চরচা ডেস্ক

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) সিপিআই(এম) দাবি করেছে, পশ্চিমবঙ্গের জনগণ তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের পতন চেয়েছেন। এই ক্ষোভের ফায়দা তুলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সীমাহীন দুর্নীতি, স্বৈরাচারী রাজত্ব, অপশাসনের বিরুদ্ধে মানুষ রায় দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করে তারা।
গতকাল সোমবার দেওয়া এক বিবৃতিতে এ দাবি করে সিপিআই(এম)।
বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে এসআইআর-র মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়া, বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করা, বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানো, প্রধানমন্ত্রীসহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের উস্কানির ফলে একটি ভীতির আবহাওয়া তৈরি করা হয়েছিল এই নির্বাচনে।
সিপিআই(এম) দাবি করেছে, এসব পদক্ষেপের সঙ্গে কেন্দ্র ও রাজ্যের শাসক দলের তরফ থেকে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের প্রচার চালানো হয়েছে। বিজেপি তারও সুযোগ নিয়েছে।
দলটির ভাষ্য, এই নির্বাচনে বৃহত্তর বাম ঐক্য গড়ে তোলা হয়েছিল, সহযোগী হিসাবে আইএসএফও ছিল, কিন্তু তাদের ঐকান্তিক চেষ্টা সত্ত্বেও কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতা না হওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিকল্পের স্থানটি বিজেপি দখল করে নিতে পেরেছে।
বিজেপির সমালোচনা করে সিপিআই(এম) বলেছে, তারা একটি স্বৈরাচারী ও গণতন্ত্র-বিরোধী দল। তাদের জনবিরোধী ও গণতন্ত্র-বিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সংগ্রামের জন্য এ রাজ্যের মানুষকে তৈরি থাকতে হবে।
এদিকে দীর্ঘ সময়ের পরে রাজ্য বিধানসভায় এবার বামপন্থী বিধায়ক থাকবেন উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিধানসভার ভেতরে ও বাইরে জনস্বার্থে আন্দোলন চালিয়ে যাবার লক্ষ্যে সিপিআই (এম) প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বামপন্থী কর্মীরা যে কোনো পরিস্থিতিতে মানুষের পাশেই থাকবেন।
সেই সঙ্গে নির্বাচনের পরে রাজনৈতিক হিংসা, অশান্তির কোনো পরিবেশ যেন তৈরি না হয় এবং সেই পরিবেশ ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করতে রাজনৈতিক দল ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) সিপিআই(এম) দাবি করেছে, পশ্চিমবঙ্গের জনগণ তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের পতন চেয়েছেন। এই ক্ষোভের ফায়দা তুলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সীমাহীন দুর্নীতি, স্বৈরাচারী রাজত্ব, অপশাসনের বিরুদ্ধে মানুষ রায় দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করে তারা।
গতকাল সোমবার দেওয়া এক বিবৃতিতে এ দাবি করে সিপিআই(এম)।
বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে এসআইআর-র মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়া, বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করা, বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানো, প্রধানমন্ত্রীসহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের উস্কানির ফলে একটি ভীতির আবহাওয়া তৈরি করা হয়েছিল এই নির্বাচনে।
সিপিআই(এম) দাবি করেছে, এসব পদক্ষেপের সঙ্গে কেন্দ্র ও রাজ্যের শাসক দলের তরফ থেকে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের প্রচার চালানো হয়েছে। বিজেপি তারও সুযোগ নিয়েছে।
দলটির ভাষ্য, এই নির্বাচনে বৃহত্তর বাম ঐক্য গড়ে তোলা হয়েছিল, সহযোগী হিসাবে আইএসএফও ছিল, কিন্তু তাদের ঐকান্তিক চেষ্টা সত্ত্বেও কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতা না হওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিকল্পের স্থানটি বিজেপি দখল করে নিতে পেরেছে।
বিজেপির সমালোচনা করে সিপিআই(এম) বলেছে, তারা একটি স্বৈরাচারী ও গণতন্ত্র-বিরোধী দল। তাদের জনবিরোধী ও গণতন্ত্র-বিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সংগ্রামের জন্য এ রাজ্যের মানুষকে তৈরি থাকতে হবে।
এদিকে দীর্ঘ সময়ের পরে রাজ্য বিধানসভায় এবার বামপন্থী বিধায়ক থাকবেন উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিধানসভার ভেতরে ও বাইরে জনস্বার্থে আন্দোলন চালিয়ে যাবার লক্ষ্যে সিপিআই (এম) প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বামপন্থী কর্মীরা যে কোনো পরিস্থিতিতে মানুষের পাশেই থাকবেন।
সেই সঙ্গে নির্বাচনের পরে রাজনৈতিক হিংসা, অশান্তির কোনো পরিবেশ যেন তৈরি না হয় এবং সেই পরিবেশ ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করতে রাজনৈতিক দল ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।