চরচা প্রতিবেদক

প্রায় এক ঘণ্টার বেশি বিরতির পর শুরু হয় খেলা। বৃষ্টির পর মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই ইশ সোধিকে মারলেন বাউন্ডারি। সিরিজের প্রথম ম্যাচে দারুণ এক ফিফটি করা তাওহীদ হৃদয় যেন বুঝিয়ে দিলেন, পরিস্থিতি বদলে গেলেও তিনি ব্যাটিং করবেন আগ্রাসী মেজাজেই। পরে অবশ্য বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। অন্যদিকে বৃষ্টিবিঘ্নিত দিনে লিটন দাস বাদে তার সতীর্থদের কেউই পারেননি যথেষ্ট কার্যকর হতে।
তাতে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডকে চ্যালেঞ্জিং একটা টার্গেট দিতে ব্যর্থই হয়েছে বাংলাদেশ। ১৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে গুটিয়ে গেছে মাত্র ১০২ রানে (১৪.২ ওভার)।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে ধীরগতির ইনিংস খেলা সাইফ এই ম্যাচে শুরুতে দুই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ফিরে যান ১৬ রানেই। তার ওপেনিং সঙ্গী তানজিদ হাসান আরও একবার দলকে বিপদে ফেলেন ১০ বলে মাত্র ৬ রান করে। লিটন ক্রিজে গিয়েই চার ও ছক্কার মারে কিছুটা চাপ কমান।
তবে অন্যপ্রান্তে পারভেজ হোসেন ইমন পারেননি যোগ্য সঙ্গ দিতে। প্রথম বলেই ‘পেরিস্কোপ’ শট খেলতে গিয়ে তুলে দেন ক্যাচ। ইনিংসের ৬.৪ ওভারে বাংলাদেশের রান যখন ৩ উইকেটে ৫০, তখন নামে বৃষ্টি।
বিরতির পর জশ ক্লার্কসনকে ইনসাইড-আউট শটে উড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন লিটন, তবে পারেননি। আউট হয়ে যান ২৬ রানে। এরপর যা লড়াই, তা একাই করেন হৃদয়। ২৪ বলে ৩৩ রানে তার বিদায়ের পর ধস নামে ইনিংসে। মাত্র ১৪ রানে শেষ ৫ উইকেটের পতন হয় বাংলাদেশের।
২ ওভারে মাত্র ৯ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ব্যাটসম্যানদের কাজ কঠিন করে তোলেন ক্লার্কসন।

প্রায় এক ঘণ্টার বেশি বিরতির পর শুরু হয় খেলা। বৃষ্টির পর মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই ইশ সোধিকে মারলেন বাউন্ডারি। সিরিজের প্রথম ম্যাচে দারুণ এক ফিফটি করা তাওহীদ হৃদয় যেন বুঝিয়ে দিলেন, পরিস্থিতি বদলে গেলেও তিনি ব্যাটিং করবেন আগ্রাসী মেজাজেই। পরে অবশ্য বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। অন্যদিকে বৃষ্টিবিঘ্নিত দিনে লিটন দাস বাদে তার সতীর্থদের কেউই পারেননি যথেষ্ট কার্যকর হতে।
তাতে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডকে চ্যালেঞ্জিং একটা টার্গেট দিতে ব্যর্থই হয়েছে বাংলাদেশ। ১৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে গুটিয়ে গেছে মাত্র ১০২ রানে (১৪.২ ওভার)।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে ধীরগতির ইনিংস খেলা সাইফ এই ম্যাচে শুরুতে দুই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ফিরে যান ১৬ রানেই। তার ওপেনিং সঙ্গী তানজিদ হাসান আরও একবার দলকে বিপদে ফেলেন ১০ বলে মাত্র ৬ রান করে। লিটন ক্রিজে গিয়েই চার ও ছক্কার মারে কিছুটা চাপ কমান।
তবে অন্যপ্রান্তে পারভেজ হোসেন ইমন পারেননি যোগ্য সঙ্গ দিতে। প্রথম বলেই ‘পেরিস্কোপ’ শট খেলতে গিয়ে তুলে দেন ক্যাচ। ইনিংসের ৬.৪ ওভারে বাংলাদেশের রান যখন ৩ উইকেটে ৫০, তখন নামে বৃষ্টি।
বিরতির পর জশ ক্লার্কসনকে ইনসাইড-আউট শটে উড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন লিটন, তবে পারেননি। আউট হয়ে যান ২৬ রানে। এরপর যা লড়াই, তা একাই করেন হৃদয়। ২৪ বলে ৩৩ রানে তার বিদায়ের পর ধস নামে ইনিংসে। মাত্র ১৪ রানে শেষ ৫ উইকেটের পতন হয় বাংলাদেশের।
২ ওভারে মাত্র ৯ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ব্যাটসম্যানদের কাজ কঠিন করে তোলেন ক্লার্কসন।