসরি এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব বিভিন্ন উপদলে বিভক্ত হওয়ায় মধ্যপন্থী ও কট্টরপন্থীদের মধ্যে ঐক্যমত্য তৈরি করা কঠিন হতে পারে।
ট্রাম্প বলেছেন, যদি ইরান একমত হওয়া শর্তগুলো মেনে নিতে রাজি হয়তবে যুদ্ধ শেষ হবে। আর যদি না হয়, তবে আরও তীব্র ও উচ্চতর মাত্রায় বোমা হামলা শুরু হবে। সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, আমাদের মধ্যে খুব ভালো আলোচনা হয়েছে এবং চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।”
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, “আমাদের একদিনেই সব চুক্তি লিখে ফেলতে হবে এমন নয়। বিষয়টি অত্যন্ত জটিল ও প্রযুক্তিগত। তবে আমাদের এমন একটি কূটনৈতিক সমাধান দরকার যা আলোচনার বিষয়বস্তু এবং ছাড় দেওয়ার পরিধি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেবে।" যদিও তিনি ইরানের শীর্ষ নেতাদের কঠোর সমালোচনা করতেও ছাড়েননি।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, “মার্কিন পরিকল্পনা ও প্রস্তাবটি এখনও পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে।” তেহরান তাদের চূড়ান্ত মতামত মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানকে জানাবে। অন্যদিকে, আলোচনার নেতৃত্বে থাকা ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সতর্ক করে বলেছেন যে, ওয়াশিংটন নৌ-অবরোধ, অর্থনৈতিক চাপ এবং মিডিয়া প্রচারণার মাধ্যমে ইরানের সংহতি নষ্ট করে দেশটিকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার চেষ্টা করছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরানের সঙ্গে আমেরিকা-ইসরায়েল জোটের যুদ্ধ নিয়ে প্রতিনিয়তই চলছে নতুন নতুন জল্পনা-কল্পনা। সাময়িক যুদ্ধবিরতি হলেও থেমে নেই উত্তেজনা। সেই সাথে আছে দুই পক্ষরই অনমনীয় অবস্থান। তবে গত ৬ মে হয়ত কিছুটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হওয়া ‘খুবই সম্ভব’, তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে আবারও দেশটিতে বোমা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। কূটনৈতিক সাফল্যের বিষয়ে ট্রাম্পের এই ইতিবাচক মন্তব্য এমন সময়ে এলো যখন যুক্তরাষ্ট্র এক পাতার একটি সমঝোতা স্মারক প্রস্তাব করেছে। এটি দীর্ঘমেয়াদী আলোচনার পথ প্রশস্ত করার পাশাপাশি তিন মাসব্যাপী চলমান বৈশ্বিক সংকট নিরসনে সহায়ক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইরান এখনও এই নতুন মার্কিন প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি। তবে রয়টার্স ও মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, দুই পক্ষ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধ করতে এবং পারমাণবিক আলোচনার একটি রূপরেখা তৈরি করতে এক পাতার সমঝোতা স্মারকের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে।
এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও, সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দুই পক্ষ এই প্রথম চুক্তির এত কাছাকাছি অবস্থান করছে। ওয়াশিংটনের আলোচকরা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তেহরানের উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন।
১৪টি মূল পয়েন্ট সম্বলিত এই সমঝোতা স্মারকের তথ্যগুলো ওয়াশিংটন এবং মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ফাঁস হলেও ইরান এ বিষয়ে অনেকাংশেই নীরব। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তাহব্যাপী বোমা হামলা সত্ত্বেও কূটনৈতিকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি খসড়া সমঝোতা স্মারকের কথা সরাসরি উল্লেখ না করে বলেছেন, তেহরান কেবল একটি ন্যায়সংগত চুক্তি গ্রহণ করবে।

তবে কি আছে এই এক পাতার সমঝোতা স্মারকে?
