চরচা ডেস্ক

গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হত্যা মামলা প্রত্যাহার এবং তাদের মুক্তির আহ্বান জানিয়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানকে চিঠি দিয়েছে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)।
সিপিজে সারা বিশ্বে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা নিয়ে কাজ করে। কারাগারে থাকা চার সাংবাদিক হলেন- ফারজানা রূপা, শাকিল আহমেদ, মোজাম্মেল হক বাবু এবং শ্যামল দত্ত।
সিপিজে তাদের চিঠিতে উল্লেখ করেছে, এই সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার ছিল মূলত পূর্ববর্তী সরকারের রাজনৈতিক প্রতিশোধের অংশ। প্রায় ১৮ মাস (৬০০ দিন) পার হয়ে গেলেও পুলিশ এখনো কোনো অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করতে পারেনি। আইনি বিধিবিধান লঙ্ঘন করে দীর্ঘ সময় প্রমাণ ছাড়াই তাদের আটকে রাখা হয়েছে বলে চিঠিতে দাবি করা হয়।
সংস্থাটি সরকারকে তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মনে করিয়ে দিয়ে বলে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলাগুলো দ্রুত প্রত্যাহার করা উচিত।
এই সাংবাদিকদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সিপিজে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সাংবাদিক শ্যামল দত্ত হৃদরোগ এবং গুরুতর স্লিপ অ্যাপনিয়ায় ভুগছেন, যার কোনো সুচিকিৎসা তিনি পাচ্ছেন না।
অন্যদিকে, ২০২৩ সালের শেষভাগে মোজাম্মেল হক বাবুর প্রস্টেট ক্যান্সারের অস্ত্রোপচার হলেও বর্তমানে তিনি প্রয়োজনীয় ফলোআপ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত। এ ছাড়া ফারজানা রূপাকে ২০২৪ সালের নভেম্বরে দুই সপ্তাহ কনডেম সেলে রাখা হয়েছিল, যা সাধারণত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদিদের জন্য সংরক্ষিত থাকে।
চিঠিতে সিপিজে জোর দিয়ে বলেছে, কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ ছাড়াই সাংবাদিকদের দীর্ঘদিন আটকে রাখা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর বড় আঘাত। সংস্থাটি অবিলম্বে এই সাংবাদিকদের মুক্তি নিশ্চিত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে থাকা ভিত্তিহীন মামলাগুলো বাতিলের দাবি জানিয়েছে।

গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হত্যা মামলা প্রত্যাহার এবং তাদের মুক্তির আহ্বান জানিয়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানকে চিঠি দিয়েছে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)।
সিপিজে সারা বিশ্বে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা নিয়ে কাজ করে। কারাগারে থাকা চার সাংবাদিক হলেন- ফারজানা রূপা, শাকিল আহমেদ, মোজাম্মেল হক বাবু এবং শ্যামল দত্ত।
সিপিজে তাদের চিঠিতে উল্লেখ করেছে, এই সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার ছিল মূলত পূর্ববর্তী সরকারের রাজনৈতিক প্রতিশোধের অংশ। প্রায় ১৮ মাস (৬০০ দিন) পার হয়ে গেলেও পুলিশ এখনো কোনো অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করতে পারেনি। আইনি বিধিবিধান লঙ্ঘন করে দীর্ঘ সময় প্রমাণ ছাড়াই তাদের আটকে রাখা হয়েছে বলে চিঠিতে দাবি করা হয়।
সংস্থাটি সরকারকে তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মনে করিয়ে দিয়ে বলে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলাগুলো দ্রুত প্রত্যাহার করা উচিত।
এই সাংবাদিকদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সিপিজে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সাংবাদিক শ্যামল দত্ত হৃদরোগ এবং গুরুতর স্লিপ অ্যাপনিয়ায় ভুগছেন, যার কোনো সুচিকিৎসা তিনি পাচ্ছেন না।
অন্যদিকে, ২০২৩ সালের শেষভাগে মোজাম্মেল হক বাবুর প্রস্টেট ক্যান্সারের অস্ত্রোপচার হলেও বর্তমানে তিনি প্রয়োজনীয় ফলোআপ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত। এ ছাড়া ফারজানা রূপাকে ২০২৪ সালের নভেম্বরে দুই সপ্তাহ কনডেম সেলে রাখা হয়েছিল, যা সাধারণত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদিদের জন্য সংরক্ষিত থাকে।
চিঠিতে সিপিজে জোর দিয়ে বলেছে, কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ ছাড়াই সাংবাদিকদের দীর্ঘদিন আটকে রাখা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর বড় আঘাত। সংস্থাটি অবিলম্বে এই সাংবাদিকদের মুক্তি নিশ্চিত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে থাকা ভিত্তিহীন মামলাগুলো বাতিলের দাবি জানিয়েছে।