বরিশাল প্রতিনিধি

২০১৭ সালের হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস। আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন।
পরে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. শরীয়তউল্লাহ আবেদন মঞ্জুর করেন বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী কাইয়ুম খান কায়সার।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৫ মে নগরীর অনামী–লেন এলাকায় হামলার অভিযোগে বিএনপি কর্মী সরোয়ার হোসেন ২০২৪ সালে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, বরিশাল মহানগর আ.লীগের সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর, জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার ইউনুসসহ মোট ২১০ জনকে আসামি করা হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবী জানান, মামলাটি সাত বছর আগের একটি মারামারির ঘটনা ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিরাপত্তাহীনতার কারণে ইউনুস আদালতে হাজির হতে পারেননি বলেও জানান তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, সে সময় পুরো দেশ কারাগারে পরিণত হয়েছিল, এবং তার মক্কেলও সেই পরিবেশে বন্দি ছিলেন। আদালত পুলিশ রিপোর্ট দাখিল না হওয়া পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেছেন।
অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নাজিম উদ্দিন পান্না জানান, ইউনুস শেখ হাসিনার আমলে রাতের ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। মামলাটিতে জামিন অযোগ্য ধারা থাকলেও আদালত আত্মসমর্পণের পর জামিন দিয়েছেন।

২০১৭ সালের হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস। আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন।
পরে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. শরীয়তউল্লাহ আবেদন মঞ্জুর করেন বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী কাইয়ুম খান কায়সার।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৫ মে নগরীর অনামী–লেন এলাকায় হামলার অভিযোগে বিএনপি কর্মী সরোয়ার হোসেন ২০২৪ সালে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, বরিশাল মহানগর আ.লীগের সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর, জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার ইউনুসসহ মোট ২১০ জনকে আসামি করা হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবী জানান, মামলাটি সাত বছর আগের একটি মারামারির ঘটনা ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিরাপত্তাহীনতার কারণে ইউনুস আদালতে হাজির হতে পারেননি বলেও জানান তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, সে সময় পুরো দেশ কারাগারে পরিণত হয়েছিল, এবং তার মক্কেলও সেই পরিবেশে বন্দি ছিলেন। আদালত পুলিশ রিপোর্ট দাখিল না হওয়া পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেছেন।
অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নাজিম উদ্দিন পান্না জানান, ইউনুস শেখ হাসিনার আমলে রাতের ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। মামলাটিতে জামিন অযোগ্য ধারা থাকলেও আদালত আত্মসমর্পণের পর জামিন দিয়েছেন।