চরচা প্রতিবেদক

গাড়ি বিক্রির নামে এক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গুলশান থানায় করা মামলায় মির্জা আবুল বাশার মামুনকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এদিন বাশারকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফীন ইসলাম ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানিতে আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন জানায়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে শনিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশান-১ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ব্যবসায়ী মো. আজিজুল ইসলাম গাড়ির গ্যারেজ এবং পুরনো গাড়ি ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ব্যবসায়িক সম্পর্কের সূত্রে মির্জা আবুল বাশার তার কাছে একটি পুরনো গাড়ি বিক্রির প্রস্তাব দেন। ২০২৫ সালের ৬ জুন গাড়ির অগ্রিম মূল্য হিসেবে আজিজুল ইসলামের কাছ থেকে নগদ এক কোটি টাকা গ্রহণ করেন বাশার। এ সময় টাকার লেনদেনের ভিডিওচিত্রও সংরক্ষণ করা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা গ্রহণের পরও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গাড়ি বুঝিয়ে দেননি বাশার। পরে একাধিকবার তাগাদা দেওয়া হলেও তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে গাড়ি দিতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেন। তখন টাকা ফেরত চাইলে টালবাহানা শুরু করেন।
মামলায় আরও বলা হয়, পরে ৬ নভেম্বর একটি স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দিয়ে এক মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন বাশার। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও টাকা ফেরত দেননি। গত ১৪ ডিসেম্বর টাকা ফেরত চাইতে গেলে অভিযোগকারীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গত ১৫ ডিসেম্বর আদালতে মামলা করার আবেদন করেন আজিজুল ইসলাম। শুনানি শেষে আদালত গুলশান থানাকে অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। পরে ২৩ ডিসেম্বর মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত করা হয়।

গাড়ি বিক্রির নামে এক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গুলশান থানায় করা মামলায় মির্জা আবুল বাশার মামুনকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এদিন বাশারকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফীন ইসলাম ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানিতে আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন জানায়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে শনিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশান-১ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ব্যবসায়ী মো. আজিজুল ইসলাম গাড়ির গ্যারেজ এবং পুরনো গাড়ি ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ব্যবসায়িক সম্পর্কের সূত্রে মির্জা আবুল বাশার তার কাছে একটি পুরনো গাড়ি বিক্রির প্রস্তাব দেন। ২০২৫ সালের ৬ জুন গাড়ির অগ্রিম মূল্য হিসেবে আজিজুল ইসলামের কাছ থেকে নগদ এক কোটি টাকা গ্রহণ করেন বাশার। এ সময় টাকার লেনদেনের ভিডিওচিত্রও সংরক্ষণ করা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা গ্রহণের পরও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গাড়ি বুঝিয়ে দেননি বাশার। পরে একাধিকবার তাগাদা দেওয়া হলেও তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে গাড়ি দিতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেন। তখন টাকা ফেরত চাইলে টালবাহানা শুরু করেন।
মামলায় আরও বলা হয়, পরে ৬ নভেম্বর একটি স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দিয়ে এক মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন বাশার। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও টাকা ফেরত দেননি। গত ১৪ ডিসেম্বর টাকা ফেরত চাইতে গেলে অভিযোগকারীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গত ১৫ ডিসেম্বর আদালতে মামলা করার আবেদন করেন আজিজুল ইসলাম। শুনানি শেষে আদালত গুলশান থানাকে অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। পরে ২৩ ডিসেম্বর মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত করা হয়।