চরচা প্রতিবেদক

সব ঠিক থাকলে এই সময়ে সোমালিয়ান রেফারি ওমর আবদুলকাদির আরতানের থাকার কথা ছিল যুক্তরাষ্ট্রে। প্রস্তুতি চলত ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া ফুটবল বিশ্বকাপে রেফারিংয়ের। তবে নাটকীয়ভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি না পাওয়ায় সেই স্বপ্ন ভেঙে গেছে শেষ মুহূর্তে। দুঃখজনক এই ঘটনায় হতাশ আরতানের কাছে পুরো ব্যাপারটা নিয়তি বলেই মনে হচ্ছে।
২০২৫ সালে আফ্রিকার বর্ষসেরা রেফারি নির্বাচিত হন আরতান। এই অঞ্চলের অন্যতম শীর্ষ রেফারি হিসেবেও বিবেচনা করা হয় তাকে। সেই ধারাবাহিকতায় পৌঁছে গিয়েছিলেন ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় মঞ্চের দোরগোড়ায়। সোমালিয়ার প্রথম রেফারি হিসেবে বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনার স্বপ্নও ছিল হাতের নাগালে। তবে এবারের আসরে আর সেই সুযোগ পাওয়া হচ্ছে না তার। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) তাকে দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি।
এরপর বুধবার সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুতে ফিরে যান আরতান। সেখানে সাংবাদিকদের বলেন, “যা হওয়ার তাই হয়েছে, এটাই নিয়তি ছিল। ফিফা আমাকে যে সমর্থন দিয়েছে, সে জন্য আমি কৃতজ্ঞ।”
গত মঙ্গলবার আরতানকে বিশ্বকাপের অন্যতম স্বাগতিক দেশ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ না করতে দেওয়ার স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। তাদের দাবি, ‘সন্ত্রাসী সংগঠনের সন্দেহভাজন সদস্যদের’ সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে আরতানের। এই কারণেই তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি আরতান। দেশের মানুষের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “সোমালিয়া আমাদের দেশ, সেটা ভালো সময় হোক বা খারাপ। আমি তরুণদের বলতে চাই, নিজেদের দেশ নিয়ে কখনো আশা হারাবে না। আমি এখন আমার দেশে আছি এবং দুনিয়ায় এরচেয়ে আর ভালো কোনো দেশ নেই।”
আরতান ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করলেও সোমালিয়া জুড়ে দেখা গেছে হতাশার সুর। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে শিক্ষার্থী আবদিফাতাহ বলেছেন, “এটা শুধু তার জন্যই নয়, আমাদের সবার জন্য এবং পুরো আফ্রিকার জন্যই একটি বিশেষ মুহূর্ত হতে পারত। কিন্তু সেটা আর হলো না।”
অন্যদিকে আলোকচিত্রী নাজিব এ. ফারাহ এই সিদ্ধান্তকে নেতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, “ওমর আরতান সোমালির রেফারিদের জন্য একজন আদর্শ। তাকে এভাবে ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে রেফারিং বা ফুটবলে ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন দেখা তরুণ সোমালিদের কাছে একটি ভুল বার্তা গেল।”
সোমালিয়া সরকার জানিয়েছে, আরতানের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিশ্চিত করার জন্য তারা দেশটির সরকার ও ফিফার সঙ্গে আলোচনা করেছিল। তবে সেই প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি।

সব ঠিক থাকলে এই সময়ে সোমালিয়ান রেফারি ওমর আবদুলকাদির আরতানের থাকার কথা ছিল যুক্তরাষ্ট্রে। প্রস্তুতি চলত ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া ফুটবল বিশ্বকাপে রেফারিংয়ের। তবে নাটকীয়ভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি না পাওয়ায় সেই স্বপ্ন ভেঙে গেছে শেষ মুহূর্তে। দুঃখজনক এই ঘটনায় হতাশ আরতানের কাছে পুরো ব্যাপারটা নিয়তি বলেই মনে হচ্ছে।
২০২৫ সালে আফ্রিকার বর্ষসেরা রেফারি নির্বাচিত হন আরতান। এই অঞ্চলের অন্যতম শীর্ষ রেফারি হিসেবেও বিবেচনা করা হয় তাকে। সেই ধারাবাহিকতায় পৌঁছে গিয়েছিলেন ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় মঞ্চের দোরগোড়ায়। সোমালিয়ার প্রথম রেফারি হিসেবে বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনার স্বপ্নও ছিল হাতের নাগালে। তবে এবারের আসরে আর সেই সুযোগ পাওয়া হচ্ছে না তার। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) তাকে দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি।
এরপর বুধবার সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুতে ফিরে যান আরতান। সেখানে সাংবাদিকদের বলেন, “যা হওয়ার তাই হয়েছে, এটাই নিয়তি ছিল। ফিফা আমাকে যে সমর্থন দিয়েছে, সে জন্য আমি কৃতজ্ঞ।”
গত মঙ্গলবার আরতানকে বিশ্বকাপের অন্যতম স্বাগতিক দেশ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ না করতে দেওয়ার স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। তাদের দাবি, ‘সন্ত্রাসী সংগঠনের সন্দেহভাজন সদস্যদের’ সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে আরতানের। এই কারণেই তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি আরতান। দেশের মানুষের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “সোমালিয়া আমাদের দেশ, সেটা ভালো সময় হোক বা খারাপ। আমি তরুণদের বলতে চাই, নিজেদের দেশ নিয়ে কখনো আশা হারাবে না। আমি এখন আমার দেশে আছি এবং দুনিয়ায় এরচেয়ে আর ভালো কোনো দেশ নেই।”
আরতান ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করলেও সোমালিয়া জুড়ে দেখা গেছে হতাশার সুর। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে শিক্ষার্থী আবদিফাতাহ বলেছেন, “এটা শুধু তার জন্যই নয়, আমাদের সবার জন্য এবং পুরো আফ্রিকার জন্যই একটি বিশেষ মুহূর্ত হতে পারত। কিন্তু সেটা আর হলো না।”
অন্যদিকে আলোকচিত্রী নাজিব এ. ফারাহ এই সিদ্ধান্তকে নেতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, “ওমর আরতান সোমালির রেফারিদের জন্য একজন আদর্শ। তাকে এভাবে ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে রেফারিং বা ফুটবলে ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন দেখা তরুণ সোমালিদের কাছে একটি ভুল বার্তা গেল।”
সোমালিয়া সরকার জানিয়েছে, আরতানের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিশ্চিত করার জন্য তারা দেশটির সরকার ও ফিফার সঙ্গে আলোচনা করেছিল। তবে সেই প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি।