চরচা প্রতিবেদক

ছাত্রদল এখন ‘ক্রিজ, কোদাল আর চাপাতি’ বাহিনীতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম। ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ আক্রমণ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তার। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিএনপি উত্তপ্ত করে তুলছে অভিযোগ করে ছাত্রশিবিরের সকল নেতা-কর্মীদের তৈরী থাকতেও বলেছেন এই নেতা।
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘গণভোটের গণরায়’ বাস্তবায়নের দাবিতে আজ শনিবার জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধা জাতীয় সমাবেশে তিনি এমন মন্তব্য করেন। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ওই সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের আমির ও সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা।
এমন এক সময় শিবির সভাপতি এই মন্তব্য করলেন, যার দুদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপির ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের দফায় দফায় সংঘাত হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে শাহবাগে ছাত্রদল ও শিবিরের সংঘাতের প্রসঙ্গ টানেন শিবির সভাপতি। সেখানে আওয়ামী দোসরদের নিয়ে এসে শাহবাগ থানায় মব করে জুলাই যোদ্ধাদের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
অভিযোগে সাদ্দাম বলেন, ‘‘আমরা দেখেছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাইয়ে যারা সম্মুখ সারিতে থেকে নেতত্ব দিয়েছে, যারা তাদের (বিএনপি) রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে, সেই জুলাই যোদ্ধাদের আওয়ামী দোসরদের নিয়ে এসে শাহবাগ থানায় মব করে তাদের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে।”
শিবির সভাপতি বলেন, ‘‘চিটাগাং সিটি কলেজে আমাদের জুলাই যোদ্ধা ভাইদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। পায়ের ওপর আঘাত করে পা দ্বিখণ্ডিত করার মতে দুঃসাহস তারা দেখিয়েছে। আমরা ধৈর্য ধারণ করছি, আমরা বলতে চাই, আপনারা যে মসনদে বসে আছেন, এটা শহীদের রক্তে গড়া মসনদ। এই মসনদের সঠিক ব্যবহার না করলে তা ভেঙে তছনছ হয়ে যাবে।”
এ সময় ছাত্রদলকে সরকারের ‘পেটোয়া বাহিনী’ হিসেবে উল্লেখ করেন শিবির সভাপতি। তিনি বলেন, ‘‘অনতিবিলম্বে আপনার পেটোয়াবাহিনী, সন্ত্রাসী ছাত্রদলকে নিয়ন্ত্রণ করুন। ছাত্রদল এখন আর ছাত্র সংগঠন নেই। মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি, আর দশ-বিশ বছর ধরে কমিটি না হওয়া আদু ভাইদের দিয়ে ক্যাম্পাস পরিচালনা করছে। ক্যাম্পাসকে আপনারা রক্তাক্ত করে তুলছেন। আপনারা এখন ক্রিজ, কোদাল, চাপাতি বাহিনীতে পরিণত হয়েছেন।”
শিবিরের সভাপতি বলেন, ‘‘আজও যদি তারা জুলাই কে অস্বীকার করে, ক্যাম্পাসকে উত্তপ্ত করে, সাধারণ ছাত্রদের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলে, গণরুম, গেস্ট রুম কালচারকে ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা করে। আমরা আমাদের ভাইদেরকে বলে দিয়েছি, বইছে বাতাস বৈরী, তৈরি থেকো তৈরি। একটি ডাকে নামতে হবে মাঠে। আবার তুমুল ঘামতে হবে মাঠে। শত্রু আজও বন্য, সুযোগ খুজে হন্য, খামছে ধরে কখন সবুজ লাল। দূর আকাশে উড়ছে শকুন পাল, খামছে ধরে কখন সবুজ লাল।”
তিনি ক্ষমতাশীন দল ও তাদের ছাত্র সংগঠনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘‘আমরা রাস্তায় নামার জন্য প্রস্তুত আছি, অপেক্ষা করছি তোমাদের শোধরানোর। যদি না শোধরাও, তবে পরিণতির অপেক্ষা করো।”

