আব্দুস সবুর

“আমি আইছিলাম জানুয়ারি মাসের ৭ তারিখ, ছুটির মেয়াদ শেষ হবে মার্চ মাসের ৯ তারিখ। ছুটি ফুরানোর আগে না যাইতে পারি তাইলে আর যাইতে পারুম না। তাই টিকিট কাটছিলাম যাওয়ার জন্য কিন্তু বিমানবন্দরে আসার পর জানতে পারি ফ্লাইট বাতিল হইছে।”
ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চরচাকে এভাবেই নিজের আশঙ্কার কথা বলছিলেন সৌদি আরব প্রবাসী সাইফুল ইসলাম। গত তিন বছর সৌদি আরবে চাকরি করে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন তিনি।
শুধু সাইফুল একা নন, একই সমস্যায় অনেকেই সৌদি আরবের কফিল (নিয়োগদাতা), কোম্পানির চাপ ও ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে যেতে তড়িঘড়ি করছেন। যাদের মধ্যে অনেকে বিমানবন্দরে আসার পর জানতে পেরেছেন ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত শনিবার ইরানে হামলা শুরু করে। ইরানও পাল্টা ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে মিসাইল ও ড্রোন হামলা শুরু করে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধ পরিস্থিতির তৈরি হয়।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার সাথে সাথেই ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান ২৮ ফেব্রুয়ারি তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। ফলে বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে আকাশপথে যোগাযোগ বিঘ্নিত হয়। বিমানবন্দরে ভোগান্তিতে পড়েন অনেক যাত্রী। সেসব ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, সেগুলোর যাত্রীদের নিজ নিজ ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
আজ বুধবার সরেজমিনে ঢাকার বিমানবন্দরে দেখা যায়, অনেকে ওমরা করার জন্য এবং কেউ কেউ চাকরি বাঁচাতে সৌদি আরবে যাচ্ছেন।
আবদুল ওয়াদুদ নামের একজন যাত্রী ওমরা করার জন্য সৌদি আরবে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, “আমি ওমরা করার সিদ্ধান্ত অনেক আগেই নিয়েছিলাম। তাই আজকে ফ্লাইটের তারিখ ছিল। যদ্ধের মধ্যে যেতে ভয় লাগছে না কারণ ইরান শুধু আমেরিকার স্থাপনায় হামলা করছে। সব জায়গায় মিসাইল ফেলছে না। আর আল্লাহ যা ভালো মনে করেন তাই হবে আমাদের জন্য। একই ফ্লাইটে যাওয়া আরেকজন যাত্রীও একই ধরেনর কথা বলেছেন।”
জসিম আলী নামের একজন বলেন, “আমার কফিল যেতে বলছে, তাই সেখানে যাচ্ছি। কারণ তাদের কথা না শুনলে চাকরি হারাতে পারি। আমি ছুটিতে আসছিলাম। দুই মাস থাকার পর যাচ্ছি।”
পাঁচ দিনে ১৭৩ ফ্লাইট বাতিল, যাত্রীদের দুর্ভোগ
গত পাঁচ দিনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১৭৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির কারণে ছয়টি রুটে ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আবুধাবি, শারজাহ, দুবাই, দোহা, কুয়েত ও দাম্মাম রুটে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ রয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব রুটে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে জেদ্দা, মদিনা, রিয়াদ ও মাস্কাট রুটে ফ্লাইট যথারীতি চালু আছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
জামালপুরের বাসিন্দা মাহফুজুর রহমান বলেন, “আমি সৌদি আরবের রিয়াদে যেতে চেয়েছিলাম। বিকেল ৩টায় ফ্লাইট হওয়ার কথা ছিল কিন্তু সেটি বাতিল হয়েছে। আমাদের এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। তারা পরে ফ্লাইটের সময় জানিয়ে দিবে। আমরা জেনে আসছিলাম সৌদির রিয়াদ, জেদ্দা এসব জায়গায় বিমান যাচ্ছে। কিন্তু আসার পর শুনতেছি ফ্লাইট বন্ধ।”

