চরচা ডেস্ক

ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের শাকসগাম উপত্যকা ঘিরে ফের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অঞ্চলটিকে নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে সেখানে অবকাঠামো নির্মাণকে বৈধ বলে উল্লেখ করেছে বেইজিং। ভারতের পক্ষ থেকে সমালোচনার কয়েক দিনের মধ্যেই এই জবাব জানানোয় দুই দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা বেড়েছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘’শাকসগাম উপত্যকা চীনের ভূখণ্ড এবং সেখানে চীনের অবকাঠামো নির্মাণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বৈধ।‘’
তিনি আরও দাবি করেন, ১৯৬০-এর দশকে চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে।
শাকসগাম একটি উচ্চভূমি এলাকা, যা কারাকোরাম পর্বতমালার উত্তরে অবস্থিত এবং চীনের শিনজিয়াং অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত। অঞ্চলটি বর্তমানে পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের অংশ হিসেবে রয়েছে। ১৯৬৩ সালে পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তান প্রায় ৫ হাজার ১৮০ বর্গকিলোমিটার এলাকা চীনের কাছে হস্তান্তর করে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, শাকসগাম ভারতের অংশ। ১৯৬৩ সালের তথাকথিত চীন–পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তি অবৈধ এবং ভারত তা মানে না। একইসঙ্গে তিনি চীন–পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি) প্রকল্পও প্রত্যাখ্যান করেন, কারণ এটি ভারতের ভূখণ্ড দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে বলে ভারতের দাবি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীন ইতোমধ্যে শাকসগাম এলাকায় একটি অল-ওয়েদার সড়ক নির্মাণ শুরু করেছে, যা সিয়াচেন হিমবাহ থেকে ৫০ কিলোমিটারেরও কম দূরে। ২০১৭ সালের ডোকলাম সংঘাতের পর এ অঞ্চলে চীনের তৎপরতা আরও বেড়েছে বলে বিশ্লেষকদের মত।
ভারত আরও অভিযোগ করেছে, শাকসগামে চীনের অবকাঠামো নির্মাণ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে। বিশেষ করে চীন–পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি) ভারতের সার্বভৌমত্বের ওপর হুমকি তৈরি করছে বলে দাবি নয়াদিল্লির। ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে তারা প্রস্তুত রয়েছে।

ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের শাকসগাম উপত্যকা ঘিরে ফের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অঞ্চলটিকে নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে সেখানে অবকাঠামো নির্মাণকে বৈধ বলে উল্লেখ করেছে বেইজিং। ভারতের পক্ষ থেকে সমালোচনার কয়েক দিনের মধ্যেই এই জবাব জানানোয় দুই দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা বেড়েছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘’শাকসগাম উপত্যকা চীনের ভূখণ্ড এবং সেখানে চীনের অবকাঠামো নির্মাণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বৈধ।‘’
তিনি আরও দাবি করেন, ১৯৬০-এর দশকে চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে।
শাকসগাম একটি উচ্চভূমি এলাকা, যা কারাকোরাম পর্বতমালার উত্তরে অবস্থিত এবং চীনের শিনজিয়াং অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত। অঞ্চলটি বর্তমানে পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের অংশ হিসেবে রয়েছে। ১৯৬৩ সালে পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তান প্রায় ৫ হাজার ১৮০ বর্গকিলোমিটার এলাকা চীনের কাছে হস্তান্তর করে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, শাকসগাম ভারতের অংশ। ১৯৬৩ সালের তথাকথিত চীন–পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তি অবৈধ এবং ভারত তা মানে না। একইসঙ্গে তিনি চীন–পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি) প্রকল্পও প্রত্যাখ্যান করেন, কারণ এটি ভারতের ভূখণ্ড দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে বলে ভারতের দাবি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীন ইতোমধ্যে শাকসগাম এলাকায় একটি অল-ওয়েদার সড়ক নির্মাণ শুরু করেছে, যা সিয়াচেন হিমবাহ থেকে ৫০ কিলোমিটারেরও কম দূরে। ২০১৭ সালের ডোকলাম সংঘাতের পর এ অঞ্চলে চীনের তৎপরতা আরও বেড়েছে বলে বিশ্লেষকদের মত।
ভারত আরও অভিযোগ করেছে, শাকসগামে চীনের অবকাঠামো নির্মাণ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে। বিশেষ করে চীন–পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি) ভারতের সার্বভৌমত্বের ওপর হুমকি তৈরি করছে বলে দাবি নয়াদিল্লির। ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে তারা প্রস্তুত রয়েছে।