ছাত্রদল এখন ‘ক্রিজ, কোদাল আর চাপাতি’ বাহিনীতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম। ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ আক্রমণ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তার। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিএনপি উত্তপ্ত করে তুলছে অভিযোগ করে ছাত্রশিবিরের সকল নেতা-কর্মীদের তৈরী থাকতেও বলেছেন এই নেতা।
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘গণভোটের গণরায়’ বাস্তবায়নের দাবিতে আজ শনিবার জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধা জাতীয় সমাবেশে তিনি এমন মন্তব্য করেন। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ওই সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের আমির ও সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা।
এমন এক সময় শিবির সভাপতি এই মন্তব্য করলেন, যার দুদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপির ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের দফায় দফায় সংঘাত হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে শাহবাগে ছাত্রদল ও শিবিরের সংঘাতের প্রসঙ্গ টানেন শিবির সভাপতি। সেখানে আওয়ামী দোসরদের নিয়ে এসে শাহবাগ থানায় মব করে জুলাই যোদ্ধাদের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
অভিযোগে সাদ্দাম বলেন, ‘‘আমরা দেখেছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাইয়ে যারা সম্মুখ সারিতে থেকে নেতত্ব দিয়েছে, যারা তাদের (বিএনপি) রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে, সেই জুলাই যোদ্ধাদের আওয়ামী দোসরদের নিয়ে এসে শাহবাগ থানায় মব করে তাদের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে।”
শিবির সভাপতি বলেন, ‘‘চিটাগাং সিটি কলেজে আমাদের জুলাই যোদ্ধা ভাইদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। পায়ের ওপর আঘাত করে পা দ্বিখণ্ডিত করার মতে দুঃসাহস তারা দেখিয়েছে। আমরা ধৈর্য ধারণ করছি, আমরা বলতে চাই, আপনারা যে মসনদে বসে আছেন, এটা শহীদের রক্তে গড়া মসনদ। এই মসনদের সঠিক ব্যবহার না করলে তা ভেঙে তছনছ হয়ে যাবে।”
এ সময় ছাত্রদলকে সরকারের ‘পেটোয়া বাহিনী’ হিসেবে উল্লেখ করেন শিবির সভাপতি। তিনি বলেন, ‘‘অনতিবিলম্বে আপনার পেটোয়াবাহিনী, সন্ত্রাসী ছাত্রদলকে নিয়ন্ত্রণ করুন। ছাত্রদল এখন আর ছাত্র সংগঠন নেই। মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি, আর দশ-বিশ বছর ধরে কমিটি না হওয়া আদু ভাইদের দিয়ে ক্যাম্পাস পরিচালনা করছে। ক্যাম্পাসকে আপনারা রক্তাক্ত করে তুলছেন। আপনারা এখন ক্রিজ, কোদাল, চাপাতি বাহিনীতে পরিণত হয়েছেন।”
শিবিরের সভাপতি বলেন, ‘‘আজও যদি তারা জুলাই কে অস্বীকার করে, ক্যাম্পাসকে উত্তপ্ত করে, সাধারণ ছাত্রদের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলে, গণরুম, গেস্ট রুম কালচারকে ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা করে। আমরা আমাদের ভাইদেরকে বলে দিয়েছি, বইছে বাতাস বৈরী, তৈরি থেকো তৈরি। একটি ডাকে নামতে হবে মাঠে। আবার তুমুল ঘামতে হবে মাঠে। শত্রু আজও বন্য, সুযোগ খুজে হন্য, খামছে ধরে কখন সবুজ লাল। দূর আকাশে উড়ছে শকুন পাল, খামছে ধরে কখন সবুজ লাল।”
তিনি ক্ষমতাশীন দল ও তাদের ছাত্র সংগঠনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘‘আমরা রাস্তায় নামার জন্য প্রস্তুত আছি, অপেক্ষা করছি তোমাদের শোধরানোর। যদি না শোধরাও, তবে পরিণতির অপেক্ষা করো।”