চরচা প্রতিবেদক

ঢাকার মিরপুরে ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। সন্তানদের চরম অবহেলার শিকার হয়ে ওই বৃদ্ধার মৃত্যুর অভিযোগ ওঠার পর সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত ও কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে।
ইতোমধ্যেই ওই বৃদ্ধার ছেলে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য এবং যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানকে তার পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তাকে অবিলম্বে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। অন্যথায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত বা ‘স্ট্যান্ড রিলিজড’ হিসেবে গণ্য করা হবে।
গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নূর জাহান বেগম দীর্ঘদিন ধরে মিরপুরের একটি বাসায় প্রায় একাকী এবং মানবেতর অবস্থায় বসবাস করছিলেন।
প্রতিবেশীদের অভিযোগ, পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তিনি ন্যূনতম যত্ন ও সহায়তা পেতেন না। তার তিন সন্তানই সমাজে অত্যন্ত সুপ্রতিষ্ঠিত। বড় ছেলে সরকারের উচ্চপদস্থ যুগ্ম সচিব, মেজো ছেলে দেশের শীর্ষ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েটের শিক্ষক এবং একমাত্র মেয়েও স্থানীয় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী জানিয়েছেন, দেশে ‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩’ কার্যকর রয়েছে, যা অনুযায়ী সন্তানদের ওপর পিতা-মাতার খাদ্য, চিকিৎসা, বাসস্থান ও পরিচর্যা নিশ্চিত করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই আইনের আলোকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এদিকে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিলে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। আজ এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে, যেখানে বৃদ্ধা মায়ের সঙ্গে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে ২০১৩ সালে প্রণীত পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন অনুযায়ী, সন্তানদের ওপর তাদের পিতা-মাতার ভরণপোষণের দায়িত্ব বর্তায়। আইন অনুযায়ী, কোনো সন্তান যদি যথাযথ কারণ ছাড়া পিতা-মাতার ভরণপোষণে ব্যর্থ হন, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
আইনটিতে পিতা-মাতার খাদ্য, চিকিৎসা, বাসস্থান ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যার বিষয়গুলো নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

ঢাকার মিরপুরে ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। সন্তানদের চরম অবহেলার শিকার হয়ে ওই বৃদ্ধার মৃত্যুর অভিযোগ ওঠার পর সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত ও কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে।
ইতোমধ্যেই ওই বৃদ্ধার ছেলে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য এবং যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানকে তার পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তাকে অবিলম্বে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। অন্যথায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত বা ‘স্ট্যান্ড রিলিজড’ হিসেবে গণ্য করা হবে।
গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নূর জাহান বেগম দীর্ঘদিন ধরে মিরপুরের একটি বাসায় প্রায় একাকী এবং মানবেতর অবস্থায় বসবাস করছিলেন।
প্রতিবেশীদের অভিযোগ, পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তিনি ন্যূনতম যত্ন ও সহায়তা পেতেন না। তার তিন সন্তানই সমাজে অত্যন্ত সুপ্রতিষ্ঠিত। বড় ছেলে সরকারের উচ্চপদস্থ যুগ্ম সচিব, মেজো ছেলে দেশের শীর্ষ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েটের শিক্ষক এবং একমাত্র মেয়েও স্থানীয় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী জানিয়েছেন, দেশে ‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩’ কার্যকর রয়েছে, যা অনুযায়ী সন্তানদের ওপর পিতা-মাতার খাদ্য, চিকিৎসা, বাসস্থান ও পরিচর্যা নিশ্চিত করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই আইনের আলোকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এদিকে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিলে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। আজ এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে, যেখানে বৃদ্ধা মায়ের সঙ্গে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে ২০১৩ সালে প্রণীত পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন অনুযায়ী, সন্তানদের ওপর তাদের পিতা-মাতার ভরণপোষণের দায়িত্ব বর্তায়। আইন অনুযায়ী, কোনো সন্তান যদি যথাযথ কারণ ছাড়া পিতা-মাতার ভরণপোষণে ব্যর্থ হন, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
আইনটিতে পিতা-মাতার খাদ্য, চিকিৎসা, বাসস্থান ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যার বিষয়গুলো নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।