গ্রীন বাংলা ইন্টারন্যাশনালের ট্রাভেল এজেন্সির একজন যাত্রী আজিজুর রহমান বলেন, “আমার ফ্লাইট ছিল ইনডিগোতে। কিন্তু বিমানবন্দরে আসার পর হুনতেছি ফ্লাইট যাইব না। আমাগো সব কিছু যুদ্ধের আগেই শেষ হইছিল। আজকে ফ্লাইটের ডেট ছিল তাই আইয়া পরছিলাম। এখন ভিতরে যাওয়া পর বলা হয় আজ যাওয়া হবে না।”
সরকারি ব্যবস্থা নেই, হোটেল কর্মীদের কাড়াকাড়ি
গত পাঁচ দিনে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীদের মধ্যে এক হাজারের বেশি মানুষকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং শতাধিক মানুষকে ওয়েজ আর্নাস বোর্ড আবাসন সুবিধার ব্যবস্থা করেছিল। তবে গতকাল থেকে এই ব্যবস্থায় আর কেউ নেই। অন্যদিকে ফ্লাইট বাতিল হওয়া সৌদি এয়ারলাইন্সসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের যাত্রীদের নিতে লা মেরেডিয়ান হোটেল কর্মীদের কাড়াকাড়ি করতে দেখা যায়।
কিশোরগঞ্জের জেলার একজন বাসিন্দা বলেন, “দুপুরে ফ্লাইট বাতিল হওয়ার পর বাইরে আসলাম। বুঝতেছি না, আসলে কোথায় যাব। কবে ফ্লাইট সেটাও জানি না। ভাবতাছি এজেন্সির থেকে খবর নিমু কবে ফ্লাইট হইতে পারে। দুই বা এক দিনের মধ্যে হইলে ঢাকায় থাকমু আর না হলে বাড়ি যামু গা।”
সৌদিগামী একজন যাত্রী বলেন, “আমরা দুপুরের দিকে বিমানবন্দের ভিতরে গেছিলাম পরে সেখান থেকে জানানো হয় ফ্লাইট বাতিল। এখন ৬ নম্বর গেট দিয়ে বাইরে বের হওয়ার পর হোটেলকর্মীরা ধরে নিয়ে গাড়িতে উঠিয়েছে। সেখানে নাকি ফ্রিতে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

নাম প্রকাশ না করে একজন হোটেল কর্মী বলেন, “বাতিল হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীদের হোটেলে নিতে পারলে সব ব্যয় এয়ারলাইন্স বহন করবে। তাই আমরা এখানে এসেছি যাত্রীদের নিতে।”
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম বলেন, মধ্যপ্রাচের সব ফ্লাইট আগামী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে। এটা আমাদের আগের ঘোষণা তাই আর যাত্রীদের জন্য আবাসিক ব্যবস্থা নেই। তবে যে কোনো যাত্রীদের টিকিট রিশিডিউল ও রিফান্ড করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা চরচাকে বলেন, “গতকাল পর্যন্ত বিভিন্ন মাধ্যমে যাত্রীদের আবাসিক ব্যবস্থা ছিল এখন আর নেই। কারণ এখন খুব বেশি ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে না। আর অনেক ফ্লাইটের তথ্য আগে থেকেই জানানো হচ্ছে।”
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া চরচাকে বলেন, “প্রবাসী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সিভিল এভিয়েশন মিলে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করেছি। নতুন করে যাওয়ার ব্যাপারে ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করবে। এ ছাড়া টিকিট ও ভিসা জটিলতা নিরসনে সর্বোচ্চ সহযোগীতার ব্যপারে আমরা কাজ করছি।”

“আমি আইছিলাম জানুয়ারি মাসের ৭ তারিখ, ছুটির মেয়াদ শেষ হবে মার্চ মাসের ৯ তারিখ। ছুটি ফুরানোর আগে না যাইতে পারি তাইলে আর যাইতে পারুম না। তাই টিকিট কাটছিলাম যাওয়ার জন্য কিন্তু বিমানবন্দরে আসার পর জানতে পারি ফ্লাইট বাতিল হইছে।”
ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চরচাকে এভাবেই নিজের আশঙ্কার কথা বলছিলেন সৌদি আরব প্রবাসী সাইফুল ইসলাম। গত তিন বছর সৌদি আরবে চাকরি করে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন তিনি।
শুধু সাইফুল একা নন, একই সমস্যায় অনেকেই সৌদি আরবের কফিল (নিয়োগদাতা), কোম্পানির চাপ ও ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে যেতে তড়িঘড়ি করছেন। যাদের মধ্যে অনেকে বিমানবন্দরে আসার পর জানতে পেরেছেন ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত শনিবার ইরানে হামলা শুরু করে। ইরানও পাল্টা ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে মিসাইল ও ড্রোন হামলা শুরু করে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধ পরিস্থিতির তৈরি হয়।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার সাথে সাথেই ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান ২৮ ফেব্রুয়ারি তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। ফলে বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে আকাশপথে যোগাযোগ বিঘ্নিত হয়। বিমানবন্দরে ভোগান্তিতে পড়েন অনেক যাত্রী। সেসব ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, সেগুলোর যাত্রীদের নিজ নিজ ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
আজ বুধবার সরেজমিনে ঢাকার বিমানবন্দরে দেখা যায়, অনেকে ওমরা করার জন্য এবং কেউ কেউ চাকরি বাঁচাতে সৌদি আরবে যাচ্ছেন।
আবদুল ওয়াদুদ নামের একজন যাত্রী ওমরা করার জন্য সৌদি আরবে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, “আমি ওমরা করার সিদ্ধান্ত অনেক আগেই নিয়েছিলাম। তাই আজকে ফ্লাইটের তারিখ ছিল। যদ্ধের মধ্যে যেতে ভয় লাগছে না কারণ ইরান শুধু আমেরিকার স্থাপনায় হামলা করছে। সব জায়গায় মিসাইল ফেলছে না। আর আল্লাহ যা ভালো মনে করেন তাই হবে আমাদের জন্য। একই ফ্লাইটে যাওয়া আরেকজন যাত্রীও একই ধরেনর কথা বলেছেন।”
জসিম আলী নামের একজন বলেন, “আমার কফিল যেতে বলছে, তাই সেখানে যাচ্ছি। কারণ তাদের কথা না শুনলে চাকরি হারাতে পারি। আমি ছুটিতে আসছিলাম। দুই মাস থাকার পর যাচ্ছি।”
পাঁচ দিনে ১৭৩ ফ্লাইট বাতিল, যাত্রীদের দুর্ভোগ
গত পাঁচ দিনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১৭৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির কারণে ছয়টি রুটে ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আবুধাবি, শারজাহ, দুবাই, দোহা, কুয়েত ও দাম্মাম রুটে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ রয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব রুটে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে জেদ্দা, মদিনা, রিয়াদ ও মাস্কাট রুটে ফ্লাইট যথারীতি চালু আছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
জামালপুরের বাসিন্দা মাহফুজুর রহমান বলেন, “আমি সৌদি আরবের রিয়াদে যেতে চেয়েছিলাম। বিকেল ৩টায় ফ্লাইট হওয়ার কথা ছিল কিন্তু সেটি বাতিল হয়েছে। আমাদের এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। তারা পরে ফ্লাইটের সময় জানিয়ে দিবে। আমরা জেনে আসছিলাম সৌদির রিয়াদ, জেদ্দা এসব জায়গায় বিমান যাচ্ছে। কিন্তু আসার পর শুনতেছি ফ্লাইট বন্ধ।”