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই চুক্তির আওতায় ইরান তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত রাখার প্রতিশ্রুতি দেবে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিশ্বজুড়ে আটকে থাকা শতকোটি ডলারের তহবিল ছেড়ে দিতে সম্মত হবে। এছাড়া উভয় পক্ষ হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচলের ওপর থেকে সব বিধিনিষেধ তুলে নেবে।
এই সমঝোতা স্মারকটিকে পূর্ণাঙ্গ কোনো চুক্তির পরিবর্তে একটি ফ্রেমওয়ার্ক বা রূপরেখা হিসেবে রাখা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের অবসান ঘোষণা করা এবং আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সব গুরুত্বপূর্ণ দাবি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পরিবেশ তৈরি করা। সূত্রমতে, এই আলোচনা ইসলামাবাদ অথবা জেনেভায় অনুষ্ঠিত হতে পারে।
ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিতের মেয়াদ নিয়েও দুই পক্ষ সক্রিয়ভাবে আলোচনা করছে। ইরান ৫ বছরের প্রস্তাব দিলেও যুক্তরাষ্ট্র ২০ বছরের দাবি জানিয়েছিল। বর্তমানে এটি ১২ থেকে ১৫ বছরের একটি সময়সীমায় স্থির হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া চুক্তিতে এমন একটি ধারা যুক্ত করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র যাতে ইরান কোনো শর্ত লঙ্ঘন করলে এই স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও বেড়ে যায়। এই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর তেহরান কেবল ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশের মতো নিম্নস্তরে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অস্ত্র সংক্রান্ত কোনো গবেষণায় যুক্ত না হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। সমঝোতা স্মারকে ইরানকে তাদের ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো বন্ধ রাখা এবং জাতিসংঘ পরিদর্শকদের স্ন্যাপ ইনস্পেকশন বা তাৎক্ষণিক পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়ার শর্তও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান অগ্রাধিকার হলো ইরান থেকে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে ফেলা, যা তেহরান এ পর্যন্ত প্রত্যাখ্যান করে এসেছে। এই উপকরণগুলো যুক্তরাষ্ট্রে সরিয়ে নেওয়ার একটি প্রস্তাবও আলোচনায় রয়েছে।

১৪ দফার এই স্মারকের অনেক শর্তই একটি চূড়ান্ত চুক্তির ওপর নির্ভরশীল। ফলে চূড়ান্ত সমাধান না হওয়া পর্যন্ত পুনরায় সংঘাত বা দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার লক্ষ্য নিয়ে এই উদ্যোগ নিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার সরাসরি এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব বিভিন্ন উপদলে বিভক্ত হওয়ায় মধ্যপন্থী ও কট্টরপন্থীদের মধ্যে ঐক্যমত্য তৈরি করা কঠিন হতে পারে।
ট্রাম্প বলেছেন, যদি ইরান একমত হওয়া শর্তগুলো মেনে নিতে রাজি হয়তবে যুদ্ধ শেষ হবে। আর যদি না হয়, তবে আরও তীব্র ও উচ্চতর মাত্রায় বোমা হামলা শুরু হবে। সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, আমাদের মধ্যে খুব ভালো আলোচনা হয়েছে এবং চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।”
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, “আমাদের একদিনেই সব চুক্তি লিখে ফেলতে হবে এমন নয়। বিষয়টি অত্যন্ত জটিল ও প্রযুক্তিগত। তবে আমাদের এমন একটি কূটনৈতিক সমাধান দরকার যা আলোচনার বিষয়বস্তু এবং ছাড় দেওয়ার পরিধি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেবে।" যদিও তিনি ইরানের শীর্ষ নেতাদের কঠোর সমালোচনা করতেও ছাড়েননি।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, “মার্কিন পরিকল্পনা ও প্রস্তাবটি এখনও পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে।” তেহরান তাদের চূড়ান্ত মতামত মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানকে জানাবে। অন্যদিকে, আলোচনার নেতৃত্বে থাকা ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সতর্ক করে বলেছেন যে, ওয়াশিংটন নৌ-অবরোধ, অর্থনৈতিক চাপ এবং মিডিয়া প্রচারণার মাধ্যমে ইরানের সংহতি নষ্ট করে দেশটিকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার চেষ্টা করছে।