চরচা ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আগ্রহী। রুবিও বলেন, ‘‘আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই বলছি, যদি আয়াতুল্লাহ আগামীকাল বলেন যে তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে চান, তবে প্রেসিডেন্ট তার সঙ্গে দেখা করবেন।’’
ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন এবং তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে বৈঠকে বসতে আগ্রহী। রুবিও বলেন, ‘‘আমি এমন একজন প্রেসিডেন্টের অধীনে কাজ করছি যিনি যে কারো সঙ্গে দেখা করতে ইচ্ছুক। এর মানে এই নয় যে তিনি আয়াতুল্লাহর সব মতের সঙ্গে একমত, বরং তিনি মনে করেন এভাবেই বিশ্বের সমস্যাগুলো সমাধান করা সম্ভব।’’
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহব্যাপী বড় ধরনের সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করেছে আমেরিকার সামরিক বাহিনী।
বার্তা সংস্থাটি জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি চূড়ান্ত আক্রমণের নির্দেশ দেন, তবে মধ্যপ্রাচ্যে দুই দেশের মধ্যে এ যাবৎকালের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে সম্ভাব্য এই হামলার আশঙ্কায় কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড। তারা জানিয়েছে, ইরানের ভূখণ্ডে কোনো ধরনের হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা জর্ডান, কুয়েত, কাতার ও তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত হানা হবে।

ইরানের সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আগ্রহী। রুবিও বলেন, ‘‘আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই বলছি, যদি আয়াতুল্লাহ আগামীকাল বলেন যে তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে চান, তবে প্রেসিডেন্ট তার সঙ্গে দেখা করবেন।’’
ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন এবং তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে বৈঠকে বসতে আগ্রহী। রুবিও বলেন, ‘‘আমি এমন একজন প্রেসিডেন্টের অধীনে কাজ করছি যিনি যে কারো সঙ্গে দেখা করতে ইচ্ছুক। এর মানে এই নয় যে তিনি আয়াতুল্লাহর সব মতের সঙ্গে একমত, বরং তিনি মনে করেন এভাবেই বিশ্বের সমস্যাগুলো সমাধান করা সম্ভব।’’
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহব্যাপী বড় ধরনের সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করেছে আমেরিকার সামরিক বাহিনী।
বার্তা সংস্থাটি জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি চূড়ান্ত আক্রমণের নির্দেশ দেন, তবে মধ্যপ্রাচ্যে দুই দেশের মধ্যে এ যাবৎকালের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে সম্ভাব্য এই হামলার আশঙ্কায় কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড। তারা জানিয়েছে, ইরানের ভূখণ্ডে কোনো ধরনের হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা জর্ডান, কুয়েত, কাতার ও তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত হানা হবে।