গ্রীন বাংলা ইন্টারন্যাশনালের ট্রাভেল এজেন্সির একজন যাত্রী আজিজুর রহমান বলেন, “আমার ফ্লাইট ছিল ইনডিগোতে। কিন্তু বিমানবন্দরে আসার পর হুনতেছি ফ্লাইট যাইব না। আমাগো সব কিছু যুদ্ধের আগেই শেষ হইছিল। আজকে ফ্লাইটের ডেট ছিল তাই আইয়া পরছিলাম। এখন ভিতরে যাওয়া পর বলা হয় আজ যাওয়া হবে না।”
সরকারি ব্যবস্থা নেই, হোটেল কর্মীদের কাড়াকাড়ি
গত পাঁচ দিনে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীদের মধ্যে এক হাজারের বেশি মানুষকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং শতাধিক মানুষকে ওয়েজ আর্নাস বোর্ড আবাসন সুবিধার ব্যবস্থা করেছিল। তবে গতকাল থেকে এই ব্যবস্থায় আর কেউ নেই। অন্যদিকে ফ্লাইট বাতিল হওয়া সৌদি এয়ারলাইন্সসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের যাত্রীদের নিতে লা মেরেডিয়ান হোটেল কর্মীদের কাড়াকাড়ি করতে দেখা যায়।
কিশোরগঞ্জের জেলার একজন বাসিন্দা বলেন, “দুপুরে ফ্লাইট বাতিল হওয়ার পর বাইরে আসলাম। বুঝতেছি না, আসলে কোথায় যাব। কবে ফ্লাইট সেটাও জানি না। ভাবতাছি এজেন্সির থেকে খবর নিমু কবে ফ্লাইট হইতে পারে। দুই বা এক দিনের মধ্যে হইলে ঢাকায় থাকমু আর না হলে বাড়ি যামু গা।”
সৌদিগামী একজন যাত্রী বলেন, “আমরা দুপুরের দিকে বিমানবন্দের ভিতরে গেছিলাম পরে সেখান থেকে জানানো হয় ফ্লাইট বাতিল। এখন ৬ নম্বর গেট দিয়ে বাইরে বের হওয়ার পর হোটেলকর্মীরা ধরে নিয়ে গাড়িতে উঠিয়েছে। সেখানে নাকি ফ্রিতে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

নাম প্রকাশ না করে একজন হোটেল কর্মী বলেন, “বাতিল হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীদের হোটেলে নিতে পারলে সব ব্যয় এয়ারলাইন্স বহন করবে। তাই আমরা এখানে এসেছি যাত্রীদের নিতে।”
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম বলেন, মধ্যপ্রাচের সব ফ্লাইট আগামী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে। এটা আমাদের আগের ঘোষণা তাই আর যাত্রীদের জন্য আবাসিক ব্যবস্থা নেই। তবে যে কোনো যাত্রীদের টিকিট রিশিডিউল ও রিফান্ড করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা চরচাকে বলেন, “গতকাল পর্যন্ত বিভিন্ন মাধ্যমে যাত্রীদের আবাসিক ব্যবস্থা ছিল এখন আর নেই। কারণ এখন খুব বেশি ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে না। আর অনেক ফ্লাইটের তথ্য আগে থেকেই জানানো হচ্ছে।”
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া চরচাকে বলেন, “প্রবাসী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সিভিল এভিয়েশন মিলে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করেছি। নতুন করে যাওয়ার ব্যাপারে ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করবে। এ ছাড়া টিকিট ও ভিসা জটিলতা নিরসনে সর্বোচ্চ সহযোগীতার ব্যপারে আমরা কাজ করছি।”